Connect with us

top1

বর্তমান সরকার জুলুম অত্যাচার খুন-খারাপি বন্ধ করতে পারেনি: মুফতী ফয়জুল করীম

Published

on

ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জুলুম, অত্যাচার, অবিচার, খুন-খারাপি বন্ধ করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শাসন জনগণ দেখেছে। তাদের শাসনে সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুধু দেশ, দল ও নেতা পরিবর্তন করে শান্তি আসবে না। শান্তি তখনই আসবে, যখন আমরা নীতি-আদর্শের পরিবর্তন আনতে পারব এবং ইসলামের সুমহান আদর্শকে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে পারব। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত যারা এ দেশ পরিচালনা করেছে তারা মানুষকে শান্তি দিতে পারেনি।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে সাটিরপাড়া কে.কে ইনস্টিটিউশন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এক গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল ওয়াহাব মোল্লার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় (ঢাকা বিভাগ) সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি দেলোয়ার হোসাইন সাকি, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মাওলানা আরিফ বিন মেহের উদ্দিন, নরসিংদী জেলা সেক্রেটারি রাকিবুল হাসান, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম নরসিংদী জেলার সভাপতি মাস্টার ওয়ালি খান প্রমুখ।

মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বলেন, পার্বত্য এলাকার জন্য বিভিন্ন আইন কেন থাকবে, তারা যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয় তবে তাদের সাথে কিসের শান্তিচুক্তি করা হবে। দেশের অন্যান্য জেলায় যে আইন, পার্বত্য অঞ্চলে সেই একই আইন থাকতে হবে। ভিন্ন কোনো আইন আমরা চাই না। পার্বত্য অঞ্চলের জন্য যদি ভিন্ন আইন করা হয়, তাহলে ওরা ভাববে তারা ভিন্ন জাতি। এক পর্যায়ে তারা চিন্তা করবে স্বাধীন হওয়ার।

তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। আর যদি না পারেন তবে আপনি ব্যর্থ এবং আপনাকে অবশ্যই গদি ছাড়তে হবে।

তিনি নরসিংদীর বিভিন্ন চাঁদাবাজদের এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে বলেন, সমস্ত চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের আওতায় যদি না আনতে পারেন, তবে আপনার উচিত স্বইচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া। এমন অযোগ্য উপদেষ্টা এ দেশের মানুষ দেখতে চায় না।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

বাসস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণের অর্থ কোনোভাবেই বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না; বরং তা জনগণের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই নানা কথা ও বিভ্রান্ত ছড়াতে চায়। এরা বলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে? আপনাদের সবাইকে সাক্ষী রেখে তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, বিগত এক যুগ ধরে জনগণের অর্থ এই দেশ থেকে পাচার হয়ে গিয়েছিল। আমরা জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না।’

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের টাকা দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করা হবে। জনগণের অর্থ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করা হবে, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে। কাজেই ইনশাআল্লাহ টাকার কোনো অভাব হবে না।’

তিনি বলেন, ‘যারা এই দেশ থেকে টাকা পাচার করেছে, যারা এ দেশ থেকে জনগণের অর্থ বিদেশে পাঠাতে চায়, আমরা আজ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করব। আমরা যদি সবাই চোখ-কান খোলা রাখি, তাহলে এ দেশের অর্থ কেউ বিদেশে পাচার করতে পারবে না। আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করব এবং সেই অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করব।’

দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে সবাই আছেন কিনা- জানতে চাইলে উপস্থিত হাজার হাজার চা শ্রমিকসহ শ্রীমঙ্গলের নারী-পুরষরা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব দেন।

এর আগে পবিত্র কুরআনসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত এবং পরে বিএনপির দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীর হাতে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কম্পিউটারে বাটন চেপে ফ্যামিলি কার্ড তৃতীয় পর্যায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে চা শ্রমিক আবাসন সমস্যা সমাধানে শ্রমিকদের দুই লাখ টাকা করে অনুদান, চা শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদান, প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক অনুদানের চেকও প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপিকে গণমানুষের দল উল্লেখ করে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি সবসময় জনগণের কাতারে ছিল, সেজন্যই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের শক্তি। সেই জন্যই বিএনপি সবসময় বলে থাকে জনগণই আমাদের সব ক্ষমতার উৎস।

Continue Reading

top1

নবম পে স্কেলে ১১-২০ গ্রেডে ভাতা বাড়ছে পাঁচ গুণ

Published

on

By

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোয় সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীরা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় তাদের মাসিক টিফিন ভাতা পাঁচ গুণ বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে অষ্টম পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের মাসিক টিফিন ভাতা ২০০ টাকা। নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে এ ভাতা বেড়ে হবে ১ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত এ সুবিধার আওতায় থাকবেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারী এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

জাতীয় বেতন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ২০০ টাকা টিফিন ভাতা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কর্মচারীদের পুষ্টি ও কর্মদক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন এ ভাতা ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে।

নতুন পে স্কেলে টিফিন ভাতার পাশাপাশি মূল বেতন ও অন্যান্য ভাতাতেও পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ, সন্তানদের শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা চালুর পাশাপাশি প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কর্মচারী ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা টিফিন ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ২০০ টাকার ভাতা কার্যত অপ্রতুল ছিল। নতুন হার কার্যকর হলে কর্মস্থলে দৈনন্দিন ব্যয় সামাল দিতে কিছুটা সহায়তা মিলবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের অংশ হিসেবে আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে

Continue Reading

top1

১৩ দিনে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Published

on

By

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

গত ৪ জুন এই মামলার অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছিল পুলিশ। এর ১৩ দিনের মাথায় বিচার শেষ করে রায় দিল আদালত।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ উল আলম চৌধুরী মারুফ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে মাত্র ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করা হয়। গত ১৬ জুন (মঙ্গলবার) আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আজ এই রায় দেওয়া হলো।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ২১ মে বিকেল ৪টার দিকে বাকলিয়া থানাধীন নূর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠের কাছের একটি গুদামে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে উদ্ধার করা হলে তার শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও প্রতিবেশীদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিকেল ৫টার দিকে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে (পেশায় স্থানীয় ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী) একটি ভবনে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয় জনতা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে সেখানে উপস্থিত হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা দেয়। তারা আসামিকে পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে গণপিটুনি দেওয়ার দাবি জানায়। একপর্যায়ে জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। রাত ১০টার দিকে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে পুলিশ কৌশলে আসামিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য এবং বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।

ঘটনার পরদিন শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব প্রযুক্তিগত ও ফরেনসিক প্রমাণাদি দ্রুত সংগ্রহ করে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ৪ জুন একমাত্র আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।

Continue Reading

Trending