Connect with us

top1

দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না বিএনপি

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়ের চার দিন আগেও দলের ‘অভিমানী’ নেতাদের নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে বিএনপি। ধানের শীষ না পেয়ে এখনো অর্ধশতাধিক আসনে বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া এসব নেতাকে ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে দেখছে দলটি। তবে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না বিএনপি।

দলটি মনে করছে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে ভোটের মাঠে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। তাই দলীয় নানা উদ্যোগের পরও যেসব স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজেদের নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে নেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে দল। নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ধানের শীষ ও জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হওয়ায় এখন পর্যন্ত ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিএনপির অবস্থান হচ্ছে, দলের ডাকে এখন ‘বিদ্রোহী’ নেতারা সাড়া না দিলে পরবর্তী সময়ে তাদের ডাকেও দল সাড়া দেবে না। তবে অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও ত্যাগ বিবেচনায় নিয়ে এজন্য মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখবে দল। বিএনপির প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলের অধিকাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীই তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বিএনপির মতো এত বড় দলে যোগ্য প্রার্থী প্রচুর। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় এখনো শেষ হয়নি। আমরা আহ্বান জানিয়েছি, দলের সিদ্ধান্তের প্রতি যেন তারা শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। অনেকে এরই মধ্যে প্রত্যাহার করার কথা জানিয়েছেন। আশা করি, তপশিল ঘোষিত সময়সীমার মধ্যেই বিএনপির বিদ্রোহীরা সবাই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন। সেটি না করা হলে দল থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শরিকদের জন্য ১৭টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী, নিবন্ধিত শরিকরা তাদের নিজেদের প্রতীকে আর অনিবন্ধিত শরিকরা বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করছেন। অবশ্য বিজয় নিশ্চিতে কৌশলের অংশ হিসেবে শরিক কয়েকটি দলের নেতাদের বিএনপিতে যোগদান করিয়ে ধানের শীষ দেওয়া হয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী, জোটের ৮ শীর্ষ নেতা ধানের শীষে ভোট করছেন। অন্যদিকে, নিবন্ধিত ছয়টি দলের ৯ জন নেতা তাদের নিজ নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করছেন। আসন ছেড়ে দেওয়া ১২টি দলের মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ছাড়া বাকি দলগুলো আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের শরিক।

মনোনয়নপত্র দাখিলের পর দেখা গেছে, একদিকে জোটের প্রার্থীদের ধানের শীষ অথবা সমঝোতার ভিত্তিতে আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে বিএনপির নেতারাও সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়েছেন। এ অবস্থায় মিত্রদের কাছে যাতে কোনো ভুল বার্তা না যায়, জোটের ঐক্যে কোনো ফাটল না ধরে, সেজন্য বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে বিএনপি। ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোতে জোট নেতাদের বিজয় সুনিশ্চিত করতে চায় দলটি। তাই বিদ্রোহী প্রার্থীদের বুঝিয়ে নির্বাচন থেকে সরাতে অঞ্চলভিত্তিক বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের বেশ আগেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা নিজ নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, সরাসরি কথা বলছেন; আগামী নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের গুরুত্ব তুলে ধরছেন। একই সঙ্গে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করা হচ্ছে। আর সর্বশেষ উদ্যোগ হিসেবে তারেক রহমান নিজেই ঢাকায় ডেকে তাদের কারও কারও সঙ্গে কথা বলছেন।

এরই মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতির জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হওয়া দলের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ একে একরামুজ্জামান, ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হকের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হওয়া দলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৪ আসনে দলের ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এসএ সিদ্দিক সাজুসহ কয়েকজনকে ঢাকায় ডেকে কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান। জানা গেছে, তারেক রহমান ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করছেন। এর অংশ হিসেবে নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে ধানের শীষ অথবা বিএনপি জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাদের যথাযথ মূল্যায়নেরও আশ্বাস দিচ্ছেন। আর এরই মধ্যে বহিষ্কৃত হয়ে থাকলে শিগগির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ব্যাপারেও আশ্বস্ত করা হচ্ছে।

তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এরই মধ্যে আব্দুল খালেক ও সৈয়দ একে একরামুজ্জামান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এর পরপরই তাদের দুজনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ একে একরামুজ্জামান বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন।

তবে বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্দেশনার পরও সাইফুল আলম নীরব ও এসএ সিদ্দিক সাজু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে থাকছেন। সে কারণে গত বুধবার সাজুকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাজু বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত এসএ খালেকের ছেলে।

জানতে চাইলে ঢাকা-১২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব কালবেলাকে বলেন, ‘আমি এই এলাকার সন্তান, এখানেই বড় হয়েছি, এই এলাকায় ৪৩ বছর রাজনীতি করি। এই এলাকায় এরশাদবিরোধী-হাসিনাবিরোধী আন্দোলন করেছি। এই এলাকার জনগণের সঙ্গে আমার সামাজিক বন্ধন আছে। অন্যদিকে যারা এমপি হতে এখানে নির্বাচন করতে আসছেন, তারা কেউ এই এলাকার সন্তান না। তারা এই এলাকায় এরশাদবিরোধী কিংবা হাসিনাবিরোধী আন্দোলনও করেননি, মামলাও খাননি।’

তিনি বলেন, ‘আমি গণসংযোগ করছি, এলাকার জনগণ আমার সঙ্গে আছে। সুতরাং আসন্ন নির্বাচনে আমি ঢাকা-১২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি।’

এদিকে ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খানের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুর্শিদা খাতুন (মুর্শিদা জামান পপি) এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তিনি জেলা বিএনপির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত শহীদুজ্জামান বেল্টুর স্ত্রী। ওদিকে মাদারীপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান পলাশ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। ভোলা-১ আসন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর। এ আসনটি জোট শরিক বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শরিকদের আসন ছাড় দিয়ে বিএনপির তৃণমূলকে হাইকমান্ড থেকে এরই মধ্যে কঠোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এরপরও কিছু আসনে ‘বিদ্রোহী’রা মাঠে রয়ে গেছেন। ফলে মাঠপর্যায়ে এখনো দ্বিধা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানোর পর কিছু এলাকায় পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম বলে জোট নেতারা মনে করছেন। বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধেও দলের নেতারা স্বতন্ত্র হিসেবে মাঠে রয়েছেন।

নাটোর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে ফারজানা শারমিন পুতুল। ধানের শীষ না পেয়ে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু। টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল। বগুড়া-২ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি দলীয় প্রতীক ‘কেটলি’ নিয়ে লড়ছেন। এ আসনে বিএনপির শাহে আলমও দলীয় প্রার্থী হয়েছেন। পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তবে ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে ভোটে রয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুন। যদিও বহিষ্কারের আগেই দল থেকে পদত্যাগ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি।

বিএনপিতে যোগ দিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ পান গণঅধিকারের রাশেদ খান। তবে এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে প্রথমে বিএনপির মনোনয়ন পান দলের উপজেলা শাখার সভাপতি শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। পরে এই আসনটি চূড়ান্তভাবে ১২ দলীয় জোট শরিক ‘অনিবন্ধিত’ জমিয়তের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশিদ বিন ওয়াক্কাসকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। তবে স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন ইকবাল। নড়াইল-২ আসনে প্রথমে দলের মনোনয়ন পান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম। পরে জোট শরিক ‘অনিবন্ধিত’ এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে আসনটি ছেড়ে দেয় বিএনপি। তবে মনিরুল স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। তিনি সিলভার লাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান। জানতে চাইলে এম এ এইচ সেলিম কালবেলাকে বলেন, ‘একটা গ্যাপ হওয়ার কারণে আমি এখন বিএনপির কেন্দ্রীয় কিংবা জেলা কমিটির কোনো পদে নেই। মূলত আমি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অনুরোধে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি এবং তিনটি আসনেই নির্বাচন করব।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান যদি আমাকে ডাকেন, তিনি কী বলেন আমি শুনব; তারপর আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আসব।’

এদিকে, ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করা বিএনপি নেতাদের নিয়ে গত বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্ট দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করা আপনার ব্যক্তিগত ও সাংবিধানিক অধিকার, এতে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু ভুল করবেন না, বিএনপির চেয়ে বড় বিএনপি হতে যাওয়ার ইতিহাস কখনোই সুখকর নয়, বরং নিষ্ঠুর। বি. চৌধুরী, মান্নান ভূঁইয়া, শমসের মবিন চৌধুরী, তৈমুর আলম খন্দকার—এরা সবাই এক সময় সেই আত্মঘাতী ভুলটাই করেছিলেন। পরিণতি কী হয়েছিল, তা ব্যাখ্যার দরকার নেই; ইতিহাস নিজেই রায় দিয়ে রেখেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

Published

on

By

জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং তার কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন তিনি। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহে রিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান আইনজীবী।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণভোটের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ। একই সঙ্গে ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিলেরও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন তিনি। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে মোট ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার ‘হাঁ’ ভোট দিয়েছেন। বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।

Continue Reading

top1

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

Published

on

By

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করেছেন। জিয়ারত শেষে মোনাজাত করা হয়। বুধবার দুপুর ১২টার ৫ মিনিটের দিকে তিনি শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন তিনি। এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান।

সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে একটি ‘পারিজাত’ ফুলের চারা রোপণ করেন তিনি।

Continue Reading

top1

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাচ্ছেন আজ

Published

on

By

শপথ নেওয়ার পর প্রথম কার্যদিবসে ব্যস্ত সময় পার করতে যাচ্ছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা আজ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন সেখানে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি জিয়ারত করবেন।

এরপর সচিবালয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন সরকারের শপথের পর এটিই হবে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। পরে সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মতবিনিময় করবেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।

Continue Reading

Trending