Connect with us

সারাদেশ

চট্টগ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যর বাড়িতে ডাকাতি

Published

on

ডেস্ক নিউজ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে গভীর রাতে দরজার তালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সদস্যর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মিরসরাইয়ের খইয়াছড়া ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য সার্জেন্ট মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ডাকাতদল দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে শিশুদের গলা চিপে ধরে পরিবারের ৫ সদস্যকে জিম্মি করেছে৷ ঘরের কর্তা সেনাসদস্য সুফিয়ানকে পরনের লুঙ্গি দিয়ে হাত মুখ বেঁধে রাখে। শিশু দুজন কান্না করায় গলা চিপে ধরলে ছেলের বউ দুজন চিৎকার দিলে তাদের থাপ্পড় দেয়৷এরপর তাঁদের বেঁধে মুঠোফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করেছে। 

ঘটনার বিবরণ দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আবু সুফিয়ান বলেন, আমার দুজন ছেলে চাকরি সুবাদে শহরে থাকেন৷ ঘরে আমার দুই ছেলের বউ দুই নাতি আর আমার সহধর্মিণী ছিলেন৷ ডাকাতদল রাত দেড়টা নাগাদ দরজার তালা ভেঙ্গে আমার রুমে ঢুকে কিছু বুঝে উঠার আগে আমার পরনের লুঙ্গি দিয়ে আমার হাত বেঁধে ফেলে৷ পাশের রুম থেকে আমার ছেলের বউ নাতিদের শব্দ শুনতে পাই৷ 

আবু সুফিয়ান বলেন, পরবর্তীতে ডাকাতদলের সদস্য আমার দুই নাতির গলা চিপে ধরলে ছেলের বউরা চিৎকার দিলে তাদের বেধড়ক চড় থাপ্পড় ও মারধর করে৷ কানের দুল জোর করে নেয়ার জন্য প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ছেলের বউ৷ তারা আমার পরিবারের সদস্যদের ১০ ভরি স্বর্ণ, ২৫ হাজার ৭০০ টাকা, ৪টি মুঠোফোন নিয়ে যায়। ঘরের ভেতর সাতজন ডাকাত প্রবেশ করলেও বাইরে আরও কয়েকজন পাহারায় ছিল। ডাকাতেরা চলে যাওয়ার সবার রুমের বন্ধ করে দিয়ে যায় কিন্তু আমার স্ত্রী রুমের দরজা খোলা ছিল৷ সে সবার দরজা খুলে পুরান বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিই৷ 

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, ডাকাতির ঘটনা শোনা মাত্র রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মৌখিকভাবে সকল তথ্য নোট করে নিয়েছি। সকালেও পুলিশের টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে৷ এখনও এ বিষয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান ব্র্যাক সিডের

Published

on

By

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

‎ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের যাদুরানী বাজারে ব্র‍্যাক সীড এন্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের আয়োজনে কৃষকদের সাথে আধুনিক ফসল উৎপাদনের কলাকৌশল প্রয়োগ ও হাইব্রিড-১০ ধানের অধিক ফলন উৎপাদন ও বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎সোমবার (১১ মে) দুপুরে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ব্র্যাক সীডের ডিলার দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বেে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র‍্যাক সীড এন্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজ এর রিজিওনাল সেলস অফিসার, কৃষিবিদ মোফাখায়রুল ইসলাম।
‎আরো বক্তব্য রাখেন এসিস্ট্যান্ট সেলস অফিসার রাকিবুল ইসলাম ও কীটনাশক, বীজ, রাসায়নিক সার বিক্রেতাবৃন্দ।
‎অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন টেরিটোরি সেলস অফিসার কৃষিবিদ খোন্দকার মাহাবুবুজ্জামান তামজিদ ।

‎এ সময় কৃষিবিদ মোফাখায়রুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের মাঝে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের কলাকৌশল ও বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ধান, ভুট্টা, মিষ্টিকুমড়া, শাক-সবজি, করলা, আলু সহ ব্র‍্যাকের উন্নত জাতের ফসল কিভাবে কম কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে দিকনির্দেশনামুলক পরামর্শ দেন ।
এ সময় তিনি কৃষক ও ডিলারদেরকে বায়ো-পেস্টিসাইজের বিষয় উল্লেখ্য করে বলেন অধিকাংশ কৃষকরা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহার।তাই তিনি বায়ো পেস্টিসাইজের সুফল তুলে ধরেন। সেই সাথে ব্র্যাকের বায়ো পেস্টিসাইজের পণ্যগুলো নিয়ে আলোচনা ও ব্যবহার করতে বলেন। তিনি আরো বলেন মাটিতে যদি গ্যাস না থাকে তাহলে ফসল ভালো হবে।
তিনি মাটির গুনাগুন, অল্মীয় বা ক্ষারত্ব, পিএইচ এর মান ৫.৫-৭.৫ এর মধ্যে থাকে তাহলে সেই মাটিতে ভালো ফলাফল আশা করা যায়।

‎কর্মশালায় ৫৭ জন প্রান্তিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ১কেজি করে ব্র‍্যাকের হাইব্রিড-১০ জাতের বিজ প্রদান করা হয়।

আল আমিন আব্দুল্লাহ

Continue Reading

top1

বিএনপি নেতার ইয়াবা সেবনের ছবি ভাইরাল

Published

on

By

সম্প্রতি একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে।

সবুজ মিয়া জামালপুর সদরের রানাগাছা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিতে সবুজ মিয়াকে নিচু হয়ে ইয়াবা সেবন করতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক বিএনপি নেতা বলেন, সে আগে থেকেই মাদকের সঙ্গে যুক্ত। ২৩ সালে ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার আগেই সে মাদক সেবন করত।

এ বিষয়ে সবুজ মিয়া ছবিটি তার স্বীকার করে বলেন, ছবিটি কোনো এক ঈদের পরের দিন তোলা হয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের পরের দিন একটু মজা করতে গিয়ে সবাই মিলে মাল খেয়েছি, বেড়ার ফাঁক দিয়ে কেউ ছবিটা তুলেছিল। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার কয়েক মাস পর এই ছবি প্রথমবার পোস্ট করা হয়েছিল একটি আইডি থেকে। দুই বছর পর কয়েক দিন ধরে নতুন করে ছবিটি পোস্ট করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি নেশা করি না, আগে মাঝেমধ্যে টুকটাক করলেও এখন করি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান সফি বলেন, মাদকের সঙ্গে যুক্ত কেউ বিএনপির রাজনীতিতে থাকতে পারে না। মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পেলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে

Continue Reading

top1

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্য

Published

on

By

কুষ্টিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শেফা নামের ১১ বছর বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ২৮ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মৃত শিশু শেফা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কুমারগাড়া এলাকার আক্তার হোসেনের মেয়ে। গতকাল রবিবার (১০ মে) বিকেল ৪টার সময় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন মোট ৭৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩০ জন। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সমন্বিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১১ মে পর্যন্ত জেলায় সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,২১৩ জনে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া সদর এলাকাতেই আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি।

উপজেলা ভিত্তিক আক্রান্তের চিত্রে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ৮ জন, খোকসায় ১ জন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ১৮ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ।

তথ্যমতে, এ পর্যন্ত আক্রান্ত ১,২১৩ জনের মধ্যে ১,০৯৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও এখনও অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যানুযায়ী, নিশ্চিতভাবে হাম প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা ৩ জন হলেও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সিনিয়র স্টাফ নার্স মোছা. ফাতেমা খাতুন জানান, ভর্তিকৃত শিশুদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের অবস্থা দ্রুত অবনতি হওয়ায় মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, জেলাজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের শরীরে জ্বর ও লালচে দানা দেখা দেওয়ার সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। অবহেলা করলে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিলতায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় কুষ্টিয়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অনেক অভিভাবক অভিযোগ করছেন, সঠিক সময়ে টিকাদান নিশ্চিত না হওয়ায় এবং সচেতনতার অভাবে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মেডিকেল টিম এবং তদারকি জোরদার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে

Continue Reading

Trending