Connect with us

আন্তর্জাতিক

বিপুল পুলিশ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সিআইডির তল্লাশি

Published

on

বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ ঘিরে চলমান রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মোড় নিয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের অপরাধ তদন্ত বিভাগ তল্লাশি পরোয়ানা নিয়ে পৌঁছেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতার বাসভবনে।

মঙ্গলবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সিআইডির কর্মকর্তারা কালীঘাট থানার পুলিশ এবং বিপুল সংখ্যক নারী পুলিশ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে উপস্থিত হন।

তদন্তকারী সংস্থার এই পদক্ষেপ এসেছে কয়েকদিন আগে জারি করা নোটিশের পর। ওই নোটিশে বিরোধী দলনেতা স্বীকৃতির জন্য বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া প্রস্তাবে তৃণমূল বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে তথ্য চাওয়া হয়েছিল।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী তার জবাবে উল্লেখ করেছিলেন, বিধায়কদের স্বাক্ষর দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্তের অংশ হিসেবে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

বর্তমানে তিনটি পৃথক সিআইডি দল অভিযান পরিচালনা করছে। একটি দল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে, আরেকটি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে এবং তৃতীয় দল তার বাসভবনে তল্লাশি চালাচ্ছে।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় বিরোধী দলনেতা হিসেবে জ্যেষ্ঠ তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে স্পিকারের কাছে পাঠানো একটি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ ওঠে, ওই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জী এবং সন্দীপন সাহা স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেন, প্রস্তাবটি ‘মনগড়া ও জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি’ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ৭০টি স্বাক্ষরের মধ্যে অন্তত ১৪টি ব্লক লেটারে লেখা ছিল, যা সন্দেহের জন্ম দেয়।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি এফআইআর দায়ের করা হয় এবং সিআইডি তদন্ত শুরু করে। পরে দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন সবার নজর রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা

Published

on

By

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভিডিওতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার সম্ভাব্য স্থান ও পদ্ধতি নিয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হয় এবং এক কোটি ডলার পুরস্কারের কথাও বলা হয়। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের নজরে এসেছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র নেট হেরিং সিএনএনকে বলেন, ভিডিওটি সম্পর্কে আমরা অবগত। আমাদের সুরক্ষাধীন যেকোনো ব্যক্তির প্রতি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এমন সব বিষয় আমরা তদন্ত করি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় না।

প্রায় তিন মিনিটের ভিডিওটির শুরুতে ইংরেজিতে একটি গ্রাফিক দেখানো হয়—‘হোয়ার টু কিল ব্যারন ট্রাম্প?’ অর্থাৎ ব্যারন ট্রাম্পকে কোথায় হত্যা করা হবে। এরপর ব্যারন যেসব জায়গায় প্রকাশ্যে যাতায়াত করেন বলে জানা যায়, সেসব স্থানের গ্রাফিক দেখানো হয়। এর মধ্যে নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারও রয়েছে। ভিডিওর শেষে বর্ণনাকারী বলেন, মানুষ এক কোটি ডলারের পুরস্কার পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

সপ্তাহান্তে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) এই ভিডিওটি প্রচার করে। সংস্থাটি দেশটির কট্টরপন্থীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বলে বিবেচিত হয় এবং এর প্রধানকে সরাসরি নিয়োগ করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

একজন মার্কিন ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, ভিডিওটি ট্রাম্প ও তার পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে ইরান থেকে প্রকাশিত ধারাবাহিক ভিডিওর অংশ। এসব ভিডিওতে প্রেসিডেন্টের পরিবারের সদস্যদের চলাচলের তথ্য এবং হত্যার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তা আরও বলেন, সিক্রেট সার্ভিস, অন্যান্য সরকারি সংস্থা, স্থানীয় পুলিশ এবং বিভিন্ন দেশ থেকে পাওয়া নিরাপত্তা তথ্যের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট ও তার পরিবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত পরিবর্তন ও সমন্বয় করা হয়।

এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে নিজের জীবন নিয়ে ইরানের হুমকির কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। জুলাইয়ে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, আমি যেকোনো তালিকায় আছি… এখন পর্যন্ত হয়তো কিছুটা ভাগ্যবান ছিলাম, কিন্তু সেটা হয়তো বেশি দিন থাকবে না। এরা দুষ্ট ও অসুস্থ মানসিকতার মানুষ।

ওই মন্তব্যের আগে ইরানের হুমকির কারণে ট্রাম্পের একটি গোপন সফর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। হুমকির পর বিকল্প সামরিক বিমানে তাকে তুরস্ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই পুরো প্রক্রিয়া অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে সম্পন্ন হয়।

২০২০ সালে ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বারবার সতর্ক করে আসছে যে, ইরান ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করতে পারে।

চলতি বছরের জুলাইয়ে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর আয়োজিত শোকসভায় ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান জানিয়ে পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। এমনকি সেখানে তাঁর মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়া নিশ্চিত করতে অর্থ পুরস্কারের ঘোষণাও প্রচার পায়।

Continue Reading

top2

পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণে আগুন, প্রাণ গেল ১৫ নবজাতকের

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালে এয়ার কন্ডিশনারের (এসি) কম্প্রেসর বিস্ফোরণ থেকে আগুন লেগে অন্তত ১৫ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে হাসপাতালের মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য (এমসিএইচ) ওয়ার্ডের নার্সারিতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সময় নার্সারিতে ১৬টি নবজাতক ছিল।

দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, আগুনে ১৪টি শিশু ঘটনাস্থলেই পুড়ে মারা যায়। পরে আহত অবস্থায় আরও একটি শিশুর মৃত্যু হলে মৃতের সংখ্যা ১৫ জনে দাঁড়ায়।

উদ্ধারকর্মীরা জানান, হাসপাতালের তিন তলায় অবস্থিত নার্সারিতে আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানালার কাঁচ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং ঘটনাস্থলে শীতলীকরণের কাজ শুরু করা হয়।

এ ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি আগুন লাগার কারণ ও হাসপাতালের নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের এই পিআইএমএস হাসপাতালেই আদালতের নির্দেশে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়েছিল।

সূত্র: এনডিটিভি

Continue Reading

top1

আশ্রয়প্রার্থীদের প্রায় ২ লাখ ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয় চাইছেন—এমন বিদেশিদের প্রায় ২ লাখ ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক ভিসা বাতিলের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন হবে।

বার্তাসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) বরাতে দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন বিদেশিদের শনাক্ত করা হবে, যারা ব্যবসা বা পর্যটনের মতো স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

এপির হাতে পাওয়া মার্কিন সরকারি নথি ও কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ২ লাখ মানুষের ভিসা বাতিল হতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যু করা বি-১ ও বি-২ ভিসাধারীদের মধ্যে যারা আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয় চাইছেন, তাদের ভিসা বাতিল করা হবে। বি-১ ভিসা সাধারণত ব্যবসায়িক ভ্রমণ এবং বি-২ ভিসা পর্যটনের জন্য দেওয়া হয়।

তবে ভিসা বাতিল করা হলেও এসব ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়া হবে না। যাদের আশ্রয়ের আবেদন বিচারাধীন রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে মূলত ভিসার ধরন পরিবর্তন করা হতে পারে। ফলে তারা আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবেন, তবে ব্যবসা বা পর্যটন ভিসার আওতায় আর থাকবেন না।

ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয়ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগ করে আসছেন। মার্কিন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাও দাবি করেছেন, ‘ভিত্তিহীন আশ্রয়ের আবেদনের’ কারণে দেশটির অভিবাসন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চাপে রয়েছে।

এর আগে চলতি মাসেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল করেছে। নতুন করে প্রায় ২ লাখ ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির পরিধি আরও বাড়বে।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় ফিরে তাঁর প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের পাশাপাশি বৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ কঠোর করেছে। এর মধ্যে ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিলের পাশাপাশি ধরপাকড় ও বহিষ্কার অভিযানও রয়েছে।

তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এসব পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তাদের অভিযোগ, কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনি অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে ভয় ও অনিরাপত্তা তৈরি হয়েছে। এসব নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতেও একাধিক আইনি চ্যালেঞ্জ হয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, এপি

Continue Reading

Trending