Connect with us

সর্বশেষ

‘দাঁড়িয়ে প্রস্রাব’ করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা

Published

on

ঝিনাইদহে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করায় এক ব্যক্তিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে পার্বতীপুর এলাকায় এই আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার পার্বতীপুর বাজারে হাট বসে। বিকেলে হাটের কাছাকাছি একটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করছিলেন ওই ব্যক্তি। রাস্তাটি দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি দেখেন হরিণাকুণ্ডু সহকারী কমিশনার (ভূমি)। পরে তিনি ওই ব্যক্তিকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ১০০ টাকা জরিমানা করেন।

এদিকে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি ‘দৃষ্টিকটূ’ জানিয়ে জরিমানার জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান। আবার অনেকে ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে’ প্রশাসনের এ ধরনের কাজে যুক্ত হওয়া নিয়ে সমালোচনা করেন।

মেহেদী হাসান নামে এক ব্যক্তি ফেসবুকে মন্তব্য করেন, সন্ধ্যা হলেই উপজেলাজুড়ে মাটি কাটার মহোৎসব চলে। অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেয় না প্রশাসন। সেখানে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করায় জরিমানা করা হাস্যকর। আতিক হাসান রাতুল নামে আরেকজন মন্তব্য করেন, সারা জেলা মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সেদিকে প্রশাসনের দৃষ্টি নেই।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা বলেন, পাবলিক প্লেসে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করছিলেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টা দৃষ্টিকটু মনে হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডবিধির ২৯১ ধারায় তাকে ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিদারুল আলম বলেন বলেন, উন্মুক্ত স্থানে প্রস্রাব করায় এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয়েছে বলে শুনেছি। বাজার এলাকাতো জনসমাগম এলাকা। এই কারণে তিনি (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) চাইলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

কোভিড প্রকল্পে দুর্নীতি : সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ৬ মামলার সুপারিশ

Published

on

By

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান দল। এতে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও একাধিক ঠিকাদারসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করার সুপারিশ করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড পেন্ডামিক প্রিপারেডেনস্ প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় মালামাল ক্রয় ও সেবা গ্রহণে অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০বি ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথম মামলায় সুরক্ষা সামগ্রী (KN95, N95 মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস) ক্রয়ের প্যাকেজে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, ADG (Plan & Dev.), অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, কাজী শামীমুজ্জামান, Proprietor, jadid automobiles, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মো. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা।

দ্বিতীয় মামলায় হাসপাতালের বৈদ্যুতিক বেড ক্রয়ে অনিয়মের মাধ্যমে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ইকবাল কবির, ডা. তাহমিনা জোহরা, অবসরপ্রাপ্ত, এডিজি (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, Proprietor, মেসার্স INSHA TRADE CORPORATION. ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, তৃতীয় মামলায় KN95 মাস্ক ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, মো. সাইফুর রহমান, Proprietor, SRS DESIGN & FASHIN LTD, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক(প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চতুর্থ মামলায় জনসচেতনতা বিষয়ক টিভিসি প্রচার না করেও বিল দেখিয়ে ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

পঞ্চম মামলায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্ব) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ষষ্ঠ মামলায় করোনা অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সংক্রান্ত সেবা ক্রয়ে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত পরিশোধের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রইসুল কবির, Proprietor, BRAIN STATION 23 LTD, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন।

অনুসন্ধান টিম তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও যোগসাজশের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে এসব অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, অনুসন্ধান টিমের দাখিল করা প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের জন্য কমিশনের অনুমোদনের উদ্দেশ্যে নথি উপস্থাপন করা হয়েছে। দুদকের পরবর্তী কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মামলাগুলো করা হবে।

Continue Reading

আইন-শৃঙ্খলা

হত্যা মামলায় কারাগারে আর এস ফাহিম

Published

on

By

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুলশান থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এসব আদেশ দেন।

এর আগে, দুপুরে আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার পক্ষে জামিন আবেদন করলেও তা শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ চায়। নিবেদন মতে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে আগামীকাল জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।

গত ২৯ মার্চ বিকালে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরবর্তীতে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর সুবাস্তু মার্কেটের সামনে হাজারো ছাত্র-জনতা মিছিল করছিল। তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করা করেন। এ সময় ভিকটিম মো. ইমরান (৩০) কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিলে অজ্ঞাতনামা আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের এপ্রিলে গুলশান থানায় মামলাটি করা হয়।

Continue Reading

রাজনীতি

গণভোটের পক্ষে ফেসবুক পোস্ট করে এক ঘণ্টার মধ্যে বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

Published

on

By

গণভোটের সমর্থনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে লালমনিরহাটের আদিতমারী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত রাকিবুল হাসান উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি জুলাইয়ের আন্দোলনেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আমরুল হাসান মোল্লার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানানো হয়। পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, সোমবার দুপুর ১টার দিকে ‘MD Rakibull Hasan’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘টালবাহানা না করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেন’ শিরোনামে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এর প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ সাদিকুল ইসলাম পাভেল ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর খানের অনুমোদনে তার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাকিবুল হাসান। বিশেষ করে জুলাইয়ের আন্দোলনে জেলা শহর ও আদিতমারীতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

বহিষ্কার নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় রাকিবুল হাসান বলেন, ‘স্কুল জীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির প্রতি আমার আগ্রহ তৈরি হয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দলের অবস্থান আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। দশম শ্রেণি থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত আছি। জুলাইয়ের আন্দোলনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমি চাই এসব ঘটনার বিচার হোক এবং দেশের মানুষের জন্য গণভোট বাস্তবায়ন করা হোক। কিন্তু একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

Continue Reading

Trending