Connect with us

ক্যাম্পাস

জুলাই শহিদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ইবি ছাত্রশক্তি’র পথচলা শুরু

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার সর্বকনিষ্ঠ জুলাই শহিদ আব্দুল্লাহ আল মুস্তাকিনের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি’র ছাত্র সংগঠন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকালে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে এই কবর জিয়ারত ও দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করে সংগঠনটি। এসময় উপস্থিত ছিলেন— শহিদ মুস্তাকিনের বাবা, শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান, সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন মো. তামিম, মুখ্য সংগঠক যায়েদ বিন ওসমান ও সংগঠনটির অন্যান্য কর্মীরা।

এই ভূখণ্ডের জন্য আত্মত্যাগকারী প্রতিটি শহিদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে ইবি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় নেতাকর্মীদের।

দোয়া মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য সংগঠনটির সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন মো. তামিম বলেন, আজ জুলাইয়ের শহিদদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে জাতীয় ছাত্রশক্তি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কার্যক্রমের সূচনা করেছি। শহিদদের আত্মত্যাগ আমাদের কাছে শুধু একটি স্মৃতি নয়; এটি আমাদের অঙ্গীকার। আমরা তাঁদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষাকে কখনো ভুলব না, ভুলতেও দেব না। সেই চেতনাকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গঠন এবং বৈষম্যহীন শিক্ষাঙ্গন বিনির্মাণে আমরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব।

সংগঠিনটির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফুয়াদ হাসান বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সহ প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের শহিদদের অবদান, স্পিরিটকে আমরা মনেপ্রাণে লালন করি। শহিদরা যে মহতি উদ্দেশ্যে জীবন দিয়েছে, আমরা সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাব। গণরুম, গেস্টরুম মুক্ত ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার জন্যই মূলত শহিদদের আত্মত্যাগ। সেই চেতনা লালন করে আমরা অবশ্যই শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (৫ জুলাই) জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইবিতে প্রথমবারের মতো আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আহ্বায়ক হিসেবে ফুয়াদ হাসান, সদস্য সচিব হিসেবে ইফতেহার উদ্দিন মো. তামিম ও মুখ্য সংগঠক হিসেবে যায়েদ বিন ওসমান দায়িত্ব পেয়েছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ভিসি বরাবর লিখিত অভিযোগ, ধোঁয়াশা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয়ে অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর অভিযোগ দিয়েছে একই বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব শেখ। অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ভোক্তাভোগী হিসেবে নাম থাকা শিক্ষার্থীরা ‘তাদের নাম দেওয়ার বিষয়ে’ জানেন না বলে দাবি করেছেন। ফলে এনিয়ে প্রকৃত ঘটনায় কাটেনি ধোঁয়াশা।

জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগে পরীক্ষায় মূল্যায়নে অনিয়ম, ব্যক্তিগত আক্রোশ, শিক্ষার্থীদের হয়রানি, ফলাফলে বৈষম্য, হুমকি ও একাডেমিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন রাকিব শেখ। একইসাথে তাকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স পরীক্ষা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব থেকে অপসারণ ও সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার দাবি দাবি জানান তিনি।

অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী হিসেবে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের খন্দকার ইউসুফ আলী, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের আল মামুন হাসান রাজু, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ফারিয়া জান্নাত প্রমি ও একই বর্ষের ছাব্বির হোসেন। এছাড়া, ফারিয়া জান্নাত অভিযোগ করেন, তার অনুমতি না নিয়ে পরীক্ষার নম্বরপত্র উঠিয়ে প্রশাসন বরাবর দেয়া অভিযোগপত্রে সংযুক্ত করেছে রাকিব শেখ। এছাড়া ‘গোপনীয় তথ্য ব্যবহারের দায়ে’ সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা রাকিব শেখের বিরুদ্ধে বিভাগে অভিযোগ করেন।

এবিষয়ে সাংবাদিকদের ফারিয়া জান্নাত প্রমি বলেন, ‘আমার নাম দিয়ে স্যারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। আমি ঐ অভিযোগটা করি নি। তবে, স্যারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগটা আসছে, সেই সমস্যাটা পরবর্তীতে স্যার সমাধান করে দিয়েছিলেন। সমস্যাটা স্যার সমাধান করে দেয়ার পরে ঐটা নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নাই। এমনকি আমি একথা কাউকে বলিও নাই, কাউকে কখনো অভিযোগও করি নাই। আবার, আমার অনুমতি ছাড়া মার্কশিট উত্তোলন করছে, সেটা বিভাগে জমা দিছে এবং পত্রিকায় ছাপাইছে। যেটা উচিত হয়নি।

ছাব্বির হোসেন বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে আমি একদমই অবগত নই। কিছুই বলতে পারছি না, কারা অভিযোগ দিলো।”

জানতে চাইলে অভিযোগপত্রে নাম থাকা আল মামুন হাসান রাজু বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমাদের নাম ব্যবহার করে কেউ অভিযোগ দিলে বলতে পারছি না। এটা ঠিক না। সমাধান হওয়া কিছু পুরনো অভিযোগও আমাদের নামে যুক্ত করা হয়েছে দেখলাম।”

এ বিষয়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী রাকিব শেখ বলেন, যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে সেখানে সাপোর্টিভ ডকুমেন্টস সহ দেওয়া হয়েছে। বাকিটা প্রশাসন দেখবেন। যাদের এখানে নাম দেয়া হয়েছে তাদের অনুমতি নিতে হবে এরকম কোনো বিষয় না। তাদের নাম দেয়া আমার ঘটনার সাথে তাদের ঘটনা প্রসঙ্গত হওয়ার জন্য। ধরে নিতে পারেন এগুলো নজির হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন বলেন, “কে কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে জানি না। গণমাধ্যম বরাত যা শুনেছি তা একাডেমিক কাউন্সিলে সমাধান হয়ে গেছে। বিস্তারিত জানতে বিভাগের সভাপতির বক্তব্য নিতে পারেন।”

জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেন জানান, “ একজন শিক্ষার্থীর অভিযোগপত্রে অনুমতি ছাড়াই মার্কসিট উত্তোলন সহ, নাম রোল ব্যবহার করে গোপনীয় তথ্য সরবরাহ করায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা সভাপতি বরাবর আবেদন করেছে। আমরা একাডেমিক মিটিং—এ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিব।”

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক নাজিমুদ্দিনের বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগপত্রে রাকিব শেখ বলেন, বিভাগের বিভিন্ন যৌক্তিক আন্দোলন, প্রতিবাদ এবং একাডেমিক সিদ্ধান্তের সমালোচনা করায় অধ্যাপক ড. নাজিমউদ্দীন তার প্রতি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ হন। এর জেরে Islamic Law of Inheritance (কোর্স নং ৪১০৫) কোর্সের প্রথম পরীক্ষক হিসেবে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ৭০ নম্বরের মধ্যে ৩২ মার্কস (ক্রসচেকযোগ্য) দেন। তবে একই কোর্সে দ্বিতীয় পরীক্ষক মূল্যায়ন করে ৫৫ মার্কস দেন। পরে উত্তরপত্র মূল্যায়ন তৃতীয় পরীক্ষকের নিকট যায়। তবে সেখানেও মেকানিজম করে তাকে মাত্র ৩৭ নাম্বার দেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতে কোটাসংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার কারণে ওই শিক্ষিক বিভাগের আরেক শিক্ষককে দিয়ে তাকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন ১৫ মিনিট ক্লাস নিয়ে কোর্স শেষ করে কোনো মিডটার্ম পরীক্ষা না নিয়ে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের খন্দকার ইউসুফ আলীকে ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টারে ৩২০৪নং কোর্সে ইন্টার্নালে ৩০ মার্কসের মধ্যে শূন্য দেন। এতে তার অনার্সের চূড়ান্ত ফলাফলে বাধ্যতামূলক রিটেক আসে এবং উক্ত কোর্সে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়। ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারিয়া জান্নাত প্রমিকে ক্লাসে উপস্থিত ও মিডটার্ম পরীক্ষা দেওয়ার পরও তিনি শূন্য মার্কস দিন। এছাড়া গত ৫ আগস্ট বিভাগের সংস্কারের দাবিতে বিভাগের সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ১৭ দফা দাবিতে বলা হয়েছিল, কোনো শিক্ষক যেন ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ইন্টারনাল মূল্যায়ন, মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভায় শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারেন। কিন্তু পরবর্তীতেও একই ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটেছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ড. নাজিমুদ্দিন বিভাগের অনেক শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট করেছেন। তিনি সকল জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থাকেন। তার পুরো টিচিং ক্যারিয়ারে কখনো কোর্স ক্রেডিট আওয়ার পূরণ করেননি। করোনা পূর্ববর্তী সময়ে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ২য় বর্ষের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি থাকাকালীন উক্ত সেশনের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ চার মাস ঘুরেও পরীক্ষার রুটিন না পাওয়ায় যৌক্তিক আন্দোলন করলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন করে মুচলেকা নেন। ফলে এক শিক্ষার্থী (নাফিসা তাবাসসুম তিসা) আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

Continue Reading

top3

অনাথ আশ্রমের শিশুদের স্বনির্ভর করতে কুবি শিক্ষার্থীদের ‘আলোর ক্যানভাস’

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী

সহায়তার পরিবর্তে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে অনাথ শিশুদের স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম ‘আলোর ক্যানভাস’। কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং ভবিষ্যতে আয়মুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

‘আলোর ক্যানভাস’ প্লাটফর্মটি নিয়ে কাজ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ কাউছার, সামিউল ইসলাম সজীব, নুসরাত তাহসিন, সামিয়া খান ও আরমান আরিফ এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একই বিভাগের হোসাইন ঠাকুর।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সাময়িক সহানুভূতির পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের স্বনির্ভর করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে পেশাদার শিল্পীদের মাধ্যমে নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শিশুদের আঁকা ছবিগুলো পরিমার্জন করে প্রদর্শনী ও বাজারজাতের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফ্রেম, ওয়াল আর্ট এবং বিভিন্ন ক্রাফট পণ্যে রূপ দিয়ে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রশিক্ষণের শুরু থেকেই শিশুদের সৃজনশীলতা প্রশিক্ষকদের মুগ্ধ করেছে। রঙ ও তুলির আঁচড়ে তারা প্রকৃতি, স্বপ্ন, পরিবার এবং নিজেদের অনুভূতি ফুটিয়ে তুলছে। অনেকের ছবিতে উঠে এসেছে পাহাড়, নদী, পাখি, গ্রামবাংলা ও সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

সংগঠনের সদস্যরা জানান, আর্থিক সংকট বা পারিবারিক অভাব কোনো শিশুর প্রতিভা বিকাশের পথে বাধা হওয়া উচিত নয়। সঠিক প্রশিক্ষণ, দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংগঠনটির কো-ফাউন্ডার ফরহাদ কাউছার বলেন, “তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষা এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যেই আমরা ‘আলোর ক্যানভাস’ নামে একটি তরুণনির্ভর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছি। আমাদের প্রথম উদ্যোগ শুরু হয়েছে কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে। সুযোগের অভাবে তাদের অনেক সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায় না। আমরা তাদের সেই প্রতিভাকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকশিত করে স্বনির্ভর করে তুলতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে তারা নিজেদের দক্ষতাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে শিশুদের আর্ট ও পেইন্টিং শেখানো হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের আঁকা ছবিগুলো ফ্রেম, ওয়াল আর্ট ও অন্যান্য ক্রাফট পণ্যে রূপ দিয়ে বাজারজাত করা হবে। এসব থেকে অর্জিত সম্পূর্ণ মুনাফা শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতেও আমরা কাজ করছি। আমাদের প্রত্যাশা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এই শিশুরা একদিন একটি সুন্দর ও স্বনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

কুবি নারী শিক্ষার্থীর বাসায় চুরি, স্বর্ণসহ নগদ টাকা লুট

Published

on

By


সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক নারী শিক্ষার্থীর ভাড়া বাসায় দরজার তালা ভেঙে প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৩০ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে নগরীর রেইসকোর্স এলাকার মফিজউদ্দিন রোডের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি টিউশনে ছিলেন। তার মা মাগরিব নামাজের আগে বাসা থেকে বের হন। পাশের বাসার এক বাসিন্দা এসে তাদের বাসার দরজার তালা ভাঙা এবং ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। একই সঙ্গে পাশের বাসার দরজাও বাইরে থেকে আটকানো ছিল। পরে তিনি ফোনে বিষয়টি জানালে তারা বাসায় ফিরে চুরির ঘটনা নিশ্চিত হন।

ভুক্তভোগী ফার্মেসী বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বাসায় এসে দেখি আলমারির তালা ভাঙা। সেখান থেকে প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। বাবা-মা কেউ বাসায় ছিলেন না। আমার অনেক কষ্টের টাকায় কেনা স্বর্ণও ছিল, কিছুই রেখে যায়নি।”

সুমাইয়া আরও জানান, ঘরে থাকা মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস অক্ষত ছিল। দুর্বৃত্তরা শুধু স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ নিয়ে গেছে।

জানা গেছে, বাসাটিতে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। নিজেদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এখনো আইনগত ব্যবস্থা নেননি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার। তবে শিগগিরই এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার।

Continue Reading

Trending