Connect with us

সারাদেশ

চবি শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫ হাজার কোরআন বিতরণ করল ছাত্রশিবির

Published

on

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঁচ হাজার পবিত্র কুরআন বিতরণ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ধর্মীয় চর্চা জোরদার ও কুরআন অধ্যয়নের আগ্রহ বৃদ্ধি করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।তিনি বলেন,আমাদের এ প্রোগ্রামটি গত ১৫ সেপ্টেম্বরে করার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু নির্বাচনী আচরণবিধির কারণে তা স্থগিত রাখতে হয়েছে। আজকের লক্ষ্য পাঁচ হাজার কুরআন বিতরণ করা।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আমাদের অনুপ্রাণিত করছে। আগামীকাল আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার ও জিরো পয়েন্টে পানির ফিল্টার উদ্বোধন করব, যা শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সানজিদা ফারিয়া বলেন, ছাত্রশিবিরের এই উদ্যোগটি একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর আমরা অনেক সময় ধর্মীয় চর্চা থেকে দূরে সরে যাই। এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের আবারও ধর্মীয় অনুশাসনের দিকে ফিরিয়ে আনবে।

মোহাম্মদ রাশেদ নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, অনেকের ফোনে কুরআনের অ্যাপ থাকে, কিন্তু পড়ার সুযোগ হয় না। আবার অনেকের টেবিলে কুরআন থাকলেও নিয়মিত পড়া হয় না। এই সংস্করণটি আরবি ও বাংলায় সহজভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় পড়তে সুবিধা হবে। আমি নিজের জন্য ও বন্ধুর জন্য দুটি কপি নিয়েছি।

কুরআন বিতরণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ পারভেজ, ছাত্রী সংস্থার সদস্য ও সদ্য নির্বাচিত চাকসুর ছাত্রী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নাহিমা আক্তার দ্বীপাসহ সংগঠনের অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

‘ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়’: এমপি নজরুলের স্ত্রীর চিরকুট

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক হাতে লেখা চিঠি ও নোটে সম্পর্কের টানাপোড়েন, বিশ্বাসভঙ্গ, ক্ষোভ এবং আত্মমর্যাদার বিষয় উঠে এসেছে। এসব লেখায় নিজেকে ‘দাবার ঘুঁটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার আক্ষেপের পাশাপাশি সম্পর্কের পরিণতি নিয়েও সতর্কবার্তা রয়েছে।

জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল প্যাডে কালো কালিতে লেখা একটি নোটে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে, লেখক একসময় বিশ্বাস নিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, যাকে বিশ্বাস করেছিলেন তিনিই ছিলেন ‘বিপক্ষ দলের সেনাপতি’।

আরেকটি সাদা পাতায় সম্পর্কের অধিকার ও অপূর্ণতা নিয়ে লেখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অন্য কারও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর চেয়ে তাকে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। একই লেখায় বলা হয়েছে, ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়—এটি হয় সম্পূর্ণ, নয়তো অপূর্ণ।

অন্য একটি নোটে ‘বন্ধুত্ব’ ও ‘গেমস’-এর প্রসঙ্গ তুলে নিজের অবস্থানকে দাবার ঘুঁটির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। লেখায় আস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগও করা হয়।

সংসদের প্যাডে লেখা আরেকটি অংশে ক্ষোভের পাশাপাশি সতর্কবার্তা রয়েছে। সেখানে বিশ্বাসের কারণে প্রতারিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ পরিণতি সম্পর্কে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। লাল কালিতে লেখা আরেকটি সংক্ষিপ্ত নোটে নিজের আত্মমর্যাদার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া নথিগুলোর মধ্যে ‘১২-০৭-২০২৬’ তারিখ লেখা একটি আলাদা পাতাও রয়েছে। সেখানে ঘুমানোর আগে পাঠের জন্য কয়েকটি ধর্মীয় আমল ও দোয়ার তালিকা রয়েছে। এতে কালেমা, বিভিন্ন দোয়া, আয়াতুল কুরসি এবং নির্দিষ্ট সংখ্যায় দরুদ শরিফ ও ইস্তিগফারের উল্লেখ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এসব নথির হাতের লেখা ও বিষয়বস্তু গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

সর্বশেষ

লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানানোয় জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম

Published

on

By

অলটাইম ডেস্ক

সিরাজগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আহত জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর সেখের স্ত্রী শোহর বানু সদর থানায় এই মামলা করেছেন। 

আহত আব্দুস সবুর সেখ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের জামায়াতের সাবেক আমির।

মামলার এজাহারে সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকারসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাতে মামলা হয়েছে। তবে আসামিদের কেউ এখনো গ্রেফতার হয়নি। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মামলার সুত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা টু রংপুর লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়ে সয়দাবাদ এলাকা অতিক্রম করে। তখন জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর সেখ নেতাকর্মীদের নিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের স্বাগত জানান। ওই সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াতের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসনের বাধার মুখে তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। 

এরপর স্থানীয় একটি মসজিদে জোহরের নামাজ শেষে বের হওয়ার পর আব্দুস সবুর সেখকে একা পেয়ে তার ওপর হামলা চালায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আব্দুস সবুরকে কুপিয়ে ও মারধর করে গুরুতর আহত করে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

আহত আব্দুস সবুরকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হয়। এরপর তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আব্দুস সবুরের শরীরের ৩টি স্থানে জখম হয়েছে।

সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, লংমার্চের সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সাথে জামায়াত নেতাকর্মীদের তর্কবিতর্ক হয়। ওই সংক্রান্ত একটি ভিডিও জামায়াতের পক্ষ থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন তারা। এ কারণে স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মী আব্দুস সবুরকে ধরে কিলঘুষি দিয়েছে। কাঠের চেলা দিয়ে আঘাত করার কারণে হয়তো তার শরীর থেকে রক্ত বের হয়েছে। কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ সঠিক নয়।

Continue Reading

top1

কুমিল্লায় অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের একাধিক ক্লু পাওয়া গেছে: পুলিশ সুপার

Published

on

By

অলটাইম ডেস্ক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে একাধিক ক্লু পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।

শনিবার বিকালে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হতে পারে। 

তিনি বলেন, অপ্রতীম নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। এ হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক ক্লু পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডটির পেছনে শুধু আইফোন ছিল, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল তা দ্রুত উদ্ঘাটন করা হবে। হত্যাকাণ্ডে যতজনই জড়িত থাকুক তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কয়েকজন পুলিশ হেফাজতে আছে।

তবে তাদের নাম তদন্তের স্বার্থে এখনই বলা যাবে না। লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তবে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তুহিন নামে এক যুবকের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। ওই যুবকই বিকাল থেকে অপ্রতীমের সঙ্গে ছিল। সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। 

এর আগে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় ১৩ বছর বয়সি অপ্রতীম। শনিবার দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অপ্রতীম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতীম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

নিখোঁজের পর থেকেই অপ্রতীমকে উদ্ধারে স্বজনদের পাশাপাশি পুলিশও তৎপর ছিল। তার সর্বশেষ অবস্থান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছিল পুলিশ।

অপ্রতীমের লাশের প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল কাদের জিলানী বলেন, আমরা বাঁশ কাটার জন্য এখানে এসেছিলাম। হাতে ঘড়ি বা সঙ্গে মোবাইল ছিল না। সময়টা আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা হবে। আমাকে ছেলে বলছিল ওখানে কেউ ঘুমায়। ভালোভাবে খেয়াল করে দেখি ওর মাথায় জখম আছে। ভয় পেয়ে যাই। একটু পর মামুন নামে একজনের সঙ্গে দেখা হয়। 

তিনি বলেন, ম্যাডামের ছেলে নিখোঁজ। আমরা এ ঘটনা খুলে বলতেই তিনি ঘটনাস্থলে যান। গিয়ে দেখেন অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে আছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবদুল হাকিম বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমরা পুলিশ, ডিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমরা ছেলেটিকে আর জীবিত পেলাম না। তার সঙ্গে থাকা মায়ের আইফোনটিও পাওয়া যায়নি।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

Continue Reading

Trending