Connect with us

top3

তরুণদের দক্ষ করে তুলতে না পারলে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড হারাবে বাংলাদেশ: শিবির সভাপতি

Published

on

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী। কিন্তু এই তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে না পারলে দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের (কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সুবিধা) সুযোগ নষ্ট হবে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শুধু সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দক্ষ ও যোগ্য মানুষ তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শাখার উদ্যোগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মানেই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ে প্রবেশ করা। প্রথম বর্ষেই নিজের লক্ষ্য ঠিক করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু স্বপ্ন দেখার জায়গা নয়, স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়ার জায়গাও।”

নিজেকে সময়ের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণী ডাইনোসর টিকে থাকতে পারেনি, কিন্তু তেলাপোকা এখনো টিকে আছে। কারণ, তেলাপোকার অভিযোজন ক্ষমতা বেশি। “জীবনেও একই বিষয়। পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে বদলাতে না পারলে কেউ টিকে থাকতে পারবে না,” বলেন তিনি।

শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করার পর চাকরি জন্য সবাইকে ছুটাছুটি করতে হয়। বিসিএসের জন্য ৫-৬ বছর প্রস্তুতি নিতে হয়। “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর কেন আবার পাঁচ-ছয় বছর বিসিএসের জন্য পড়তে হবে? বিশ্ববিদ্যালয় যদি দক্ষতা তৈরি করতে পারে, তাহলে শিক্ষার্থীরা সরাসরি কর্মক্ষেত্রে যেতে পারবে।”
এসময় তিনি বলেন, বিদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো বিভাগ চালুর আগে সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়, যাতে সেখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এমন ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান তিনি।

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সময়কাল খুবই সীমিত। এই সময়কে কাজে লাগাতে না পারলে ভবিষ্যতে অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়বে। চীন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এসব দেশ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করেই অর্থনৈতিকভাবে এগিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু ভালো সিজিপিএ অর্জন করলেই হবে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), পাইথন, এক্সেল, গবেষণা, পরিসংখ্যান এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। তিনি বলেন, “থার্ড ইয়ার থেকেই পাইথন, এআই, স্ট্যাটিসটিকস ও গবেষণার টুল শেখা শুরু করুন। ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে এগুলোই আপনাকে এগিয়ে রাখবে।”

অর্থনীতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, অর্থনীতি আমাদের বলে পৃথিবীতে সম্পদের স্বল্পতা রয়েছে। কিন্তু সম্পদের অভাবের চেয়ে বড় সমস্যা সম্পদের অসম বণ্টন। তিনি দাবি করেন, বিশ্বের ৫ভাগ মানুষের হাতে ৯০ভাগ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হওয়ায় বৈষম্য বাড়ছে। সুশাসন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই বৈষম্য দূর করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিয়েও কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, “একজন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করিয়ে যদি থাকার ব্যবস্থা না করা যায়, তাহলে ভর্তি করেন কেন? আবাসন না দিতে পারা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। এসময় তিনি গণরুম-গেস্টরুমের সংস্কৃতি বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান।”

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ভালো বন্ধু নির্বাচন করতে হবে, শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। “যে শিক্ষকের ভালো গবেষণা আছে, তার কাছেই বেশি বেশি যান। গ্রুপ স্টাডি করুন, একে অপরকে সহযোগিতা করুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সহযোগিতার সংস্কৃতিও থাকতে হবে,” বলেন তিনি।

রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে, তবে নিজেদের মূল লক্ষ্য হতে হবে জ্ঞান অর্জন ও দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা। তিনি বলেন, “মেধাবীরা রাজনীতিতে এলে রাষ্ট্র আরও ভালোভাবে পরিচালিত হবে।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ সমাজ ও রাষ্ট্রের একটি বড় বিনিয়োগ। তাই শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। “নিজের পরিবার, সমাজ ও দেশের কথা মাথায় রেখে নিজেকে দক্ষ, সৎ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন। সঞ্চালনা করেন শাখা সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম। পরে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ এবং উপহার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং ছাত্রশিবিরের বর্তমান ও সাবেক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মৌলিক নাটক ‘অদ্যপুরাণ’ দিয়ে নাট্যোৎসব দিক থিয়েটারের, আয়ের অর্থ ব্যয় হবে চ্যারিটি কাজে

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে দিক থিয়েটারের তিন দিনব্যাপী ‘দিক ৮ম জাতীয় নাট্যোৎসব ২০২৬’। সংগঠনটির ২৮তম বর্ষে পদার্পণ ও চ্যারিটি উপলক্ষে আয়োজিত এ উৎসবের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘অষ্টাবিংশের অর্ঘ্য’। উৎসবের উদ্বোধনী দিনেই মঞ্চস্থ হবে দিক থিয়েটারের ৩৪তম প্রযোজনা ও তৃতীয় মৌলিক নাটক ‘অদ্যপুরাণ’। একইসঙ্গে উৎসবের প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রির অর্থ ব্যয় করা হবে চ্যারিটি কাজে।

শনিবার (৮ আগস্ট) শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান দিক থিয়েটারের সভাপতি দ্বৈপায়ন দাশ অনন্য।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত নাট্য সংগঠন দিক থিয়েটার ‘নাটকে সাম্যের আন্দোলন, জীবনের ভাষায় মুক্তি অন্বেষণ’ স্লোগানকে সামনে রেখে দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে শাবিপ্রবিতে নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটির ২৮তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আগামী ২৭, ২৮ ও ২৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে এ নাট্যোৎসব।

এবারের উৎসবের মূলমন্ত্র নির্ধারণ করা হয়েছে‘তমসার ছায়া যাক চির অবসানে, মুখর হোক মানবাত্মা প্রতীতির গানে।’

তিন দিনব্যাপী এ নাট্যোৎসবে স্বাগতিক দল দিক থিয়েটারের পাশাপাশি দেশের দুই স্বনামধন্য নাট্যদল ‘স্পর্ধা’ ও ‘মনিপুরী থিয়েটার’ অংশ নেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চে বিভিন্ন ধারার নাট্যচর্চার একটি মিলনক্ষেত্র তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য বলে জানান আয়োজকরা।

উৎসবের উদ্বোধনী দিনে মঞ্চস্থ হবে দিক থিয়েটারের নতুন মৌলিক নাটক ‘অদ্যপুরাণ’। এটি সংগঠনটির ৩৪তম প্রযোজনা ও তৃতীয় মৌলিক নাটক। নাটকটিতে রূপকের আশ্রয়ে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা, ক্ষমতার কাঠামো, মানুষের অবস্থান এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎকে তুলে ধরার প্রয়াস চালানো হয়েছে।

এবারের নাট্যোৎসবের অন্যতম বিশেষ দিক হলো চ্যারিটি উদ্যোগ। শাবিপ্রবির লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী আশরাফুল আলম বর্তমানে দুই কিডনি বিকল হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তার অংশ হিসেবে নাট্যোৎসবের সব প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রির প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে। নাট্যচর্চার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসুস্থ সাবেক শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

দিক থিয়েটারের সভাপতি দ্বৈপায়ন দাশ অনন্য বলেন, “সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণ ও মানবিকতার চর্চাকে এক সুতোয় গাঁথতেই আমাদের এই আয়োজন।” উৎসবটি সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিককর্মী ও নাট্যপ্রেমীদের সরব উপস্থিতি ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

Continue Reading

top3

ছাত্রলীগের হুমকি খেয়ে প্রক্টরের দ্বারস্থ ইবি ছাত্রশক্তির নেতা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ফেসবুকে ধারাবাহিক হুমকি, উসকানিমূলক বক্তব্য ও মানহানিকর প্রচারণার অভিযোগ তুলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ইবি শাখার আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান। শনিবার (৮ আগস্ট) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ইবি শাখার সহ-সভাপতি মাসুদ রানার বিরুদ্ধে হুমকি ও মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার এ অভিযোগ আনেন তিনি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ফুয়াদ হাসান। বক্তব্যের ভিডিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করে। ভিডিও প্রকাশের পর ফুয়াদ হাসানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ধারাবাহিকভাবে উসকানিমূলক, ভীতিপ্রদর্শনকারী ও মানহানিকর পোস্ট ও মন্তব্য করেন মাসুদ রানা।

অভিযোগে উল্লিখিত মাসুদ রানার একটি ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়, “জুলাই জঙ্গি ফুয়াদ। শুনেছি, ৫ আগস্ট ঢাকায় পুলিশ হত্যার সাথেও যুক্ত ছিল। শুরু থেকেই এর কথাবার্তায় একটা শিবিরের ছাপ ছিল। কিন্তু তারপরও কিছু নেতা এদের হলে জায়গা করে দিছে। আজ তার ফল আমরা সবাই ভুগছি। আজ অডিটোরিয়ামে ওর বক্তব্য শুনলাম। ছাত্রলীগের পোস্টারিংয়ে তোমার এত জ্বলে কেন? এটা কি অবৈধ কোনো কাজ? শুধু পোস্টারিংয়েই এত ভয়! কিন্তু কয়েক দিন পর আরও কিছু দেখলে কোন গর্তে পালাবি, রাজাকারের বাচ্চা। এখন বিশাল বড় নেতা হয়ে গেছ। এই দিন দিন না, এই দিন নিয়ে যাবে সেই দিনের কাছে।”

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সাংবাদিক সংগঠনের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ফুয়াদ হাসানের বক্তব্যের ভিডিওর মন্তব্যে মাসুদ রানা লেখেন, “তোকে মেন গেটে ঝুলাবো, সময় আসতে দে ফুয়াদ।”

অভিযোগপত্রে ফুয়াদ হাসান বলেন, এসব মন্তব্য ও পোস্টে ব্যবহৃত ভাষা তার প্রতি সরাসরি ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি প্রদান, মানহানি ও তাকে সামাজিকভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার প্রচেষ্টা বলে মনে করেন তিনি। বিশেষ করে ‘কোন গর্তে পালাবি’, ‘তোকে মেন গেটে ঝুলাবো, সময় আসতে দে’ জাতীয় বক্তব্য তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে জানান তিনি। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, কিছুদিন আগে ইবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পোস্টারিং তার নিরাপত্তার আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।

অভিযোগপত্রে চারটি দাবি জানান ফুয়াদ হাসান। এগুলো হলো– বিষয়টি দ্রুত তদন্তপূর্বক সত্যতা যাচাই করা; অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ভবিষ্যতে তার প্রতি যেকোনো ধরনের হামলা, হুমকি বা হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা অনলাইনে লেখালেখি করছে, তারা তো পলাতক। অভিযোগপত্র পেয়েছি, আমি থানাকে অবগত করব।”

Continue Reading

top3

অর্ধশতাধিক বাংলাদেশিসহ গ্রিসের উপকূলে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে পৃথক অভিযানে ২০২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্ট গার্ড। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে ৭২ জন বাংলাদেশি, পাশাপাশি সুদান ও মিসরের নাগরিকও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আইয়েরাপেত্রা এলাকায় ৪০ জন অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকার সন্ধান পায় ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি বিমান। পরে গ্রিক কোস্ট গার্ড ও একটি মাছ ধরার নৌকা গিয়ে নৌকাটিতে থাকা সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে দুটি পৃথক নৌকা থেকে ১১২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। প্রথম নৌকায় থাকা ৫৬ জনের মধ্যে ২৫ জন বাংলাদেশি ও ৩১ জন সুদানের নাগরিক ছিলেন। দ্বিতীয় নৌকায় থাকা ৫৬ জনের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং ৯ জন মিসরের নাগরিক ছিলেন।

পরে আরও ৪০ জনকে উদ্ধারের ফলে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২০২ জনে।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আবাসনকেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিটে অভিবাসীদের আগমন বেড়ে যাওয়ায় তাদের সাময়িক আশ্রয় ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ওপর চাপও বাড়ছে।

লিবিয়া উপকূল থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য ক্রিট গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট হয়ে উঠেছে। এ কারণে দ্বীপটির উপকূলে নিয়মিত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে গ্রিসের কর্তৃপক্ষ।

Continue Reading

Trending