Connect with us

top3

ববিতে পালিত হলো ‘প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত স্বাধীন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’

Published

on

মাফিদুল হাসান, ববি

​বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে (ববি) ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত করার ঐতিহাসিক দিনটি স্মরণে ক্যাম্পাসে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত স্বাধীন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলন ও প্রতিরোধের মুখে ফ্যাসিস্ট শক্তি ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। সেই গৌরবময় দিনটিকে স্মরণ করে আজ রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই স্মৃতিফলক ও জুলাই-২৪ স্মরণিকা প্রস্তুতকরণ কমিটির আহবায়ক এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ।

ববির রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ফ্যাসিস্ট মুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিতি পেলেও মূলত এখন পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।”

ববি ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন তার বক্তব্যে, “আওয়ামী লীগ ও ছাত্র লীগের দোসরদের বিচারের দাবি জানান।”

ববি প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগ তাঁর বক্তব্যে জানান, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিকামী শিক্ষার্থীরা ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের রাষ্ট্রয়ন্ত প্রতিহত করে এই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করেন। তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা থাকবে । “

জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে জানান ,​”বাংলাদেশ তার নিজস্ব গতিতে চলবে, অন্য কারো ইচ্ছায় এদেশ পরিচালিত হবে না। জুলাই আমাদেরকে এ শিক্ষাই দেয়।দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশের প্রতিটি খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা ও আর্থিক খাত। শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে জাতিকে মেধা শূন্য করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর ড. গাজী মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে আরও বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন মোঃ হারুন-অর-রশিদ, শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট ড. আবদুল আলিম বছির এবং কর্মকর্তাদের পক্ষে প্রকৌশল শাখার উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুরশীদ আবেদীন এবং কর্মচারীদের পক্ষে হাসানুজ্জামান ও ইব্রাহিম বক্তব্য প্রদান করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সুষ্টু বিচার নিয়ে শঙ্কা, তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলনে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
হলের খাবারের মান নিয়ে মন্তব্য করার জেরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় জড়িত ছাত্রদলের (সদ্য বহিষ্কৃত) দুই নেতার শাস্তির দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। এসময় তার হুঁসিয়ারি করে বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে বাধ্য হবো।      

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে একাডেমিক ভবন ‘ডি’ এক্সটেনশন প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবন-১-এর সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের “খাইরুলের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই”, “সাস্টিয়ান সাস্টিয়ান, এক হও এক হও”, “অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন”, “জাস্টিস, জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস”, “জাস্টিস ফর খাইরুল”, “লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে”, এবং “সন্ত্রাসীর দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে” ইত্যাদি নানান স্লোগান দিতে শোনা যায়।   

সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। শিক্ষার্থীরা প্রক্টরকে বলেন, গতকাল রাত থেকেই অভিযুক্ত তারেক রহমানের বিভাগের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনাকে স্বাভাবিক হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে বিভিন্ন বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহানুভূতি অর্জনের উদ্দেশ্যে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ড যেন তদন্ত কমিটিকে কোনোভাবেই প্রভাবিত না করে। তারা হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ভুক্তভোগীর ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।                

তখন প্রক্টর শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘‘তদন্ত কমিটি কাজ করছে। আজকে প্রতিবেদন জমা দিবেন। আগামীকাল সিন্ডিকেট ডেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কারো কোন কার্যক্রমে তদন্ত প্রতিবেদন প্রভাবিত হবে না।’’
তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলামকে একাধিকবার কল দিলেও সাড়া মিলনি।

Continue Reading

top3

ভাটারায় গ্যাস লিকেজে আগুন, দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্য

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ভাটারা নতুন বাজার এলাকায় গ্যাসের লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের তিন সদস্য দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তিনজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে নতুন বাজার ১০০ ফুট সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার একটি বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন—শাহীন (২৪), তার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) এবং শাহীনের ভাগনি হাফসা আক্তার (৮)।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, বাসাটিতে তিতাসের গ্যাস সংযোগ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে গ্যাসের লিকেজের কারণে কক্ষের ভেতরে গ্যাস জমে যায়। পরে ভোরে রান্নার সময় বা অন্য কোনো আগুনের উৎস থেকে সৃষ্ট স্ফুলিঙ্গে গ্যাসে আগুন ধরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ, ফাহিমা আক্তারের ৪৫ শতাংশ এবং হাফসা আক্তারের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তিনজনেরই অবস্থা সংকটাপন্ন।

Continue Reading

top3

টানা দশম রাতেও ইরানে মার্কিন হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি তেহরানের

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

টানা দশম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালির আশপাশের সিরিক, বন্দর আব্বাস, বন্দর লেঙ্গেহ, কেশম দ্বীপ, চাবাহার, কোনারাক ও শিরাজে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হামলা এবং ইয়েমেনের হুথিদের নতুন অবরোধ ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় ইরানের সিরিক, বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ ও ইসফাহান এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে। এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর সক্ষমতা আরও দুর্বল করতে ইরানের সামরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের হিমার্স (HIMARS) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা লক্ষ্য করে তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তেহরানের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানের বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও তা ঠিক কোথায় ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, সমুদ্রের দিক থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ক্যাম্প আরিফজানে যুক্তরাষ্ট্রের হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা লক্ষ্য করে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাহরাইনে একটি রাডার ও যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার দাবিও করেছে বাহিনীটি।

এর মধ্যেই সোমবার (২০ জুলাই) হরমুজ প্রণালিতে গ্রিসের মালিকানাধীন দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে। একই দিনে ওমানের বন্দরনগরী লিমাহ উপকূলের কাছেও আরেকটি ট্যাংকারে হামলার তথ্য দিয়েছে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা যুক্তরাজ্য মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।

আইআরজিসি শিপিং কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেছে, মার্কিন অভিযান অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা হবে এবং এ পথ দিয়ে তেল, গ্যাস কিংবা রাসায়নিক সার রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হবে না।

এদিকে হামলা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র ২০ গুণ বেশি শক্তি নিয়ে হামলা চালাবে। তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও বর্তমানে নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযানই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চলতে থাকলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

হোয়াইট হাউস আল-জাজিরাকে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও চলছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নতুন অবরোধ ঘোষণা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং দীর্ঘদিন তুলনামূলক শান্ত থাকা ইয়েমেন সংঘাত আবারও তীব্র আকার ধারণের পাশাপাশি লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

Continue Reading

Trending