Connect with us

সর্বশেষ

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬, শ্রেষ্ঠ ইউএনও আলী সুজা

Published

on

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে বরিশাল জেলার উপজেলাগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উজিরপুর উপজেলার ইউএনও মো. আলী সুজা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক দক্ষতা, উন্নয়ন কার্যক্রম, জনসেবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক উদ্যোগসহ সার্বিক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।

জানা যায়, গত ২১ মে জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষরিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের মূল্যায়ন তালিকায় ২০২৬ সালের শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মো. আলী সুজার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মো. আলী সুজা সহকারী কমিশনার পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসেবামূলক ও মানবিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রেখে স্থানীয় জনগণের মাঝে আস্থা অর্জন করেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন, অসহায় ও দুস্থ মানুষের সহায়তা, শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেওয়া, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিন তদারকি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা এবং মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

এছাড়া উজিরপুর উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি। ঐতিহ্যবাহী শিকারপুর বন্দর এলাকা থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর এম এ জলিল সেতু পর্যন্ত নৌকাবাইচ, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি, স্বাধীনতা দিবসে ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনেও তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মো. আলী সুজা বলেন, ‘আমি শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য কাজ করিনি। সরকারের অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমার কাজকে মূল্যায়ন করেছেন, এ জন্য আমি কৃতজ্ঞ। দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে সফলতা আসবেই, ইনশাআল্লাহ।’

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, মানবিক ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হওয়া উজিরপুর উপজেলার জন্য গর্বের বিষয়

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ রিটটি দায়ের করেন।

রিটে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হবে।

রিটকারী আইনজীবীর দাবি, এই বিধানের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বর্তমান প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

এদিকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ইতোমধ্যে তফসিলসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনকে ‘নির্বাচনী কর্তা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ার মধ্যেই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে রিট দায়ের হওয়ায় নির্বাচনকে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Continue Reading

top3

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ-সমাবেশ

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুর নগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান। সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল। এতে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হকসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ টি এম আজম খান বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যে এমন ধারণা পাওয়া যায় যে রংপুরের মানুষ বিএনপির পরিবর্তে জাতীয় পার্টি বা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ায় এ অঞ্চল কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য রংপুরবাসীর রাজনৈতিক সচেতনতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সাংবিধানিক অধিকারকে খাটো করে।

তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হবে, সেটি জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দের সম্পর্ক তৈরি করা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের দায়িত্ব দল-মতনির্বিশেষে দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রংপুরের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।

সমাবেশ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক আনুগত্যের সঙ্গে উন্নয়নকে যুক্ত না করে রংপুরের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে মন্তব্য করেন। তার ওই বক্তব্যের পর রংপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে রংপুরে জামায়াতের ১১ জন সংসদ সদস্য সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তারা বলেন, রংপুরের মানুষ কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন, সেটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে কোনো অঞ্চলের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দকে শর্তযুক্ত করা যাবে না।

Continue Reading

top3

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ভাঙন, ক্ষতিগ্রস্ত শত শত পানচাষি

Published

on

By

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় নদীতীরবর্তী প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে। এতে ফসলি জমি, পানবরজ, কলাবাগান ও স্থানীয়দের একমাত্র শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত বছর থেকে এ পর্যন্ত নদীভাঙনে প্রায় ৯৫০ বিঘা ফসলি জমি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহৃত একমাত্র শ্মশানঘাট বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে শত শত পানচাষির প্রায় ৫ হাজার পিলি পানবরজ এবং ১০০ বিঘা কলাবাগান নদীতে ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় গত চার-পাঁচ দিন ধরে পদ্মার তীরে ব্যাপক ভাঙন চলছে। নদীর পাড়ে সৃষ্টি হয়েছে খাড়া ভাঙন। এতে নতুন করে কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ক্ষুদ্র কৃষক গিরি দাস বলেন, এলাকায় তাদের প্রাচীন শ্মশানঘাট ছিল। সেটি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। ফলে শ্মশানঘাটটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ওই স্থানে প্রায় ৫০ ফুট গভীর পানি রয়েছে।

পানচাষি ও ব্যবসায়ী নেতা আসলাম উদ্দিন বলেন, ভেড়ামারা উপজেলার সবচেয়ে বেশি পান চাষ হয় এ অঞ্চলে। দেশের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী কুচিয়ামোড়া পান বাজারও মূলত এ এলাকার পানের ওপর নির্ভরশীল। নদীভাঙনে কয়েক শত পানচাষি প্রায় ৫০০ বিঘা জমিতে থাকা অন্তত ৫ হাজার পিলি পানবরজ হারিয়েছেন।

কৃষক আমিরুল বলেন, গত বছর তার ভাই ও ভাতিজারা মিলে ৭-৮ বিঘা জমিতে পান চাষ করেছিলেন। নদীভাঙনে তাদের ৮০০ পিলি বরজ বিলীন হয়েছে। একইভাবে রায়টার অনেক কৃষক ৫০ থেকে ১০০ পিলি পর্যন্ত পানবরজ হারিয়েছেন।

পানচাষি সুমন হোসেন বলেন, দুই বছর আগে এ অঞ্চলের হাজার বিঘা পানবরজ আগুনে পুড়ে যায়। এখন আবার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। এলাকার মানুষের জীবিকা মূলত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড ন্যূনতম ব্যবস্থা নিলে ক্ষয়ক্ষতি এতটা হতো না বলে দাবি করেন তিনি।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, ভাঙন দুই মাস আগে শুরু হয়েছে। তবে পানি বাড়ায় গত কয়েক দিনে ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভাঙন রোধে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। সেটি অনুমোদন হয়ে বাজেট না আসা পর্যন্ত কাজ করা সম্ভব নয়।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন।

Continue Reading

Trending