Connect with us

top1

প্রথম মন্ত্রী সভায় জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের ডাক তারেক রহমানের

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ের এক নম্বর ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়। বৈঠকে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুততম সময়ে জনকল্যাণমূলক কাজ দৃশ্যমান করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

১৮০ দিনের অগ্রাধিকার রোডম্যাপ

বৈঠক শেষে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি জানান, সরকার পরিচালনার জন্য একটি ১৮০ দিনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। এই সময়ের মধ্যে গৃহীত কর্মসূচিগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া গণমাধ্যম কমিশনের প্রস্তাবনা নিয়ে কাজ শুরু করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

বাজার নিয়ন্ত্রণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ

আসন্ন রমজান উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদুর রহমান জানান:

রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত যেন নির্বিঘ্ন হয়, সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে।

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণ

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনকে সম্পূর্ণ দুর্নীতির প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রমবাজার আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জনগণের ম্যান্ডেট ও দায়বদ্ধতা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, “জনগণ আমাদের বড় ম্যান্ডেট দিয়েছে। তাই প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তাঁরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকেন।”

উল্লেখ্য, আজ বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে পৌঁছান এবং বিকাল ৩টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়। মন্ত্রিসভার এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গেও একটি বিশেষ বৈঠকে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

তুরস্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

Published

on

By

তুরস্কে আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের সাইডলাইনে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনতালিয়ায় কূটনীতিকদের বৈশ্বিক সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি সরকার গঠনের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুর রহমানের এটি প্রথম বৈঠক।

বৈঠক প্রসঙ্গে স্যোশাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে ইসহাক দার উল্লেখ করেন, সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি আনন্দিত।

আমরা পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি এবং আলোচনা সহজতর করার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূমিকাসহ আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি আমাদের অব্যাহত ইতিবাচক এবং দূরদর্শী সম্পর্কের অপেক্ষায় রয়েছি।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তুরস্কে শুক্রবার শুরু হওয়া আন্টালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে ড. খলিলুর রহমান বলেন, আমি পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে গভীরভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই, অত্যন্ত অশান্ত একটি অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অসাধারণ ও ঐতিহাসিক প্রচেষ্টার জন্য।

ফোরামে ইসহাক দার ও খলিলুর রহমান এবং আফগানিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী নূরউদ্দিন আজিজি দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক একটি প্যানেলের অংশ ছিলেন, যেখানে তারা দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সংহতির চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।

খলিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সুড়ঙ্গের শেষে আলো দেখতে পাচ্ছি। সর্বশেষ হরমুজের মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার ইরানের সিদ্ধান্ত সবার জন্য সুখবর।

চলমান প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব থেকে নিজেকে একা কোনও দেশ রক্ষা করতে সক্ষম হবে না।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমাদের একসঙ্গে নিজেদের নিরোধক করতে হবে।

ইরান যুদ্ধের পর থেকে বিশ্বে অর্থনৈতিক চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। এর প্রভাব হবে মারাত্মক। এটি ইতোমধ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। আমাদের জ্বালানি ভর্তুকি দেওয়ার ক্ষমতা এবং উন্নয়ন বাজেট থেকে কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের ধাক্কা শোষণ করার ক্ষমতা নেই; যার অর্থ আমাদের প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সম্মেলনে অংশ নিতে তিন দিনের সফরে তুরস্কে গেছেন ড. খলিলুর রহমান। সম্মেলনে শেষে রোববার (১৯ এপ্রিল) তিনি বেলজিয়ামের ব্রাসেলস যাবেন। এরপর তার ইথিওপিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা আছে। তার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

Continue Reading

top1

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পাঠানো হলো বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড’

Published

on

By

বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড আবারও মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। দুইজন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

সংবেদনশীল অভিযান নিয়ে কথা বলার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, রণতরীটি ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস মাহান এবং ইউএসএস উইনস্টন চার্চিলের সঙ্গে সুয়েজ খাল অতিক্রম করে বর্তমানে লোহিত সাগর অঞ্চলে অবস্থান করছে।

এর আগে রণতরীটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন ছিল। তবে এর একটি লন্ড্রি কক্ষে আগুন লাগার পর মেরামতের জন্য সাময়িকভাবে বন্দরে ফিরে যেতে হয়।

এই রণতরীর আগমনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ উপস্থিতি আরও জোরদার হলো। বর্তমানে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইতোমধ্যেই আরব সাগর অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে।

একই সঙ্গে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ বুশ এই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলের কাছে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।

কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জেরাল্ড ফোর্ড সম্প্রতি ভিয়েতনাম যুদ্ধ-এর পর দীর্ঘতম সময় ধরে মোতায়েন থাকা বিমানবাহী রণতরীর রেকর্ড গড়েছে।

এর আগে ২০২৬ সালের ২৮ মার্চ রণতরীটি ক্রোয়েশিয়ার স্প্লিট বন্দরে নোঙর করেছিল।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

Continue Reading

top1

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননে বিস্ফোরণ, ঘরবাড়ি ধ্বংসের অভিযোগ

Published

on

By

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, সীমান্তবর্তী যেসব শহর এখনো ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেখানে তারা ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে। সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যেই বলেছেন, তারা লেবাননের শহরগুলো ধ্বংস করতে দিতে চান, যাতে বাসিন্দারা আর সেখানে ফিরে যেতে না পারেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আল–জাজিরা

Continue Reading

Trending