Connect with us

top2

ফেসবুক লাইভে পর্ন জগতে আসার কারণ জানিয়েছিল সেই বৃষ্টি

Published

on

অলটাইম ডেস্ক

দেশে অবস্থান করেও আন্তর্জাতিক পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে উচ্চস্তরের কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে আজিম (২৮) ও বৃষ্টি (২৮) কে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।
তবে গ্রেফতার হওয়ার আগে পর্ন তারকা বৃষ্টি ফেসবুক লাইভে এসে তার পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে আসার কারণ জানিয়েছিলো।

পর্ন তারকা বৃষ্টি ফেসবুক লাইভে বলে, ওই আওয়ামী লীগ ছিলো না কুত্তালীগ? আওয়ামী লীগকে আমি কুত্তালীগ বলব। কুত্তালীগের কারণে আমাদের লাইফটা পুরো ধ্বংস
,আমরা জাহান্নামের রাস্তায় চলে গেছি।

লাইভে সে আরও বলে, হ্যাঁ আমি খারাপ, আমি খারাপ একটা মানুষ। তবে খারাপ মানুষটার ব্যাপারে জানবেন আগে। মানুষটা কেনো খারাপ হয়েছে। কারণ আপনাদের হেল্প পেয়ে আমি যেমন খারাপ হয়েছি, এখন যদি আবার সুন্দর কমেন্ট করেন বা আপনারা যদি আবার আগের মতো ভালোবাসেন তাহলে অবশ্যেই আমি মনে করি ভালোর দিকে আবার আসতে পারবো।

বৃষ্টি ফেসবুক লাইভে বলে, ‘সবাই আমাকে খ্রিস্টান নামেন চিনলেও আসলে আমি মুসলিম। তো একজন মুসলিম হয়ে কেনো আমি খারাপ রাস্তায় গেছি এটা শুধু ওই কুত্তালীগ, কুত্তালীগের জন্য। ওই হাসিনা আছে না, কি বলব মুখ দিয়ে অনেক খারাপ খারাপ গালি আসতেছিলো।

আবার হাসিনার আমলে পুলিশগুলো তো ছিলো হাসিনার জামাই। হাসিনার মায়ের জামাই। সেটা হলো পুলিশের কাছে গিয়েও আমরা কোনো বিচার পায়নি ।

আপনরা হয়তো এক সেকেন্ট এসে খারাপ কমেন্ট করতে পারেন, আমার বাপ মা ধরে গালাগালি করতে পারেন কিন্তু আমার লাইফের পিছনে কেউই জানেন না। যেটা ক্যামেরার সামনে দেখেন ওটা আসলে মানুষের বাস্তব জীবন না।

আর আমি অন্যায় করছি ভালো হয়েছে, আমি আমার স্বামীর সাথে করেছি অন্য কোনো মানুষের সাথে না। তো এখন অনেকে বলতে পারেন হ্যাঁ আপনাদের টাকা খেয়ে ফেলছে অনেকে। ভালো কাজের জন্য দিয়েছেন খেয়ে ফেলছে। তো আপনরা চাইলে ভালোর দিকে যেতে পারতেন। অবশ্যই আমরা ভালোর দিকে চেষ্টার পর যখন দেখছি আমরা পারি নাই। তখন আমরা খারাপটা বেছে নিয়েছি।

গার্মেন্টসে আমি কাজ জানতাম না, আমি কাজ শিখছি। এক মাস কাজ শেখার পর আমাকে ওখান থেকে একটা সার্টিফিকেট দিয়েছিলো।

আমার ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছি , আমার স্বামীর বাড়ি চট্রগ্রামে, আর চট্রগ্রামের আনোয়ারাই একটা ইপিজেট এর মধ্যে সব চেয়ে বড় গার্মেন্টস। এখানে আমি এক মাস কাজ শিখছিলাম। কাজ শেখার পরে একটা চাকরির জন্য যায় । ওখানে ২-৩ টা গার্মেন্টসে গিয়েছি কাজের জন্য। কিন্তু সবাই আমাকে কি অফর দেয় জানেন? সবাই আমাকে অন্য কিছুর অফার দেয়।

আমাদের জীবন কাহিনী শুনলে যে কেউ কান্না করে দিবেন। আমাদের তখন খোজ নেওয়ার মতো কেউ ছিলো না । আত্মীয় স্বজনসহ কেউ আমাদের দুটা মানুষের খোজ নেওয়ার মতো কেউই ছিলো না। এমনও সময় গেছে আমরা এক রাত এক দিন খাবার নাখেয়ে থেকেছি।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ ২৬ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব আরও সুসংহত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলমান ইরান অবরোধ কার্যকর করার লক্ষ্যে ওই অঞ্চলে বর্তমানে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ অন্তত ২৬টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই নজিরবিহীন সামরিক তৎপরতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে কৌশলগত অবস্থান থেকে যুদ্ধজাহাজগুলো মোতায়েন করা হয়েছে। ভারত মহাসাগরসহ বিভিন্ন এলাকায় এ পর্যন্ত অন্তত তিনটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়েছে মার্কিন সেনারা, যার মধ্যে দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয় পারস্য উপসাগর থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে।

সর্বশেষ বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন একটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ইরান থেকে তেল পরিবহন করছিল।

বর্তমানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ১৯টি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এই বিশাল নৌবহরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দুটি বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। তাদের সাথে পাহারায় রয়েছে ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস টমাস হাডনার, ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক, ইউএসএস মাইকেল মারফি, ইউএসএস মিটশার, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স, ইউএসএস মিলিয়াস, ইউএসএস চার্চিল, ইউএসএস ট্রাক্সটন ও ইউএসএস মাহান নামক ১২টি ডেস্ট্রয়ার। এছাড়া এই বহরে যুক্ত রয়েছে ইউএসএস ক্যানবেরা ও ইউএসএস তুলসা নামক দুটি কমব্যাট শিপ এবং ইউএসএস ত্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স ও ইউএসএস রাশমোর নিয়ে গঠিত অ্যাম্ফিবিয়াস গ্রুপ।

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় আলাদাভাবে টহল দিচ্ছে আরও সাতটি যুদ্ধজাহাজ। এর মধ্যে রয়েছে ইউএসএস জন ফিন, ইউএসএস পিঙ্কনি, ইউএসএস হিগিন্স, ইউএসএস মাস্টিন, ইউএসএস ম্যাকফল, ইউএসএস জন এল. ক্যানলি এবং ইউএসএস সান্তা বারবারা। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অঞ্চলটিতে মার্কিন বাহিনীর এই বিপুল উপস্থিতি ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এবং ওই এলাকায় নিজেদের কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ।

Continue Reading

top2

চুক্তি না হলে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে: ট্রাম্প

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বোমা হামলা শুরু করতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে তিনি যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে নিশ্চিত নন।

ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো আমি যুদ্ধবিরতি বাড়াব না, তবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় থাকবে। তখন পরিস্থিতি এমন হবে যে, দুঃখজনকভাবে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে।’

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে, যার লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা এবং একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো। তবে সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশাসন এখনও আশাবাদী।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

top2

দেশে এপ্রিল-মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

দেশে এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের আমদানিকৃত সকল জ্বালানি এসেছে। মার্চ ও এপ্রিলে কিছুটা বিঘ্নিত হলেও এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা আছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানির বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম।

এর আগে গত ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন রয়েছে ৩১ হাজার ৮২১ টন। পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন ও ফার্নেস ওয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।

মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষ ফিলিং স্টেশনে ভিড় করতে শুরু করে। এ ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। পেট্রলপাম্পের মালিকেরা বলছেন, মূলত অকটেন ও পেট্রলের জন্যই সারা দেশে এমন তেলের লাইন।

Continue Reading

Trending