Connect with us

রাজনীতি

বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ভুলে আ’লীগের স্লোগান ধরেছে: ফয়জুল করীম

Published

on

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘বিএনপি এখন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ভুলে গিয়ে আওয়ামী লীগের স্লোগান ধরেছে।’

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোরের ঝিকরগাছা বিএম হাইস্কুল মাঠে এক জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফয়জুল করীম বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের আদর্শের ওপরে ভিত্তি করে বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এবং বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসেছিলেন। তারা ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বর্তমানে তারা জিয়াউর রহমানের আদর্শ ভুলে আওয়ামী লীগের স্লোগান ‘তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’ বলতে শুরু করেছে।’

ফয়জুল করীম বলেন, ‘বর্তমানে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল নিজেরাই নিজেদের খুন করতে শুরু করেছে। তারা দেশব্যাপী চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। এদের কাছে দেশের মানুষ নিরাপদ নয়। তাই বাংলাদেশে ইসলামী দলকে ক্ষমতায় নিয়ে এসে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। ইসলামী দল ক্ষমতায় আসলে দেশের কেউ খুন, হয়রানি, চাঁদাবাজির শিকার হবে না। দেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণপন্থীদের বিস্তীর্ণতায় বিএনপির আজ মন খারাপ। এ দক্ষিণপন্থীরাই জীবনভর বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। সেই দক্ষিণপন্থীদের সম্মান ইজ্জত রক্ষা করতে পারে নাই তারা। জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নের কথা বলে ধোকা দিয়েছে।’

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পরে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ভোটে কেউ পক্ষপাতিত্ব করতে পারবে না। মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। তা না হলে একটি মার্জিন ভোটের কোন কর্তৃত্ব থাকবে না।‘সব মার্কা দেখা শেষ ইসলামী আন্দোলনের বাংলাদেশ’ বলে তিনি বক্তব্য শেষ করে নেতাকর্মীদের নিয়ে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন।’

ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি শেখ আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা শোয়াইব হোসেন, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মোস্তফা কামাল, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করিম আবরার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি আলহাজ মো. আব্দুল হালিম মিয়া ও সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আলী সরদার, ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাস্টার আব্দুল আলিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন বাতিল চায় জামায়াত

Published

on

By

‘শেরপুরের স্থগিত আসনে ও বগুড়ার উপনির্বাচনে ব্যাপক ভোট ডাকাতি, ভোটকেন্দ্রে হামলা, দখল, জামায়াত নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে’ রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে—দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে আওয়ামী দুঃশাসন এমনকি বিএনপির আমলে মাগুরার নির্বাচনকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানান। একই সঙ্গে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।

ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, উত্তরের সেক্রেটারি ডা. রেজাউল করিম, দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ডা. আবদুল মান্নান প্রমুখ।

এছাড়া সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

Continue Reading

রাজনীতি

এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

Published

on

By

মিডিয়ায় বক্তব্য পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। 

তিনি বলেছেন, এটিই নির্লজ্জ হলুদ সাংবাদিকতা। এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন?

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি একথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আজ (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিং-এ আমি কথা বলতে গিয়ে বলেছিলাম- শেখ হাসিনা যে নীতি অনুসরণ করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল বিএনপিও একই নীতি অনুসরণ করে অগ্রসর হচ্ছে। তা হলে কি তারা প্রমাণ করতে চায় শেখ হাসিনা খারাপ, তার নীতি ভালো?’

‘আজকে কয়েকটি জাতীয় মিডিয়া আমার বক্তব্যের সেন্স পাল্টিয়ে দেওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে বিএনপিকে ছেড়ে দিয়ে আমাকেই উল্টো ধরেছে। এটিই নির্লজ্জ হলুদ সাংবাদিকতা। এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন?’

Continue Reading

top3

সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বিএনপি কি আওয়ামী লীগের মতো হয়ে উঠছে

Published

on

By

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল-২০২৬ ঘিরে জাতীয় সংসদে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বিলটির কড়া সমালোচনা করে অভিযোগ করেছেন, এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার জন্য ‘পিঠে ছুরিকাঘাত’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, এই প্রস্তাব বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইশতেহারে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান থাকলেও নতুন বিলে ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ও ‘জনস্বার্থে অপসারণ’-এর মতো বিধান রাখা হয়েছে, যা সেই প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী বলে তিনি দাবি করেন।

হান্নান মাসউদ প্রশ্ন তোলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কি ধীরে ধীরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করছে? তিনি বলেন, অস্পষ্ট ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ধারা ব্যবহার করে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করে দলীয় প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের উদাহরণ টেনে বলেন, অতীতে গৃহীত কিছু অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যেতে পারে।

এ সময় নির্বাচন নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। তার দাবি, বিভিন্ন এলাকায় ভোট কারচুপি, কেন্দ্র থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং অনিয়মিত ভোটগ্রহণের ঘটনা ঘটছে।

হান্নান মাসউদ সতর্ক করে বলেন, এই বিল পাস হলে স্থানীয় গণতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, এসব অভিযোগের জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিলটি পাস না হলে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্বাচন আয়োজন ব্যাহত হতে পারে এবং পুরনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধীদের কারচুপির অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংসদে এ বিলকে ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত থাকলেও বিষয়টি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে

Continue Reading

Trending