Connect with us

top1

বদলে গেল পুলিশের পোশাক

Published

on

বদলে গেছে পুলিশের পোশাক। পুরাতন পোশাক ছেড়ে শনিবার থেকে নতুন পোশাক পরা শুরু করেছেন তারা। ঢাকা মহানগর পুলিশসহ (ডিএমপি) সব মহানগর পুলিশ ও বিশেষায়িত ইউনিটে নতুন পোশাক পরেছে পুলিশ। তবে সবার কাছে এখনও নতুন পোশাক যায়নি। জেলা পুলিশ এখনও পোশাক পায়নি। পর্যায়ক্রমে তারাও নতুন পোশাক পাবে। এখন থেকে গাঢ় নীল ও সবুজ রঙের পরিবর্তে ‌‌‘আয়রন গ্রে’ রঙের পোশাক পরবেন রেঞ্জ ও মেট্রোপলিটনে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে নতুন পোশাকের রঙ নিয়ে পুলিশের বেশিরভাগ সদস্য সন্তুষ্ট নন। এর আগে বিভিন্ন সময় একাধিক বৈঠকে নতুন পোশাকের রঙ নিয়ে পুলিশ সদস্যরা অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছিলেন।

পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, শুধু পোশাক বদলালে পুলিশের গুণগত বদল আসবে না। জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে পুলিশকে অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন জরুরি।

পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র সহকারী মহাপরিদর্শক এআইজি এএইচএম শাহাদাত হোসাইন সমকালকে বলেন, সব মহানগর ইউনিটে পোশাক দেওয়া হয়েছে। জেলা ও রেঞ্জ পুলিশ পর্যায়ক্রমে নতুন এই পোশাক পরবেন। তবে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট এপিবিএন ও এসপিবিএন আগের পোশাকে থাকবে।

ঊধ্বর্তন এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ট্যুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশ নতুন এই পোশাক পরবে। তবে তবে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও স্পেশাল প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের (এসপিবিএন) আগের পোশাক থাকবে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে সর্বশেষ পুলিশের পোশাক বদল করা হয়। এখন বছরে ৫ সেট পোশাক পায় পুলিশ। গরমের সময় তিন সেট ও শীতকালে দুই সেট।

২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে ভুমিকা নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা পুলিশ বাহিনীর সংস্কার ও পোশাক পরিবর্তনের দাবি উঠলে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পোশাক অনুমোদন করে। এরই অংশ হিসেবে মহানগর পুলিশে ‘আয়রন গ্রে’ রঙের নতুন পোশাক দেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির একটি সূত্র বলছে, শনিবার কনেস্টবল থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) পর্যন্ত ২৫ শতাংশ ফোর্স পোশাক পেয়েছেন। পরিদর্শক থেকে অতিরিক্ত উপকমিশনার পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কর্মকর্তা পোশাক পেয়েছেন।

ডিএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, শনিবার থেকে সব মহানগরে পুলিশের নতুন পোশাক চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব সদস্য এই পোশাক পাবেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশের কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি পোশাক পরিবর্তনের দাবি ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন এই পোশাক অনুমোদন করে। পোশাক ও লোগো পরিবর্তনের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছিল। কয়েকটি দেশের পুলিশ ইউনিফর্ম বিশ্লেষণ করে ১৮ ধরনের পোশাক ট্রায়াল দেওয়া হয়। পরে পাঁচটি রঙের মধ্য থেকে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে রঙ চূড়ান্ত করা হয়। এছাড়া লোগোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ

Published

on

By

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ জয় পেলেই এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করবে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর আজকের ম্যাচেও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে টাইগাররা। ব্যাটিং অর্ডারে ওপেনিংয়ে সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিমের পর থাকছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়। লিটন দাসকে দেখা যাবে পাঁচ নম্বর পজিশনে, আর ছয়ে থাকছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। অধিনায়ক মিরাজ নিজে খেলছেন সাত নম্বরে।

বোলিং ইউনিটে ধার বাড়াতে তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানার সঙ্গে থাকছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।

অন্যদিকে, সিরিজে সমতায় ফিরতে মরিয়া পাকিস্তান দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। লেগ স্পিনার আবরার আহমেদের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়েছেন পেসার হারিস রউফ।

উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়ে বর্তমানে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। আজ দুপুর সোয়া ২টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচটি জিতলেই ঘরের মাঠে আরও একটি সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়বে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

দুই দলের একাদশ:

বাংলাদেশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তান: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শ্যামল হুসাইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), সালমান আলী আঘা, হুসাইন তালাত, আবদুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), হারিস রউফ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম।

Continue Reading

top1

১৫ মার্চ থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ, বাড়বে না গণপরিবহনের ভাড়া: রেলমন্ত্রী

Published

on

By

আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আগামী ১৫ মার্চ থেকে গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেল এবং নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ায় ঈদে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জ্বালানি ও ভাড়া নিয়ে সুখবর

মন্ত্রী জানান, জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। ফলে পরিবহন মালিকদের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সুযোগ থাকবে না। ১৫ মার্চ থেকে দেশজুড়ে গণপরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন টিকিটিং ও রেলের সক্ষমতা

ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, “৩ মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। এবার প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট কেনার চেষ্টা করেছেন। তবে রেলের সীমাবদ্ধ সক্ষমতার কারণে আমরা প্রায় ৩৬ হাজার টিকিট দিতে পেরেছি।”

অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের জটিলতা নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন, একটি টিকিট বুক করার পর পেমেন্টের জন্য ৫ থেকে ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়। ওই সময়ে টিকিটটি ‘হোল্ড’ অবস্থায় থাকে বলে অন্য যাত্রীরা সেটি দেখতে পান না বা কিনতে পারেন না। এ কারণেই অনেক সময় যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে।

ঈদ স্পেশাল ট্রেন ও অতিরিক্ত কোচ

যাত্রীচাপ সামলাতে রেলের বিশেষ প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান:

রেলে নতুন করে মোট ১২৪টি কোচ যুক্ত করা হয়েছে।

মিটারগেজ লাইনে আরও ১৪টি কোচ বাড়ানো হয়েছে।

ব্রডগেজ লাইনে চালু করা হয়েছে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন।

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঈদযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলওয়ে পুলিশের পাশাপাশি নিয়মিত পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌ-পুলিশ এবং বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। মন্ত্রী বলেন, “যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত। তবে যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ, সংকটের সময় কিছুটা ধৈর্য ধরে আমাদের সহযোগিতা করবেন।”

Continue Reading

top1

সংসদে নিরপেক্ষ আম্পায়ারিং করব: স্পিকার

Published

on

By

জাতীয় সংসদে নিরপেক্ষ ‘আম্পায়ারিং’ করবেন বলে জানিয়েছেন নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

স্পিকার বলেন, সংসদে আমরা (স্পিকারে এবং ডেপুটি স্পিকার) নিরপেক্ষ থাকব। ক্রিকেট খেলায় যেমন আম্পায়ার থাকে আমরাও সেরকম নিরপেক্ষ আম্পায়ারিং করব।

তিনি বলেন, ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পরে আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পেয়েছি। তাই আশা করি জনগণের সেই স্বপ্নের দেশ আমরা উপহার দিতে সক্ষম হব। একটি বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় আমাদের লক্ষ্য।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় বিরোধী দলের ওয়াকআউটের বিষয়ে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদে ওয়াকআউট একটি প্রচলিত রীতি। তবুও তারা মোটামুটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিল। তবে সংসদের স্লোগান দেওয়া ঠিক না, এটা সংসদের রেওয়াজের বাইরে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতিতে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিনের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক হত্যা মামলায় কারাগারে থাকায় সংসদে সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফের নাম প্রস্তাব করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে জামায়াতসহ সব সংসদ সদস্যদের সম্মতিতে খন্দকার মোশাররফ সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

এরপর অধিবেশনে নতুন স্পিকার হিসেবে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করেন প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। এতে সমর্থন করেন হুইপ রাকিবুল ইসলাম। পরে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় কণ্ঠভোটে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার নির্বাচিত হন।

Continue Reading

Trending