Connect with us

top3

ফেনীতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন

Published

on

ফেনীতে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার লেমুয়া উচ্চবিদ্যালয়ের নিচতলায় বেঞ্চ সংস্কারের জন্য রাখা কাঠে আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। আগুনে সংস্কারের জন্য রাখা বেশ কিছু কাঠ পুড়ে যায়। পরে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নির্বাচনের আগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছে কি না খতিয়ে দেখা উচিত।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহেদ আলী বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের নিচতলায় দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেয়। ভবনটিতে সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। সেখানে বেশ কিছু কাঠ আগুনে পুড়ে গেছে। বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী সন্দেহভাজন দুজনের নাম ইতিমধ্যে পুলিশকে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, বিদ্যালয়ের বারান্দায় শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। সেখানে কাঠের গুঁড়া ও কুঁড়া রাখা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

দৌলতপুরে চুরির ঘটনায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ-৩

Published

on

By

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চুরির ঘটনা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ফিলিপনগর ইউনিয়নের দফাদারপাড়া এলাকায় আনিচুর রহমানের বাড়িতে চুরির ঘটনা নিয়ে আনিচুর ও প্রতিপক্ষ একই এলাকার সিহাবের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

এরই জের ধরে আনিচুর রহমানের নেতৃত্বে তার লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় প্রতিপক্ষ সিহাব ও তার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এসময় দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটোছুটি করতে থাকে। খবর পেয়ে দৌলতপুরের সেনা ক্যাম্পের সদস্য ও দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সংঘর্ষে আনিচুর রহমান (৫৫), নবাব মাস্টার (৫০) ও আশরাফুল ইসলাম (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হলে তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

গুলিবিদ্ধ আনিচুর রহমানর অভিযোগ, দফাদারপাড়া এলাকার মৃত তফিলের ছেলে সিহাব (৫০), মজুদ্দিন দফাদারের ছেলে রিন্টু (২৬), সোহরাব উদ্দিনের ছেলে দোয়েল (২৫) ও জালাল (৪৫) সহ ৮-১০ জন তার বাড়িতে চুরি করে। এরপর থেকে তারা গা ঢাকা দেয়। পার্শ্ববর্তী পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামে সিহাব ও তার লোকজন অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে সেখানে হানা দিলে তারা আমাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে ৩জন আহত হয়েছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে বলে অনিচুর জানায়।

গোলাগুলির ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে এবং এতে গুলিবিদ্ধ সহ ৩ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গোলাগুলির ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকলেও দফাদারপাড়া, পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে

Continue Reading

top3

বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দুই পক্ষের মারামারি, উপাচার্য-প্রক্টরসহ আহত ৭

Published

on

By

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষকদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম ও প্রক্টর ড. জসিম উদ্দিনসহ উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। উপস্থিত শিক্ষকেরা এ কথা জানিয়েছেন। উভয় পক্ষই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী সাদা দলের শিক্ষক।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হচ্ছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষক রোববার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করতে যান। সে সময় উপাচার্য আলিমুল ইসলামের সঙ্গে শিক্ষকদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ভিসিসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক আহত হন। তবে তাঁদের কারোরই অবস্থা গুরুতর নয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘নির্বাচন চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অ্যাডহক নিয়োগ দেওয়া হয়। সেখানে কিছু ত্রুটি আছে। আমরা তাকে উপাচার্যকে এই নিয়োগ দিতে না করি। তবুও তিনি নিয়োগ দেন। মানুষ নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আর তিনি ১০ ফেব্রুয়ারি এই নিয়োগ দেন। আমরা এটার বিষয়ে উনার সঙ্গে গতকাল বসতে চাচ্ছিলাম। তিনি গতকাল সময় দেননি। আজ গেলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন সেখানে উপস্থিত প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আমাদের একজন শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। তিনি মোজাম্মেল স্যারকে লাথি মেরে সরিয়ে দেন আর তখন মাহবুব স্যার ঝামেলা মেটাতে এলে তাকেও ঘুষি মারা হয়। তখন এই মারামারির ঘটনা ঘটে। তার কাছে কোনো কিছু নিয়ে গেলেই তিনি বলতেন আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভিসি, আমি কোনো কাজ করতে পারব না। এখন শেষ সময়ে তিনি এই নিয়োগ কীভাবে দেন। এই নিয়োগের মাধ্যমে ইউজিসি আমাদের বাজেট বন্ধ করিয়ে দেবে। তখন আমরা কীভাবে বাঁচব। আমরা সাবধান করতে গিয়েছিলাম। আর আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’

ঘুষি ও লাথির বিষয়ে জানতে প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে চারবার কল দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সিকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর আলিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়েন করার পরে একটি ব্যানার ছেঁড়া নিয়ে গন্ডগোল হয়। তখন ছাত্রদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিই। টিচাররাই তাদের নির্ধারণ করে দেন। এখন সহযোগিতা করছে না। নয়া সরকার আসছে, এখন তারা আসছে এই সরকারের লোক বলে। ওরা যে সরকারের লোক, আমিও তো সেই সরকারের লোক। এনএসআই, ডিজিএফআই সব সরকারের কাছেই আমার ইনফরমেশন আছে। কিছু শিক্ষক ও কর্মচারী মিলে অযথা মব সৃষ্টি করছে। এটা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নিয়োগ। কোনো টাকা, কোনো সুপারিশ কাজ করেনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। লিখিত, ভাইভাসহ যোগ্য লোকদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেখানের ম্যাক্সিমাম সিলেটেরই।’

উপাচার্য তাঁর কক্ষে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ছয়জন আহতের কথা স্বীকার করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দিইনি।’

সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। থানায় কেউ কোনো অভিযোগ নিয়েও আসেনি

Continue Reading

top3

তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস

Published

on

By

নির্বাচন-পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাতের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসভবনে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ উদ্যোগকে দেশের রাজনীতিতে ‘ইতিবাচক ধারার সূচনা’ হিসেবে অভিহিত করে তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম এ প্রতিক্রিয়া জানান।

রোববার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সারজিস আলম লেখেন, ইতিবাচক রাজনীতির সূচনা হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সম্মানিত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সংগ্রামী আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাচ্ছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুরোনো প্রতিহিংসার রাজনৈতিক কালচার বাদ দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি দরকার রাজনৈতিক দল এবং রাজনীতিবিদদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির নতুন ধারা। জনাব তারেক রহমান সেই উদ্যোগ গ্রহণ করায় আন্তরিক ধন্যবাদ।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সারজিস আলম। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের কাছে তিনি পরাজিত হন। তবে নির্বাচনের ফলাফল ছাপিয়ে জাতীয় স্বার্থে দলগুলোর মধ্যে এমন হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ককে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Continue Reading

Trending