Connect with us

সারাদেশ

জামালপুরে অপারেশন ডেভিল হান্টে গ্রেপ্তার ৮ স্বৈরাচারের সহযোগী

Published

on

ডেস্ক নিউজ 

জামালপুর জেলার ৭টি  উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ডেভিল হান্টের অভিযানে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাত ১২ টা পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় আদালতের মাধ্যমে জামালপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

জেলার জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ি,দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ,মাদারগঞ্জ,মেলান্দহ, ইসলামপুর উপজেলায় ৭ টি থানা ও ২ টি পুলিশ ফাড়ী এবং ১১ টি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চলছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পুলিশ পরিদর্শক মো: গোলাম সরোয়ার। 

এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (সাময়িক দায়িত্ব)  পুলিশ পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ জানান, সদর থানার ফতেপুর হাজীবাড়ী মো: মজিবর রহমান এর ছেলে  ও ১০নং শ্রীপুর ইউপির ০১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য সামছুল ইসলাম বুলবুল (৪৫),মোঃ হাবিবুর রহমান এর ছেলে ও জামালপুর পৌরসভার ০৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ আলাল উদ্দিন (৫৪),পূর্ব ফুলবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুল মোমেন এর ছেলে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগ এর কৃষি ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মিনহাজ (২৭) কে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৫(৩)/২৫ঘ তৎসহ,১৮৬০ পেনাল কোডের ১৪৩/১৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২)/১১৪/৩৪ ধারায়  আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, সরুলিয়া গ্রামের মোঃ নূরল ইসলাম তহুর এর ছেলে ও ১ নং সুরমুট ইউনিয়ন যুবলীগ এর প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সানোয়ার হোসেন (৩০), মরাইলদার গ্রামের আব্দুল মোতালেব এর ছেলে ও ০৩ নং মাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সহ-সভাপতি মেঃ আনোয়ার হোসেন (৩৬) কে ১৪৩/১৪৭/৩২৩/৩২৪/৩৭৯/৪২৭/৩০৭/৫০৬(২)/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ তৎ 3A/5/6 The Explosive substanaces Act 1908 19 (a) The arms Act ১৮৭৮ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।  

ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আ. স. ম আতিকুর রহমান জানান, মৌজাজাল্লা (পোদ্দারপাড়া সীমানীড়) এলাকার মৃত নৃপেন্দ্র চন্দ্র দত্ত এর ছেলে ও ইসলামপুর শহর আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সাবেক তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক শ্রী রতন কুমার দত্ত (৫৩) কে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩) তৎসহ বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইন ১৯০৮ (সংশোধন/২০০২) সনের ৩ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে । 

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নাজমুল হাসান জানান,উৎমারচর এলাকার মো:  বাদশা মিয়ার ছেলে ও সদর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ এর সভাপতি মো: রাশেদুল ইসলাম (২১)কে ১৪৮/৩৪১/৪৩৫/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩৭৯ পেনাল কোড তৎসহ ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ মূলে তদন্ধ সন্ধিয় আসামীকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বকশিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, খেওয়ারচর (জব্বারগঞ্জ বাজার) এলাকার মৃত ছামিউল হক এর ছেলে ও ৭নং মেরুরচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ আইয়ুব আলী (৫৫) কে ১৪০/৩৪১/৩২৩/৩০৭/৪৩৬/৪২৭/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড, তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইন (সংশোধনী/২০০২) এর ৩/৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।।

এদিকে মাদারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল্লাহ সাইফ ও সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদুল ইসলাম জানান, তাদের থানা এলাকায় অভিযান অব্যাহত আছে। 

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: মেম্বারসহ আটক ৩

Published

on

By

নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরী আমেনা বেগম (১৫)কে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় শালিস করা সাবেক মেম্বার আব্দুল্লাহসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান আসামি নূরা এখনও পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশালের স্থায়ী বাসিন্দা আমেনা বেগম মাধবদীর হোসেন বাজার বিলপাড় এলাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পরিবারের অভিযোগ, প্রায় ১৫ দিন আগে ছয় যুবক তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্থানীয় সাবেক মেম্বার আব্দুল্লাহর কাছে শালিসে দেওয়া হলে তিনি মীমাংসার আশ্বাস দেন। কিন্তু গত ১৫ দিনেও সঠিক বিচার করা হয়নি, অভিযোগ আছে মেম্বার আসামিদের থেকে টাকা নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল।

এরই মধ্যে গতকাল রাতে বাবার সামনে থেকে কিশোরী আমেনাকো তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। রাতে পরিবারের খোঁজাখুঁজির পর সকালে একটি সরিষা ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, “আমরা বিকালে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই অভিযান চালাই। এরপর শালিস করা মেম্বার আব্দুল্লাহ, তার ছেলে ইমরান এবং ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এবাদ উল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।”

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেম্বার আব্দুল্লাহ স্বীকার করেছেন যে তিনি ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এবাদ উল্লাহর কাছ থেকে দুই হাজার টাকা নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

এ ঘটনায় প্রধান আসামি নূরাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়রা এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে রাতে প্রতিবাদ মিছিল করেছে

Continue Reading

top2

সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

Published

on

By

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশে লাগানো দুটি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াত নেতা পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর শ্রীরামিসি আঞ্চলিক শাখার সভাপতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামিসী রসুলপুর গ্রামের পিয়ার আলী ও আহবাব মিয়া শ্রীরামিসি বাজার থেকে মিয়ার বাজার সড়কের পাশে লাগানো দুটি প্রাপ্তবয়স্ক গাছ অনুমতি ছাড়া কেটে নেন। গাছ দুটির বাজারমূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জায়গার গাছ কেটে প্রায় ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে কথা বলছেন না বলেও তারা জানান।

অভিযুক্ত পিয়ার আলী দাবি করেন, রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় গাছটি বিদ্যুতের তার ও যানবাহনের সঙ্গে লাগছিল। তাই সরল মনে সেটি কেটে ফেলেছেন।

মিরপুর, সৈয়দপুর শাহাড়পাড়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সজল তালুকদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহসীন উদ্দীন বলেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

সর্বশেষ

কুষ্টিয়ার ওপরওয়ালা এখন আমি: আমির হামজা

Published

on

By

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে কুষ্টিয়ায় ওপরওয়ালা কেউ নেই, ওপরওয়ালা এখন আমি। সুতরাং, যা কিছু হবে আমাকে জানাবেন।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এমপি আমির হামজা বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতাল নিয়ে তার কাছে একাধিক লিখিত অভিযোগ এসেছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে এবং অনিয়ম-ত্রুটি সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্টরা প্রাথমিকভাবে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং বিষয়গুলো ‘কন্ট্রোলের বাইরে’ ছিল বলে জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওপরওয়ালার দোষ দিয়ে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। মনে হচ্ছে, কুষ্টিয়ায় ওপরওয়ালা কেউ নেই, ওপরওয়ালা এখন আমি। যা কিছু হবে, আমাকে জানাতে হবে।’

সভা-পরবর্তী বক্তব্যে এমপি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিছু ‘কালো হাত’ সক্রিয় রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, ‘দুই নম্বরি যদি কেউ করতে চায়, সরাসরি বলবেন -মাওলানার কাছে টাকা দেওয়া আছে। আপনারা উনার কাছে যান। এত ক্ষমতা নিয়ে কে কুষ্টিয়ায় চলে, আমি দেখব।’

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালকে তিনি জেলার মানুষের ‘আবেগের জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে কয়েকটি বিভাগ চালু থাকলেও বাকি বিভাগগুলোও দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এ লক্ষ্যে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টাব্যাপী সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ‘দুইটি বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে এগুলো দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বিষয়। সামনে আরও সাত-আটটি বিষয় রয়েছে,’ -বলেন তিনি।

এমপি আশা প্রকাশ করেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির খবর পাওয়া যাবে।

Continue Reading

Trending