Connect with us

top3

শাবিপ্রবিতে জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘সোশিওলজি ফুটবল এনকাউন্টার সিজন-৫’

Published

on

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ধারাবাহিক আয়োজন ‘সোশিওলজি ফুটবল এনকাউন্টার সিজন-৫’ ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠেছে। এবারের টুর্নামেন্টের আয়োজক হিসেবে রয়েছে সমাজবিজ্ঞান এলামনাই এসোসিয়েশন, সাস্ট।

আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। খেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন সোশিওলজি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আলামিন, অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ও টুর্নামেন্টের আহ্বায়ক মো. আলমগীর মিয়া।

টুর্নামেন্টের সহ-আহ্বায়ক (কো-কনভেনর) দীপ্ত বেগ জানান, এবারের টুর্নামেন্টে মোট ৪টি দল অংশ নিচ্ছে। দলগুলো হলো দ্য ডিকটেটর, রেকলেস ২৭, গ্ল্যাডিয়েটরস এবং ইনভিন্সিবল-৭। নিলামের (বিডিং) মাধ্যমে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে দলগুলো গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে গত ১৫ জুলাই বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালি শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের ট্রফি ও চার দলের জার্সি উন্মোচন করা হয়। একই সঙ্গে দলের অধিনায়কদের নিয়ে ট্রফিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনীয় স্থানগুলোতে ফটোশুট করা হয়।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে আজ দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় ‘টিম দ্য ডিকটেটর’ এবং ‘রেকলেস ২৭’। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ম্যাচটিতে ১-০ গোলে জয়লাভ করে ‘দ্য ডিকটেটর’। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় ‘গ্ল্যাডিয়েটরস’ ও ‘ইনভিন্সিবল-৭’। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র হয়।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, নিয়মানুযায়ী ৪টি টিম প্রতিটি দলের সাথে একটি করে ম্যাচ খেলবে। ফলে গ্রুপ পর্বে মোট ম্যাচ হবে ৬টি। গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবি পূজা উদযাপন পরিষদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পূজা উদযাপন পরিষদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ১১৬ নম্বর কক্ষে এ এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় নবীন শিক্ষার্থীদের গীতা, ফুল ও শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে বরণ, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদানসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে সজীব বিশ্বাসের সঞ্চালনায় ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. লিটন বরণ সিকদার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সহকারী অধ্যাপক বাপ্পা সরকার, কমিউনিকেশন বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার পাল, কোষাধ্যক্ষ দুরন্ত রায় মিলনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার পাল বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের জন্য আনন্দ, আবেগ ও স্মৃতির। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জায়গা নয়। নিজেকে গড়ে তোলা ও মানুষকে বোঝার জন্য অন্যতম মাধ্যম এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আজকের এই বিদায় কোনো বিচ্ছেদ নয়, এটি একটি সুন্দর সম্পর্কে নতুন ঠিকানায় নিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত। আশা করি, নবীনদের অংশগ্রহণে আমাদের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে।’

Continue Reading

top3

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও তথ্য প্রকাশে অনুমোদনের বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশক্তির উদ্বেগ

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জুলাই স্মৃতি স্তম্ভস্থলে বৈঠকখানা নির্মাণ এবং তথ্য প্রকাশে অনুমোদন নেয়ার বিষয়ে জারিকৃত নোটিশে বিষয়ে উদ্বেগ  জানিয়েছে ববি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সাথে দেখা করে  বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল স্বাক্ষরিত লিখিত আবেদনে উদ্বেগের বিষয়টি জানান তারা। 

ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ  উদ্বেগ জানিয়ে লিখিত আবেদনে জানিয়েছেন, বিগত উপাচার্যের সময়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের লক্ষ্যে ছাত্র ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করা হয় এবং সেখানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বর্তমানে নির্ধারিত সেই স্থানটিতে বসার জন্য বৈঠকখানা নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। জুলাইয়ের চেতনা ও জুলাইকে ধারণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হতাশাজনক।

আরও একটি বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ জানান,  গত ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম বক্তব্য প্রদান সংক্রান্ত যে নোটিশ জারি করা হয়েছে, তা আমাদের বিবেচনায় বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার আশঙ্কা তৈরি করেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকের চিন্তা, বিবেক ও বাক্‌স্বাধীনতার যে অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কোনো নির্দেশনা যেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়-এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জারিকৃত নোটিশে ব্যবহৃত কিছু শব্দ ও ভাষার প্রয়োগ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং মত প্রকাশের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ছাত্রশক্তি মনে করে, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল মতপ্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এবিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি দুটি দাবির কথা জানিয়েছে দাবি দুটি হলো- 

১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রকাশা করতে হবে।

২. রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত নোটিশটি প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে , যাতে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রচলিত সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

Continue Reading

top3

শাবিপ্রবিতে নিয়মতান্ত্রিক সিট বণ্টনসহ ৫ দফা দাবি ছাত্রশিবিরের

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলগুলোতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সিট বণ্টন, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন আয়োজন এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জুনতলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

ছাত্রশিবিরের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, হলের ফাঁকা আসনে দলীয় সুপারিশের পরিবর্তে স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ, দ্রুত শাকসু নির্বাচন আয়োজন, উন্নয়ন প্রকল্পে নির্মাণকাজের মান ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত, ক্যাম্পাস ও হলে নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই ও ইন্টারনেট সেবা এবং মানসম্মত খাবার, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও পরিবহন সমস্যার সমাধান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম।

হলের সিট বণ্টন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ আসন রাখা হতো। নতুন প্রশাসন আসার পর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফাইনাল পরীক্ষা চলে আসলে তারা হলে সিট পায় নি। এছাড়া ফাঁকা সিটে দলীয় রেফারেন্সে শিক্ষার্থী তোলা হচ্ছে এরকম অভিযোগ ও পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের দাবি ফাঁকা সিটগুলোতে অবিলম্বে হল প্রশাসনের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিভাগ অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’

শাহপরাণ হলে ছাত্রদল নেতাদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘ছাত্রদল কর্তৃক নিয়মবহির্ভূতভাবে সিট নিয়ে নিজেদের দায় ছাত্রশিবিরের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ছাত্রশিবির কখনো প্রশাসনের কারও কাছে সিটের জন্য তদবির করেনি। নিউজে দেখতে পেলাম সাবেক ছাত্রকল্যাণ উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড মো এছাক মিয়া স্যার বলেছেন অন্যান্যরা সিটের জন্য তদবির করলেও ছাত্রশিবির কখনো হলের সিটের জন্য তদবির করেনি।

শাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শাকসু নির্বাচনের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরও বিএনপি ও ছাত্রদলের বাধার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।’

জাতীয় নির্বাচনের পরও শিক্ষার্থীরা শাকসু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে এলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্য সাক্ষাতের সময় দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেও ছাত্রদলকে সাক্ষাতের সময় দেওয়া এবং তাদের দলীয় কর্মসূচিতে প্রশাসনিক নিয়ম ভঙ্গ করে উপস্থিত থাকতে পারেন। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজকে ছাত্রদলের কর্মসূচি প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।

কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে শাকসুর দাবিতে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অনতিবিলম্বে শাকসু বাস্তবায়নের স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নকাজে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সব প্রকল্প যথাযথ তদারকি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই এবং দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের ইন্টারনেট সেবা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ওয়াই-ফাই সেবার মান ও নিরবচ্ছিন্নতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট না থাকায় শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।’

খাবারের মান নিয়ে মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাস ও হলের খাবারে অনেক সময় পোকামাকড় ও ময়লা পাওয়া যাচ্ছে বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে দুপুরের খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই। মানসম্মত খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত খাবারের স্থান নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে প্রায়ই চুরি ও বিভিন্ন অপরাধের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন। পাশাপাশি পরিবহনে শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন, অফিস সম্পাদক শাকিল মাহমুদ ও প্রচার সম্পাদক রেজা-ই-রাব্বি সাফওয়ান উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending