Connect with us

আইন-শৃঙ্খলা

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতার মনোনয়ন বাতিলের পর সরকারি কর্মকর্তাদের হাততালির অভিযোগ

Published

on

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণার ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের জামায়াত মনোনীত ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। তার দাবি, সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাকে হাততালি দিতে দেখা গেছে, যা প্রশাসনের পক্ষপাতের ইঙ্গিত দেয়।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রশাসনের ভেতরে এখনও ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রভাব ও তাদের সহযোগীরা সক্রিয় রয়েছে। সেই প্রভাবের ফলেই তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পর কিছু কর্মকর্তার হাততালির প্রসঙ্গ টেনে ড. আযাদ বলেন, দায়িত্বে থেকে যারা এমন আচরণ করেন, তারা কখনো নিরপেক্ষ হতে পারেন না। এতে প্রমাণ হয়, প্রশাসনের ভেতরে এখনও ফ্যাসিবাদী শক্তির অনুসারীরা সক্রিয়।ড. আযাদ বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ের সাজানো ও মিথ্যা মামলাকে সামনে রেখে মনোনয়ন বাতিল করা সম্পূর্ণ অন্যায়। তাঁর হলফনামায় ঋণখেলাপি, কর ফাঁকি বা রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের কোনো অভিযোগ নেই। তা সত্ত্বেও ২০১৩ সালের একটি আদালত অবমাননার মামলাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে তাঁকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বৈষম্যমূলক।আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, যে মামলাটি দেখিয়ে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, সেটি কোনো ফৌজদারি অপরাধ নয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত একটি বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওই আদালত অবমাননার মামলা হয়েছিল, যা ক্রিমিনাল মামলার আওতায় পড়ে না।

তিনি আরও জানান, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও একই বিষয় উত্থাপন করা হয়েছিল। তখন আইনি পর্যালোচনার পর রিটার্নিং অফিসার সেটিকে নির্বাচনী অযোগ্যতা হিসেবে গ্রহণ করেননি। এমনকি ওই মামলায় সাজা ঘোষণার পরও তিনি প্রায় দেড় বছর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।ড. আযাদের মতে, সাজা থাকা সত্ত্বেও সংসদে দায়িত্ব পালনকালে আদালত কিংবা সংসদ—কোনো পক্ষই এটিকে নৈতিক বা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেনি। একই মামলার ভিত্তিতে এবার মনোনয়ন বাতিল করা একটি নজিরবিহীন ও অন্যায্য সিদ্ধান্ত।প্রশাসনের আচরণ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, যাচাই-বাছাইয়ের বিরতির সময় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে আলাদাভাবে ডেকে নিয়ে নতুন একটি পিটিশন গ্রহণ করা হয়েছে, যা নিরপেক্ষতার ন্যূনতম মানদণ্ড লঙ্ঘন করে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে দফায় দফায় মারধরের ঘটনায় রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, এজিএস এসএম সালমান সাব্বিরসহ ৯জন রাকসু ও শিবির নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে। আরও ১৭ থেকে ১৮ জনকে মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার রাজশাহী জেলার মতিহার থানা আমলি আদালতে তিন দফা মারধরের শিকার শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানের পিতা এম.এস. আজাদ উজ জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। 

এ দিকে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারীর আইনজীবী হযরত আলী।

মামলায় নাম উল্লেখ করা অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব, তথ্য ও গবেষণা উপ-সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদ ভিপি আহসান উল্লা ফারহান, নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, শাখা ছাত্রশিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব, ক্যাম্পাস মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা। এ ছাড়াও ১৭/১৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।

মামলার এজাহার উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অবস্থানের সময়ে ১৯-২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, বেত ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর শুরু করে।

এজাহারে হত্যাচেষ্টার বর্ণনা দিয়ে বলা হয়, প্রধান আসামি সালাহউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথা ও কপালে একাধিকবার আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে কয়েকজন তাকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। স্থানীয় লোকজন ও স্বেচ্ছাসেবীরা তাকে উদ্ধার করে এম্বুলেন্সে তুলতে গেলেও, তাকে সেখান থেকে নামিয়ে একাধিকবার হত্যার উদ্দেশে মারধর করা হয়।

থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি উল্লেখ করে এজাহারে বলে হয়েছে, ঘটনার পরদিন বাদী মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসানের পিতা এম.এস. আজাদ উজ জামান জানান, সহিংসতার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারেন। পরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পান।

তিনি অভিযোগ করেন, ২৮শে জুলাই তিনি পুলিশের কাছে গেলে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নথিভুক্ত করতে অস্বীকার করেন এবং তাঁকে আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চাওয়ার পরামর্শ দেন।

অভিযুক্তের পক্ষে আইনজীবী হযরত আলী বলেন, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আদেশ না দিয়ে বরং তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর কাছে পাঠিয়েছে।

তিনি দাবি করেন যে, মাহিনের বাবা ‘আবেগের বশে’ অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন।

Continue Reading

আইন-শৃঙ্খলা

সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

Published

on

By

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অতীত কার্যক্রম নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে নবীন আইনজীবীদের বরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জনগণের দাবি ও বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার এবং ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালীন সময়ের কার্যক্রম যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার চায় না অন্যায়ভাবে কেউ কষ্ট পাক। তবে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংবিধানের বিধান অনুসারেই সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। এ বিষয়ে দেশবাসীকে সরকারের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানাই।

বঙ্গভবন ছাড়লেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিগত সরকারের সময়কার দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের চিত্র তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে নথিভুক্ত উপায়ে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে, যা বর্তমান সময়ের দুই থেকে তিনটি জাতীয় বাজেটের সমান। এ তথ্য তার ব্যক্তিগত নয়। বিশ্বখ্যাত সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। অর্থাৎ প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে।

দুর্নীতির উদাহরণ তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, খুলনায় পৌনে চার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ২৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আবার পিরোজপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কাজ কেবল কাগজে-কলমে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। বাস্তবে সেখানে এক ইঞ্চি সড়কও নির্মাণ হয়নি।

আইনমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের নামে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এসব অনিয়ম দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং জনগণের আস্থায়ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

জুলাই অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বিষয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এসব মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে বর্তমানে মিথ্যা মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনজীবী হওয়ার কোনো শর্টকাট পথ নেই। প্রতিদিন শিখতে হয়। তিনি নতুন আইনজীবীদের অর্থের পেছনে না ছুটে মানুষের সেবা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং পেশাগত সততা বজায় রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নিজের দলের কেউও যদি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকে, তার বিরুদ্ধেও আইনজীবীদের সোচ্চার হতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান, মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ তালুকদার, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

Continue Reading

top1

কাশিমপুর কারাগার থেকে নারী কয়েদির পলায়ন, ৭ কারারক্ষী বরখাস্ত

Published

on

By

গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে এক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সাতজন কারারক্ষীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে তিন মেট্রন ও চার নারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তকৃতরা হলেন— মেট্রন লায়লা আঞ্জুমান সুমি, মেরিনা, রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা আক্তার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

কারাগার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৪০ জন নারী বন্দীকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ চলছিল। ওই সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের অবহেলার সুযোগে কয়েদি রিম্পা কারাগারের অফিস ভবনের পাশের সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। পরে কারাগারের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি পালিয়ে গেছেন।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পলাতক কয়েদিকে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও কীভাবে একজন বন্দী পালাতে সক্ষম হলো—সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, পলাতক কয়েদি রিম্পা মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার রায়পুরা গ্রামের মো. হাসান হাবিবের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় (আদালতে করা মামলা) তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দী ছিলেন।

Continue Reading

Trending