Connect with us

top3

বিশ্ব গণমাধ্যমের শিরোনামে খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ

Published

on

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করা এই নেত্রীর প্রয়াণকে বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগের সমাপ্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—কীভাবে তুলনামূলকভাবে অরাজনৈতিক জীবন থেকে উঠে এসে খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন, কীভাবে তার নেতৃত্বে বিএনপি দীর্ঘ সময় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব কীভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতাকে প্রভাবিত করেছে।

রয়টার্স

লন্ডনভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসার পর তিনি ও শেখ হাসিনা পালাক্রমে কয়েক দশক ধরে দেশের শাসনক্ষমতায় ছিলেন। প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলা, কারাবাস এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবিসি

বিবিসি খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক উত্থানের গল্পকে গুরুত্ব দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি তুলে ধরেছে, একসময় গৃহিণী হিসেবে জীবনযাপন করা খালেদা জিয়া ১৯৮১ সালে স্বামী জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ধীরে ধীরে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী নেত্রীতে পরিণত হন।

গার্ডিয়ান

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত মুখ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।

আল জাজিরা

কাতারভিত্তিক আল জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে বাংলাদেশের জন্য একটি শোকের মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, অস্থির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া ছিলেন এমন এক নেতা, যিনি দেশের রাজনীতিতে গভীর ছাপ রেখে গেছেন।

ওয়াশিংটন পোস্ট

মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার দ্বন্দ্বকে বাংলাদেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দুই নেত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েক দশক ধরে দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করেছে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের প্রতিবেদনে খালেদা জিয়াকে বংশানুক্রমিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করেছে। পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে তার দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতা তরুণ দক্ষিণ এশীয় দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনায় বড় ভূমিকা রেখেছে।

ব্লুমবার্গ

নিউ ইয়র্কভিত্তিক ব্লুমবার্গ খালেদা জিয়ার ভূমিকা মূল্যায়ন করেছে সামরিক শাসনের পর গণতন্ত্রে ফেরার প্রক্রিয়ায় একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব হিসেবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি কয়েক দশক ধরে দেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে প্রভাব রেখেছেন।

ডন

পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক ডন তার প্রতিবেদনে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ অসুস্থতা, কারাবাস এবং পরবর্তী সময়ে মুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটও তুলে ধরা হয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শোকবার্তা এবং অতীত কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রসঙ্গ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়।

সামগ্রিক মূল্যায়ন

সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর দৃষ্টিতে খালেদা জিয়ার মৃত্যু কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিদায় নয় বরং এটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি দীর্ঘ ও প্রভাবশালী অধ্যায়ের সমাপ্তি। তার নেতৃত্ব, বিতর্ক, সাফল্য ও সংগ্রাম সবকিছু মিলিয়ে তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় নাম হয়ে থাকবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুবিতে মাতৃত্বকালীন একাডেমিক নীতিমালার দাবিতে ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

‘আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি দেব’- নেপোলিয়নের এই উক্তিকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকরের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে কুবি শাখার জাতীয় ছাত্রশক্তি।

রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় ছাত্রশক্তির কুবি শাখার সংগঠক সৈয়দা নাজিফা নাফিলের নেতৃত্বে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি মাতৃত্ব একজন নারীর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তবে গর্ভকালীন সময় এবং সন্তান জন্মের পর শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক নানা কারণে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ে একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে উপস্থিতির ঘাটতির কারণে অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ইয়ার ড্রপ নেন। এমনকি অনেকের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও বলা হয়, দেশের কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা চালু থাকলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। তাই নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্থায়ী ও শিক্ষার্থীবান্ধব মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিভাগীয় পর্যায়ে তা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

এছাড়া গর্ভাবস্থা ও সন্তান জন্মের পর বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় ৬০ শতাংশের কম উপস্থিতি থাকলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ, উপস্থিতিজনিত জরিমানা মওকুফ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইনকোর্স, মিডটার্ম, অ্যাসাইনমেন্ট ও অন্যান্য একাডেমিক মূল্যায়নে বিকল্প সুযোগ রাখার দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “যেসব শিক্ষার্থী মাতৃত্বকালীন সময়ে একাডেমিক কার্যক্রমে শিথিলতা চায়; তাদের নাম, বিভাগ, রোল এবং কোর্সভিত্তিক সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

Continue Reading

top3

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়েকেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও আন্তঃ অনুষদ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

Published

on

By

রাশেদ হোসেন,জাককানইবি প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জুলাই-আগস্ট শহিদ স্মরণে আন্তঃ অনুষদ ছাত্র ফুটবল প্রতিযোগিতা- ২০২৬ উদ্বোধন করা হয়েছে। মাঠ ও প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

রবিবার(২ আগস্ট) বিকালে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতা ও মাঠের উদ্বোধনীপর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘কথায় আছে- সুস্থ্য দেহ সুস্থ্য মন, তাই দেহ ও মনের সুস্থ্যতার জন্য খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে অন্য অনেক খারাপ কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। বিশ্বে কোন কোন দেশ শুধু খেলার উপরই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমাদের ৫৭ একরের ক্যাম্পাসকে বাড়িয়ে আরও ৭৫ একর অধিগ্রহণের পথে অনেক দূর এগিয়েছি। অধিগ্রহণ করা হলে আমরা সেখানে স্পোর্টস কমপ্লেক্স বানাবো। সেখানে আরও খেলার মাঠসহ, সুইমিংপুলের ব্যবস্থা রাখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা খেলাধুলা করবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তর। তবে আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় দলে খেলার মতো খেলোয়াড় তৈরি করতে। খেলা একই সাথে একে অপরের ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি করে। খেলা একটি টিমওয়ার্ক, দলের একজন খেলোয়াড় একা গোল করতে পারে না, তাকে সকলের সহযোগিতা নিতে হয়।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মোফাছিরুল ইসলাম। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম উদ্বোধনী পর্বের সঞ্চালনা করেন। এসময় বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরর্চচা শিক্ষা দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদের ৬টি দল (ছাত্র) অংশগ্রহণ করছে।

উদ্বোধনী দিনে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং কলা অনুষদ ও চারুকলা অনুষদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ০৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বুধবার একই মাঠে ফাইনাল খেলা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মাঠ ও খেলার উদ্বোধন শেষে মাননীয় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

Continue Reading

top3

সিসিআরটিবি’র উদ্যোগে ইবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

‘ওয়ান ম্যান, ওয়ান প্লান্ট – প্লান্ট টুডে, প্রটেক্ট টমোররো (One Man, One Plant – Plant Today, Protect Tomorrow)’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবেশ রক্ষা ও ক্যাম্পাসকে সবুজায়ন করতে শতাধিক জার্মান প্রজাতির রক্তকাঞ্চন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ট্রাস্ট বাংলাদেশ (সিসিআরটিবি)।

রোববার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনে ও ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ সংলগ্ন এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে শাহ আজিজুর রহমান হল গেট থেকে একটি র‍্যালী বের হয়ে বৃক্ষরোপণের এলাকায় এসে শেষ হয়।

এ সময় সিসিআরটিবি’র সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যরা জানান, সিসিআরটিবি’র এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি চমৎকার আয়োজন। আমাদের এই বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পাস সুসজ্জিত হবে ও দেশের অন্যতম সৌন্দর্যমন্ডিত ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সিসিআরটিবি’র সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, “সিসিআরটিবি স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ভবিষ্যতেও আমরা ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করব।”

উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম বলেন, “একটি গাছ শুধু অক্সিজেনের উৎস নয়, এটি একটি সুস্থ, নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যতের প্রতীক। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য এবং এটি অন্যদেরও পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করবে।”

আরেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, “পরিকল্পিতভাবে সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করে তোলা সম্ভব। কয়েক বছরের মধ্যেই এই সড়কগুলো ফুলে-ফলে সুশোভিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করবে। আমি আশা করি, অন্যান্য ছাত্রসংগঠনও এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগে এগিয়ে আসবে।”

Continue Reading

Trending