Connect with us

সারাদেশ

নওগাঁয় হাঁস মারাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেফতার ২

ছবি- সংগৃহীত

Published

on

ডেস্ক নিউজ

নওগাঁর বদলগাছীতে হাঁস মারাকে কেন্দ্রকরে  দু’পক্ষের সংঘর্ষে আব্দুল লতিফ (৫০) নামে এক জনের নিহত  হয়েছে। নিহত আব্দুল লতিফ হলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পিন্ডিরা গ্রামের বাসিন্দা খোকা মন্ডলের ছেলে, আব্দুল লতিফ ছিলেন পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবারে ২৯ শে সেপ্টেম্বর লতিফ ড্রাইভারের একটি হাঁস ভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়ে আহত হলে লতিফের পরিবার হাঁসটি জবাই করে এবং মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন। 

সেই হাঁসকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ৩০শে সেপ্টেম্বর  দুপুর আনুমানিক ১১টার দিকে 

সদর ইউনিয়নের সোহাসা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে ভ্যান চালক সবুজ হোসেন, লতিফের বাড়ির সামনে আসিলে, লতিবের লোকজন সবুজ হোসেনের পথ রোধ করে হাঁস মারার ঘটনাটি জানতে ও জরিমানার দাবী নিয়ে এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয় । 

এ সময় স্থানীয়রা মীমাংসার জন্য জবাই করা হাঁসের মাংস ভ্যান চালক সবুজ হোসেনকে দিতে বলে এবং সবুজ হোসেনকে ১টি হাঁস  কিনে লতিফকে দিতে বলে। ঘটনাটি সবুজের পরিবার জানতে পারলে সবুজের পিতা আব্দুল জলিল, মা আদরী খাতুন ও ভাই শাকিল হোসেন মিলে দুপুর ১ টার দিকে লতিফের বাড়িতে আসিলে পুনরায় আবার সংঘর্ষে জড়ায় তারা।

ঘটনার কিছুক্ষণ পর লতিফ বুকে ব্যথা অনুভব করলে স্বজনরা তাকে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর  আড়াইটার দিকে আব্দুল লতিফ মৃত্যুবরণ করেন । বর্তমানে তার মরদেহ নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানা যায় ।

ঘটনার খবর পেয়ে বদলগাছী থানার ওসি (তদন্ত) ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

এ ঘটনায় বদলগাছী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বদলগাছী থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে আব্দুল জলিল (৫৫) ও তার স্ত্রী আদুরী খাতুনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ভাটারায় গ্যাস লিকেজে আগুন, দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্য

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ভাটারা নতুন বাজার এলাকায় গ্যাসের লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের তিন সদস্য দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তিনজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে নতুন বাজার ১০০ ফুট সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার একটি বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন—শাহীন (২৪), তার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) এবং শাহীনের ভাগনি হাফসা আক্তার (৮)।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, বাসাটিতে তিতাসের গ্যাস সংযোগ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে গ্যাসের লিকেজের কারণে কক্ষের ভেতরে গ্যাস জমে যায়। পরে ভোরে রান্নার সময় বা অন্য কোনো আগুনের উৎস থেকে সৃষ্ট স্ফুলিঙ্গে গ্যাসে আগুন ধরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ, ফাহিমা আক্তারের ৪৫ শতাংশ এবং হাফসা আক্তারের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তিনজনেরই অবস্থা সংকটাপন্ন।

Continue Reading

সর্বশেষ

রাজশাহীতে শিশুদের সিসা দূষণ রোধে পিওর আর্থ ও ইডিএফ-এর র‍্যালি

Published

on

By

রাজশাহী প্রতিনিধি

“সিসা দূষণ বন্ধ করি, সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করি”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে শিশুদের সিসা দূষণ থেকে সুরক্ষায় একটি জনসচেতনতামূলক র‍্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘পিওর আর্থ’-এর সহযোগিতায় স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ইডিএফ)’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

বৃহস্পতিবার রাজশাহীর আলুপট্টি ও সাহেব বাজার এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় সহযোগী হিসেবে অংশ নেয় ইকোনমিক্স আর্থ সোসাইটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রজেক্ট আর্থকেয়ার।

কর্মসূচিতে বিশেষভাবে অংশগ্রহণ করেন প্রজেক্ট আর্থকেয়ারের কো-অর্ডিনেটর ও তাঁর দলের সদস্যরা। র‍্যালিতে তাঁরা সিসা দূষণের ভয়াবহতা ও এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বক্তব্য রাখেন এবং দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

স্বেচ্ছাসেবী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পরিবেশ ও সমাজকর্মীসহ প্রায় ৬০ জন মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো র‍্যালি জুড়ে “সিসা দূষণ বন্ধ হলে, বাড়বে শিশু বুদ্ধি-বলে” স্লোগানটি প্রতিধ্বনিত হয়।

বর্তমানে বিশ্বে সিসা দূষণে বাংলাদেশ তৃতীয় ঝুঁকিপূর্ণ দেশ উল্লেখ করে আয়োজকরা জানান, গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে প্রায় চারজন শিশুর রক্তে মাত্রাতিরিক্ত সিসার উপস্থিতি রয়েছে, যা তাদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে এবং বুদ্ধিমত্তা ও মনোযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। দেয়ালের রং, খেলনা, রান্নার অ্যালুমিনিয়াম বাসনপত্র এবং সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারির অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত রিসাইক্লিং এই দূষণের প্রধান উৎস।

অনুষ্ঠানে পিওর আর্থ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাশ এবং ইডিএফ-এর যুব বিষয়ক উপদেষ্টা ফাইয়ায আনাম স্বনন শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ও সিসামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজ ও সরকারি নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

র‍্যালি ও আলোচনাসভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা নীতিনির্ধারকদের কাছে ৫ দফা সুপারিশ পেশ করেন।

সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে— সিসাকে ‘বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য’ ঘোষণা করে সমন্বিত জাতীয় কৌশল ও আইন প্রণয়ন করা; শিশু ও গর্ভবতী নারীদের রক্তে সিসার মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা ও ভোগ্যপণ্যের মান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা; অবৈধ ব্যাটারি রিসাইক্লিং বন্ধ করে এই খাতকে ‘বর্ধিত উৎপাদক দায়িত্ব’ (ইপিআর)-এর আওতায় আনা; সিসা দূষিত এলাকা চিহ্নিত করে পরিবেশ পুনর্বাসন করা এবং সিসা দূষণ প্রতিরোধে দেশব্যাপী ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা।

Continue Reading

top3

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ দেখতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার যুবক

Published

on

By

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম নগরীতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের খেলা দেখার সময় জনসমাগমের মধ্যে মো. আসাদুল হক (২১) নামে এক যুবক দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বুধবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার দুই নম্বর গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত আসাদুল হক বাঁশখালীর ছনুয়া এলাকার শিকদার বাড়ির ইয়াছিন আলীর ছেলে। তিনি বর্তমানে নগরীর হামজারবাগ এলাকায় সরওয়ারের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ চলাকালে জনসমাগমের মধ্যে অজ্ঞাত কয়েকজন দুর্বৃত্ত আসাদুল হককে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তার বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে রাত ২টা ২৯ মিনিটে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ সোহেল রানা।

Continue Reading

Trending