Connect with us

আন্তর্জাতিক

ভিসা দেওয়ার আগে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করবে ভারত

Published

on

কুষ্ঠিয়ার মেয়ে আফসারা আনিকা মিম ২০১৮ সালে ভারতের শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগের ছাত্রী হিসেবে ভর্তি হয়েছিলেন। পরের বছর যখন ভারত জুড়ে নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ শুরু হলো, তার কিছুদিন পরই তিনি নিজের ফেসবুকে সহপাঠীদের আন্দোলনের কিছু ছবি শেয়ার করেন।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই ছাত্রীর কাছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিদেশি নাগরিক নথিভুক্তিকরণ বিভাগের (এফআরআরও) চিঠি আসে, সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘ভারত-বিরোধী পোস্ট’ করার জন্য তার ভিসা বাতিল করা হচ্ছে— তাকে অবিলম্বে ভারত ছাড়তে হবে। আনিকার মাথায় কার্যত আকাশ ভেঙে পড়ে, নিজে কোনও বিক্ষোভে অংশ না নেওয়া সত্ত্বেও তাকে যে ভারত ছাড়ার হুকুম দেওয়া হবে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি।  

ওই একই নাগাদ কলকাতার ধর্মতলায় বাংলাদেশি একজন পর্যটক সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভ হচ্ছে দেখে দাঁড়িয়ে পড়েন এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মিলে স্লোগানও দেন। সেই ছবি সোৎসাহে নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করার পর দিনই তা ভারতীয় গোয়েন্দাদের চোখে পড়ে এবং পরদিনই তাকে পত্রপাঠ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

সোশ্যাল মিডিয়া

গত বছরের (২০২৪) আগস্টে আসামের শিলচরে এনআইটি-তে (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) ইলেকট্রনিক ও কমিউনিকেশন্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষের বাংলাদেশি ছাত্রী মাইশা মাহজাবিনকেও প্রায় রাতারাতি করিমগঞ্জের সুতারকান্দি সীমান্ত দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মাইশার অপরাধ ছিল, তিনি কোনও এক বন্ধুর ভারত-বিরোধী পোস্টে ‘হার্ট’ সাইনের ইমোজি দিয়ে সংহতি প্রকাশ করেছিলেন।

আবার একই বছরের সেপ্টেম্বরে চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন বাংলাদেশি পর্যটক মোহাম্মদ আলমগীর। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ভারতে ঢোকার পর থেকেই তিনি নিয়মিত ফেসবুকে ভারতের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে চলেছেন। সেই বিষয়টিতে কেউ বা কারা ভারতের এফআরআরও-র দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তাকেও বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয় ওই চ্যাংড়াবান্ধা দিয়েই।  

ওপরে উল্লিখিত ঘটনাগুলো নেহাত কয়েকটি দৃষ্টান্ত মাত্র। কিন্তু এই ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই ভারত সরকার এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতীয় ভিসার আবেদন করবেন তাদের গত বেশ কয়েক বছরের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট যাচাই-বাছাই করেই ভিসা দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভারত সরকারের একাধিক শীর্ষস্থানীয় সূত্র বাংলা ট্রিবিউনের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

তারা জানাচ্ছেন, আগে যেটা মাত্র কয়েকটি ‘হাতেগোনা বা বিচ্ছিন্ন কেস’ হিসেবে করা হতো, এখন থেকে সেটাই চালু হবে ‘নিয়ম’ হিসেবে।

এখানে বলা যেতে পারে, মার্কিন ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন যেমন গত বেশ কিছুকাল ধরে আবেদনকারীর অন্তত বিগত পাঁচ বছরের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল পরীক্ষা করার নীতি নিয়েছে, ভারতও বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে অবিকল সেই একই মডেল অনুসরণ করতে চাইছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার কথায়, ‘গত বছর দেড়েকে যেভাবে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী কথাবার্তা বলার ধূম পড়েছে, তাতে এটা ছাড়া আমাদের কোনও উপায় ছিল না।’

‘হ্যাঁ, মানছি যে প্রত্যেক বিদেশি নাগরিকের বাকস্বাধীনতার অধিকার আছে, ভারতকে গালিগালাজ করারও নিশ্চয়ই অধিকার আছে— কিন্তু আমাদেরও পাল্টা এই অধিকার আছে যে কাকে ভিসা দেওয়া হবে আর কাকে দেওয়া হবে না, সেটা ঠিক করার’, আরও মন্তব্য করেন তিনি।

গত বছরের আগস্টে শেখ হাসিনার নাটকীয় পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে ভারতের স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। খুব জরুরি কিছু মেডিক্যাল ভিসা ও ইমার্জেন্সি ভিসা ছাড়া ভারত বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া একরকম বন্ধই করে দিয়েছিল বলা চলে।

ইন্ডিয়ান ভিসা এ্যাপ্লিকেশন সেন্টার

কিন্তু এখন ধীরে ধীরে ভিসা দেওয়ার সংখ্যা আবার বাড়ানো হচ্ছে। ঢাকা এবং খুলনা, রাজশাহী, সিলেট ও চট্টগ্রামের মোট পাঁচটি ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে গত কয়েক মাসে আবার রোজ বেশ কয়েকশো করে ভিসা ইস্যু করছে ভারত। যদিও তা আগের পর্যায়ে এখনও আসেনি, কিন্তু এই সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়ছে।

ভারতের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ভিসার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি এটা নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে পড়েছে যে যারা প্রকাশ্যে ভারত-বিরোধী মন্তব্য ও পোস্ট করছেন তাদের যেন ভারতের ভিসা ইস্যু না করা হয়। সে কারণেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত এটাও উল্লেখ করা যেতে পারে, বাংলাদেশ থেকে যে ছাত্রছাত্রীরা আইসিসিআর স্কলারশিপ নিয়ে ভারতে পড়াশুনা করতে আসেন বা সংস্কৃতি, বাণিজ্য, শিক্ষার মতো বিশেষ কিছু ক্যাটেগরিতে ভিসা নিয়ে আসেন— তাদের বেলায় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করার রেওয়াজ অনেকদিন ধরেই আছে। কিন্তু এবারে সেই রীতিটাই সাধারণ ভিসা আবেদনকারীদের জন্যও প্রযোজ্য হবে।

তবে এটাও জানা যাচ্ছে মূলত আঠারো থেকে ষাট বছর বয়সীদেরই এই সোশ্যাল মিডিয়া চেকের আওতায় আনা হবে, ছাড় পাবেন অপ্রাপ্তবয়স্ক ও প্রবীণরা। যারা মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভারতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ও সেই রেকর্ড আছে, তাদেরও রেহাই মিলবে।

মার্কিন ধাঁচে এটাও পরীক্ষা করা হবে, আবেদনকারী নিজের সব পোস্ট ‘পাবলিক’ করে রেখেছেন, নাকি কিছু আড়াল করতে চেয়েছেন।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের এক সাবেক রাষ্ট্রদূত এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘আমি তো মনে করি এই ব্যবস্থা অনেক আগেই চালু করা দরকার ছিল। বাংলাদেশের মাটিতে বসে যারা নিয়মিত ভারতকে গালিগালাজ করেন, তাদের চিনে নেওয়ার এত সহজ একটা হাতিয়ার যখন আছে— ফলে সেটা ব্যবহার করে তারা ভিসার আবেদন করলে সেটা খারিজ করাই উচিত।’

কোভিড মহামারির ঠিক আগেও বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৯ লাখ বা তার বেশি ভিসা ইস্যু করতে ভারত। এখনও ভিসা দেওয়ার হার সেই পর্যায়ে না গেলেও এই বিপুল পরিমাণ আবেদনকারীর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করার মতো লোকবল বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা ভারত সরকারের আছে কি-না, সেই প্রশ্ন অবশ্য রয়েই যাচ্ছে।

তবে ভারতের এক কর্মকর্তা জানাচ্ছেন, ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করে দেওয়া হয়েছে— এবং এজন্য লোকবল ও কারিগরি দক্ষতাও বাড়ানো হচ্ছে। তবে ভারত এ নিয়ে এখনই কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় যেতে চাইছে না সহজবোধ্য কারণেই।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আমি এই কাজ করিনি: হাদি হত্যার আসামি ফয়সাল

Published

on

By

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ জানিয়েছেন, তিনি এ কাজ করেননি এবং এ কাজের সঙ্গে তিনি ছিলেননা।

রোববার (২২ মার্চ) ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হলে তিনি এ কথা জানান।

হাদি হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফয়সাল পরিস্কার জানিয়ে বলেন, ‘আমি এই কাজ করিনি। আমি এ ধরনের কোনো কাজে ছিলাম না।’

এর আগে তাকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবশ্য কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।

গত ৮ মার্চ রাতে হাদি হত্যার অভিযুক্ত দুজন ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেনকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এলাকায় এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।

অভিযুক্তরা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং বনগাঁয় আত্মগোপন ছিলেন। সুযোগ বুঝে ফের তারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টার অপেক্ষায় ছিল বলে এসটিএফ জানায়।

এসটিএফ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার ফয়সাল এবং আলমগীর দুজনেই হাদিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারা দুজনেই মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিল।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে তাদের বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হদি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি প্রচারে নামেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিলে জুমার নামাজের পর প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন ওসমান হাদি। পথিমধ্যে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে চলন্ত মোটর সাইকেল থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এ সময় গুলিতে গুরুতর আহত হন হাদি।

প্রথম ধাপে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেওয়া হয়। এরপর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে তিন দিন চিকিৎসা শেষে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় তাকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর মারা যান হাদি।

পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় ওসমান হাদির মরদেহ। এর পরদিন শনিবার জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে হাদির জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদের পার্শ্বস্থ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

Continue Reading

top1

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে ঈদ

Published

on

By

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আজ শুক্রবার উদ্‌যাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন ও ইরাকে ঈদ উদ্‌যাপন করা হচ্ছে।

শুক্রবার ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে বাসিন্দারা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে সমবেত হন। যুদ্ধের কারণে এবার খোলা ময়দানে ঈদের জামাত হচ্ছে না।

দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট এবং শারজাহর ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী শুধু মসজিদগুলোতে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও তুরস্ক, মালদ্বীপ এবং আফ্রিকার সুদান, জিবুতি, সোমালিয়া, উগান্ডা, নাইজেরিয়া, চাদ, গাম্বিয়া, গিনি, বেনিন, সেনেগাল ও ক্যামেরুন শুক্রবারে ঈদ উদ্‌যাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

Continue Reading

top1

ইরানকে হারাতে অনেক সময় লাগবে : নেতানিয়াহু

Published

on

By

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানকে পরাজিত করতে দীর্ঘ সময় লাগবে এবং এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম।

বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ইরানে শিগগির কোনো গণঅভ্যুত্থান হবে কি না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তিনি মনে করেন, এ ধরনের পরিস্থিতি পুরোপুরি দেশের ভেতরের অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েলি বাহিনী দিনরাত ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এসব হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযান চলতে থাকবে, যতক্ষণ না ইরানকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে টেনে আনেনি। বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব নিরাপত্তা ও স্বার্থের কথা বিবেচনা করেই পদক্ষেপ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই এই সংঘাত শুরু হয় এবং পরে ইরান বিভিন্ন দেশে পাল্টা হামলা চালায়। সূত্র : শাফাক নিউজ

Continue Reading

Trending