Connect with us

top1

জামায়াত জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা

Published

on

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে টানাপড়েন চলছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)তে। একের পর এক পদত্যাগ করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এতে স্পষ্ট ভাঙনের মুখে দলটি। গত ৯ দিনে এনসিপি থেকে ১১ জন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন।

এনসিপি দলীয় সূত্র বলছে, জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার কারণে দলের কিছু নেতা পদত্যাগ করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, এনসিপি’র দলীয় আদর্শ এসব বিবেচনায় দলের অনেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। অনেক নেতা নির্বাচনে আসন চেয়েছিলেন, না পাওয়ায়ও অনেকে পদত্যাগ করেছেন। অন্যদিকে এখনো ১০ দলীয় জোটে কত আসনে এনসিপি’র প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে- তা এখনো পরিষ্কার করেনি দলটি। দলটির এক যুগ্ম আহ্বায়ক জানান, এখনো চাওয়া-পাওয়ার আলোচনা চলছে। আমাদেরও কিছু চাওয়া- পাওয়া আছে, জোটেরও আছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার একদিনেই এনসিপি’র চারজন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেন। তারা হলেন- যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহীন, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন, সংগঠক ওয়াহিদুজ্জামান এবং কেন্দ্রীয় সদস্য আল আমিন আহমেদ টুটুল। এর আগে গত বুধবার রাতে পদত্যাগ করেন যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।

সূত্র জানায়, গত বছরের ২৪শে ডিসেম্বর রাতে এনসিপি’র নির্বাহী কাউন্সিলের সভায় জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি’র নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। এরপর গত ২৫শে ডিসেম্বর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন তাকে সমর্থন জানিয়ে পদত্যাগ করেন এনসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক। মীর আরশাদুলের পদত্যাগের দু’দিন পর ২৭শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দেন এনসিপি’র জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। সেদিনই জোটবদ্ধ নির্বাচনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দেন এনসিপি’র ৩০ নেতা। তাদের অনেকেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তাসনিম জারার পদত্যাগের পরদিন ২৮শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন এনসিপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন। ৩০শে ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল) ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী।

২০২৫ সাল শেষ হলেও এনসিপি নেতাদের পদত্যাগের তালিকা এখানেই থেমে যায়নি। বছরের শুরুর দিনেই পদত্যাগ করেছেন খান মুহাম্মদ মুরসালীন, ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, মুশফিক উস সালেহীন ও আল আমিন আহমেদ টুটুল।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যেসব নেতা পদত্যাগ করেছেন, তারা জামায়াতের জোটে মনোনয়ন না পাওয়ার কারণে পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগকারী নেতাদের কেউ জামায়াতকে জোটসঙ্গী করা, কেউ ‘ব্যক্তিগত’, কেউ ‘আদর্শিক সংঘাত’, কেউ জোটের প্রসঙ্গের কথা কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এনসিপি’র যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহীন তার পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘সমপ্রতি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত নই।’

তাসনূভা জাবীন তার পদত্যাগের বিষয়ে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনারা অনেকে ভাবছেন, হয়তো জামায়াতের সঙ্গে জোটে ঐতিহাসিক কারণ বা নারী বিষয়ের কারণে আমার আপত্তি। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর যে কারণ, সেটা হলো যে প্রক্রিয়ায় এটা হয়েছে। এটাকে রাজনৈতিক কৌশল, নির্বাচনী জোট ইত্যাদি লেভেল দেয়া হচ্ছে। আমি বলবো, এটা পরিকল্পিত। এটাকে সাজিয়ে এ পর্যন্ত আনা হয়েছে।’

দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে প্রায় ৩০টি আসনে সমঝোতার গুঞ্জন থেকেই এনসিপি’র ভেতরে অসন্তোষের সূত্রপাত। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু স্পষ্ট করেনি দলটি। আসন সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায় প্রার্থী তালিকাও ঘোষণা করেনি এনসিপি।

ঢাকা মহানগর উত্তরের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) আব্দুল্লাহ আল মনসুর মানবজমিনকে বলেন, জোট হওয়ার কারণে পদত্যাগ করেছেন ব্যাপারটা শুধু এমন নয়, আসন বণ্টন নিয়ে দলের ভেতরে একটা অস্পষ্টতা আছে। এই জায়গা থেকে অনেকেরই ক্ষোভ ছিল।

এসব বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন মানবজমিনকে বলেন, প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা মতাদর্শ থাকতে পারে। দলের মেজরিটি যেখানে মতামত দেবেন দল সেদিকেই সিদ্ধান্ত নেবেন। দল থেকে কেউ যদি চলে যান সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

মহাসড়কে ৬ দিন ট্রাক, কাডার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ: ডিএমপি

Published

on

By

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় গমনাগমন করবেন। ঈদের সময় আনুমানিক ১ কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ত্যাগ করেন এবং প্রায় ৩০ লক্ষাধিক প্রবেশ করেন। তাদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাডার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রোববার (২৪ মে) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে আগামীকাল ২৫ মে থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাডার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। তবে পশুবাহী যানবাহন, নিত্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থালী ও খাদ্য-দ্রব্য, পঁচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, সার, এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনসমূহ এর আওতামুক্ত থাকবে।

সড়ক/মহাসড়কে যান চলাচল সংক্রান্ত নির্দেশনায় আরও বলা হয়-

ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, রুট পারমিটবিহীন বাস চলাচল করতে পারবে না। আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে বাসগুলোকে সরাসরি গন্তব্যে যেতে হবে। সড়কে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না। অনুমোদিত কাউন্টার ছাড়া রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা-নামানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা মহানগরীতে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার রাস্তাসমূহে কোনভাবেই যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। লক্কর-ঝক্কর, ফিটনেসবিহীন, যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত ও কালো ধোঁয়া নির্গমণকারী গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না।

ঈদযাত্রার চাপ সামাল দিতে আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ মে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া হয়ে ধউর ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক একমুখী করা হবে। এ সময়ে এই পথে শুধু ঢাকা থেকে বের হওয়া যানবাহন চলাচল করতে পারবে। ঢাকায় প্রবেশকারী যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

এদিকে যানজট কমাতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিহারের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। এর মধ্যে রয়েছে বনানী থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, শ্যামলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর রোড, ফুলবাড়িয়া থেকে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকা-কেরানীগঞ্জ সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর থেকে ধউর ব্রিজ সড়ক।

Continue Reading

top1

মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের ফাঁসি আদেশ

Published

on

By

মেহেরপুরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ঘটনায় শাকিল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন আদালত।

রবিবার (২৪ মে) দুপুর দেড়টায় মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবার ২৯ কার্য দিবসের মধ্য স্ব-শরীর ও ভার্চুয়াল ভিডিও কলের মাধ্যমে তিন দিনে স্বাক্ষী জবানবন্দি জেরা গ্রহণ করে আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাকিল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আব্দাল হাসানের পুত্র।

ফাঁসি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেহেরপুর নারী ও শিশু দমন এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুন গাংনী উপজেলা চাঁদপুর গ্রামের পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়া মেয়ে তার পিতাকে বাড়ির পাশের আবাদী মাঠে খাবার দিতে যাওয়ার সময় ধর্ষক শাকিল হোসেন শিশুটিকে দেশীয় অস্ত্র ধারালো হাসুয়া দিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে পাশ্ববর্তী পাট খেতে নিয়ে গিয়ে শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

ধর্ষণ শেষে শিশুর চিৎকারে ধর্ষক পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটির বাড়ি ফিরে তার পরিবারকে ধর্ষণের বিষয়টি জানালে গ্রামবাসী ধর্ষককে আটক করে গণপিটুনি দেয়।

পুলিশ ধর্ষককে উত্তেজিত মানুষের কাছ থেকে উদ্ধার করে আটক করে। পরে শিশুর পিতা ইছানুল হক গাংনী থানায় গিয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে।

মামলার তদন্ত রিপোট পুলিশ দাখিলের পর আদালত ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলায় ১২ জন সাক্ষীর ভার্চুয়ালি ভিডিও কলে ও সশরীরে জবানবন্দি জেরা গ্রহণ করেন।

সাক্ষ্য প্রমাণে এবং মেডিকেল পরীক্ষা রিপোর্টে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ধর্ষক শাকিল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ৩ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছর কারাদণ্ড আদেশ দেন। জরিমানার টাকা ধর্ষকের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে বিক্রয়লদ্ধ অর্থ আদালতের মাধ্যমে ভিকটিমের পরিবারকে পরিশোধের আদেশ দিয়েছে আদালত।

রায় ঘোষণাকালে আদালতে গণমাধ্যম কর্মীরা সহ আসামিপক্ষে আইনজীবী ও অন্য আইনজীবী, ধর্ষক উপস্থিত থেকে রায় শ্রবণ করেন। অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসাবে মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ড রায়ে ধর্ষিত শিশুর পরিবার খুশি বলে সাংবাদিকদের জানান। অন্যদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিল হোসেনের আইনজীবী উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা বলেন

Continue Reading

top1

৭ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন , ছুটি বাতিল হতে পারে বিশেষ আদালতের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্যে যা করতে হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় করবে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “আজ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে। বিশেষ এই আদালতে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করছি।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রামিসা হত্যার আসামিকে ৭ ঘণ্টার ভেতর গ্রেপ্তার সম্ভব হয়েছে। আমরা খুব দ্রুততার সাথে ডিএনএ টেস্ট করিয়েছি। পোস্টমর্টেম সহ সব রিপোর্ট একত্র করে গতকাল রাতের মধ্যেই চার্জশিট তৈরি হয়েছে। আশা করছি বিচারও দ্রুততম সময়ের মধ্যে হবে। প্রয়োজনে বিশেষ আদালতের ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত হতে পারে’

এদিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে রোববার আদালতে হাজির করা হয়েছে।

এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, ডিএনএ প্রতিবেদনের তথ্য আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে।

গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

পরে ২০ মে নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন

Continue Reading

Trending