Connect with us

অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য

বাজারে আসছে জুলাই গ্রাফিতির ১০ টাকার নতুন নোট 

Published

on

‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে বাজারে ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের সব মূল্যমানের (১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকা) নোট মুদ্রণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে ১,০০০, ৫০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট বাজারে প্রচলনে এসেছে।

এর ধারাবাহিকতায় গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত নতুন ডিজাইনের ১০ টাকার নোট আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে প্রথমবারের মতো বাজারে ছাড়বে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে নোটটি ইস্যু করা হবে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকেও বিতরণ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, নতুন ১০ টাকার নোটটির আকার ১২৩ মিলিমিটার × ৬০ মিলিমিটার।

নোটের সম্মুখভাগে বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় ফুল শাপলার ছবি রয়েছে। পেছন ভাগে মুদ্রিত হয়েছে গ্রাফিতি ২০২৪-এর চিত্র। নোটটির রঙে গোলাপির আধিক্য রয়েছে।

নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে—নোটের সম্মুখভাগের বাঁ পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, ঢাকার ছবি ও মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা, কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি এবং নোটের পেছন ভাগে গ্রাফিতি ২০২৪-এর ছবি মুদ্রিত আছে।

তা ছাড়া জলছাপে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে ‘১০’, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম, ২ মিলিমিটার চওড়া রং পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা সুতা, See-Through ইমেজ ও মাইক্রোপ্রিন্ট। 

এর নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে ‘10’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ রয়েছে। নোটটিতে গোলাপি রঙের আধিক্য রয়েছে। নোটটি নাড়াচাড়া করলে নিরাপত্তা সুতার রং লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হবে বলেও জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরো জানায়, নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে এলেও বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা আগের মতোই বৈধ থাকবে।

পাশাপাশি মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য ১০ টাকার নমুনা (Specimen) নোটও মুদ্রণ করা হয়েছে, যা বিনিময়যোগ্য নয়। এসব নমুনা নোট নির্ধারিত মূল্যে টাকা জাদুঘর বিভাগ, মিরপুর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.২২ শতাংশ

Published

on

By

বিশ্ব অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে রপ্তানি আয়ে ডিসেম্বরের তুলনায় ১১.২২ শতাংশের এক উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্যানুয়ায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৩ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ছিল ৩ হাজার ৯৬৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন ডলার।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে মোট রপ্তানি হয়েছে ২৮ হাজার ৪১০ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার। যদিও এই অঙ্কটি গত অর্থবছরের একই সময়ের ২৮ হাজার ৯৬৯ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় সামান্য কম। তবে সাম্প্রতিক মাসিক প্রবৃদ্ধি রপ্তানি খাতে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দেশের রপ্তানি আয়ের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত তার অবস্থান ধরে রেখেছে। জুলাই-জানুয়ারি সময়ে এই খাত থেকে আয় হয়েছে ২২ হাজার ৯৮০ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার। গত বছরের তুলনায় এই খাতে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এটি বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পোশাকের অব্যাহত চাহিদা এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার প্রমাণ দেয়।

তৈরি পোশাক ছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত আশাব্যঞ্জক প্রবণতা দেখিয়েছে। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্লাস্টিক পণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে বার্ষিক ও মাসিক উভয় ভিত্তিতে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। তবে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য এবং হিমায়িত মাছের মতো প্রধান খাতগুলোতে মিশ্র ফলাফল দেখা গেছে।

রপ্তানি গন্তব্যের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে। এই বাজারে রপ্তানি আয় হয়েছে ৫ হাজার ২১৬ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি জুলাই-জানুয়ারি সময়কালে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং মাসিক ভিত্তিতে ২ দশমিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য, যেখানে রপ্তানি আয় হয়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৮৫২ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার এবং ২ হাজার ৭৭৯ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান বাজারগুলোতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। স্পেন, নেদারল্যান্ডস এবং গ্রেট ব্রিটেনসহ একাধিক বাজারে বিভিন্ন সময়সীমায় প্রবৃদ্ধি রেকর্ড হয়েছে, যা প্রধান বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্ককে পুনরায় নিশ্চিত করেছে।

Continue Reading

top1

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বাড়লো ভরিতে ১১ হাজার

Published

on

By

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা, যা মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে একই দিন সকালে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি ভরি ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভরিতে দাম বেড়েছে প্রায় ১০ হাজার ৯০৬ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ বিষয়ে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের নতুন মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন দাম বিকাল ৪টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা। গ্রাম হিসেবে স্বর্ণালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে— ২২ ক্যারেট (হলমার্ককৃত) প্রতি গ্রাম ২২ হাজার ৪৭০ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ২১ হাজার ৪৫০ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ১৮ হাজার ৩৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৪৫ টাকা।

এছাড়া রুপা অলংকারের দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৫৬০ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ৫৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি গ্রাম ৪৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪৫ টাকা।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, স্বর্ণ ও রুপার অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করে যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন।

Continue Reading

top2

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল কত

Published

on

টানা ৩ দফা দাম পতনের পর দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম। ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৩ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৫ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

Continue Reading

Trending