Connect with us

আন্তর্জাতিক

জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলে ১৫ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

Published

on

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ যতটা সহজ ভাবা হয়েছিল, ততটা সহজ হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ইসরায়েলের অস্ত্র ফুরিয়ে যাওয়া নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে । এরই মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আজ শনিবার ইসরায়েলের কাছে আনুমানিক ১৫ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের জরুরি অস্ত্র বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট সহায়তা সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সময়ক্ষেপণ এড়াতে এসব অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব কংগ্রেসের অনুমোদনের অপেক্ষায়ও রাখা হবে না। সরাসরি সেসব ইসরায়েলে পাঠানো হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইসরায়েল সরকারের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে এ অস্ত্র বিক্রির লক্ষ্যে একটি বিশেষ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। অস্ত্রের এ প্যাকেজে বিএলইউ-১১০এ/বি বোমা এবং লজিস্টিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন এবং এ অঞ্চলের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি ইরানে হামলা জোরদারের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইরানে এ যাবৎকালের ‘বৃহত্তম বোমাবর্ষণ’ করবে যুক্তরাষ্ট্র। আজ শনিবার রাতেই এমনটি ঘটতে যাচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, আজ রাতে ইরানের ওপর ‘আমাদের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ পরিচালিত হবে।

স্কট বেসেন্ট বলেন, মার্কিন এ হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলোর ‘সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে’। আমরা এগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে অকার্যকর করে দিচ্ছি। ইরান বিশ্বজুড়ে ‘অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা’ করছে। হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়েন মন্ত্রী।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আন্তর্জাতিক

আমি নিজেকে শান্তির দূত মনে করি: ট্রাম্প

Published

on

By

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে তিনি একজন ‘শান্তির দূত’। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে এভাবেই তিনি তার উত্তরাধিকার দেখতে চান বলেও জানান তিনি।

শনিবার বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজের উত্তরাধিকার কেমন দেখতে চান— সাংবাদিকেরা এমন প্রশ্ন করেছিলেন ট্রাম্পকে। জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা বলা আমার জন্য ঠিক শোনাবে না, কিন্তু আমি চাই আমার উত্তরাধিকার একজন মহান শান্তির দূত হিসেবে তৈরি হোক।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি সত্যিই বিশ্বাস করি আমি একজন শান্তির দূত। এই মুহূর্তে হয়তো তেমনটা মনে হচ্ছে না, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি আমি একজন শান্তির দূত।’

Continue Reading

top1

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পাবে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ 

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বড় সাফল্য দেখাল বাংলাদেশ, ভারতসহ মিত্র দেশগুলো। ইরান সরকার জানিয়েছে, বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বাংলাদেশ, ভারত, রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান ও ইরাকের মতো বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রগুলোর জাহাজের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ নয়।’

এ ছাড়া রয়টার্সের খবরের বরাতে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক জানায়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই পথে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আব্বাস আরাগচি বলেন, ‘আপনারা খবরে দেখেছেন, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত এই তালিকায় আছে। গত কয়েক দিন আগে ভারতের দুটি জাহাজ এই পথ দিয়ে পার হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু দেশ, এমনকি আমার জানামতে বাংলাদেশও এই তালিকায় রয়েছে। এই দেশগুলো আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে এবং সমন্বয় বজায় রাখছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ভবিষ্যতেও এই দেশগুলোর জন্য আমাদের এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর জন্য পথ খোলা রাখলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজের জন্য কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তেহরান। আরাগচি বলেন, ‘আমরা এখন যুদ্ধাবস্থায় আছি। এই অঞ্চলটি একটি যুদ্ধক্ষেত্র। তাই আমাদের শত্রু এবং তাদের সহযোগীদের জাহাজ এখান দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কোনো কারণ নেই।’

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান সংঘাত থামাতে চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে আছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্রের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রস্তাব তারা পেলেও এই মুহূর্তে সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা তাদের নেই।

Continue Reading

top1

যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ শর্ত, ইরানের ৫

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত নিরসনে ইরানকে ১৫ দফার একটি বিস্তৃত প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে, যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে পাল্টা ৫টি কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে তেহরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, সিএনএন এবং দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এই কূটনৈতিক তৎপরতার তথ্য উঠে এসেছে।

কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পাঠানো এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ বন্ধ করা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের ভূমিকা পুনর্গঠন। এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সৈয়দ আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসর এই তিন দেশ সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানকে তাদের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা নাতানজ, ইসফাহান ও ফোরদো বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে যেকোনো ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ, সমৃদ্ধ উপাদান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার কাছে হস্তান্তর এবং তদারকি সংস্থাকে পূর্ণাঙ্গ প্রবেশাধিকার দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দামে টানা ১০ দিনের পতন, দেশে ভরি কত?

পরিকল্পনায় এক মাসের যুদ্ধবিরতি, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি স্থগিত এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠীকে সমর্থন বন্ধের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালীকে একটি উন্মুক্ত ও নিরাপদ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথ হিসেবে রাখার শর্তও এতে যুক্ত। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে সব পারমাণবিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বেসামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ বন্ধে ৫টি বিশেষ শর্ত দিয়েছে। তাদের দাবিগুলো হলো:
১. যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না—এমন নিশ্চয়তা প্রদান।
২. হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কার্যত ইরানের হাতে রাখা।
৩. মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সকল মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করা।
৪. যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান।
৫. ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো সংবাদকর্মী বা ব্যক্তিদের হস্তান্তর অথবা তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে এবং তারা চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। সংঘাত নিরসনের অংশ হিসেবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। শুরুতে অস্বীকার করলেও পরে ইরানি সূত্র সিএনএনকে জানায়, যুদ্ধ শেষ করতে তারা একটি ‘টেকসই’ প্রস্তাব শুনতে আগ্রহী এবং দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চলছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে এবং অঞ্চলটিতে হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

Continue Reading

Trending