Connect with us

top1

ভোটের আগে বিএনপি ও জামায়াত জোটের ব্যবধান মাত্র ০.২০ শতাংশ : আইএলডির জরিপ

Published

on

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে করা এক জরিপে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন দুই জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র উঠে এসেছে। ইনস্টিটিউট ফর লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট (আইএলডি) পরিচালিত এই জরিপে দেখা গেছে, বিএনপি জোটের পক্ষে সমর্থন ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ, আর জামায়াত জোটের পক্ষে ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার। অর্থাৎ দুই জোটের ব্যবধান মাত্র শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ।

সোমাবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

জরিপটি করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

পুরুষদের বিএনপি, নারীদের প্রথম পছন্দ জামায়াত জোট

জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভোটারদের লিঙ্গভেদে রাজনৈতিক পছন্দে পার্থক্য রয়েছে। পুরুষ ভোটারদের মধ্যে বিএনপি জোট এগিয়ে থাকলেও নারীদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি সমর্থন পেয়েছে জামায়াত জোট।

মোট উত্তরদাতার মধ্যে পুরুষ ভোটার ছিলেন ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং নারী ভোটার ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ।

আসনভিত্তিক চিত্র

আসনভিত্তিক পূর্বাভাসে দেখা যায়, ১০৫টি আসনে জামায়াত জোট এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে ১০১টি আসনে এগিয়ে বিএনপি জোট। এ ছাড়া ৭৫টি আসনে দুই জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে জরিপটি।

গবেষকদের মতে, এসব আসনে সামান্য ভোটের ব্যবধানেই ফলাফল পাল্টে যেতে পারে।

আরও দেখুন

রাজনৈতিক সংবাদ

পোষা প্রাণীর খাবার

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

কেন বিএনপি ও জামায়াত জোটকে পছন্দ করছেন ভোটাররা

জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের কাছে রাজনৈতিক পছন্দের কারণও জানতে চাওয়া হয়। বিএনপি জোটকে সমর্থনের পেছনে ভোটাররা সরকারের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার প্রত্যাশা ও অতীত শাসনামলের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন।

অন্যদিকে জামায়াত জোটকে পছন্দ করার কারণ হিসেবে ভোটারদের একটি বড় অংশ নৈতিকতা, সুশাসনের প্রতিশ্রুতি, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

বয়স, শিক্ষা ও ধর্মভিত্তিক অংশগ্রহণ

জরিপে দেখা যায়, ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটার ছিলেন ২৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী ৪১ দশমিক ২৫ শতাংশ, ৪৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ২৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী ভোটার ছিলেন ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।

শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ভোটারদের। ধর্মীয় পরিচয়ে মুসলিম ভোটার ছিলেন ৮৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ, হিন্দু ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং বাকি অংশ বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

জরিপের পদ্ধতি

আইএলডি জানিয়েছে, জরিপটি ছিল জাতীয় পর্যায়ের এবং এতে টু-স্টেজ স্ট্র্যাটিফায়েড র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনকে আলাদা স্ট্র্যাটাম ধরে প্রতিটি আসনের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নমুনা নেওয়া হয়।

প্রতিটি আসনে ১০০ থেকে ৩০০ জন ভোটারের মতামত নেওয়া হয়েছে। সব উপজেলা কাভার করে তথ্য সংগ্রহ করা হয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পরে পোস্ট-স্ট্র্যাটিফিকেশন পদ্ধতিতে তথ্য ভারসাম্য করা হয় এবং মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হয়।

গবেষকদের মতে, এই জরিপ আসন্ন নির্বাচনে ভোটের মাঠে দুই প্রধান জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই সমীকরণ আরও বদলাতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরান কোনোভাবেই মাথা নত করবে না

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে স্কুল ও হাসপাতালে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হামলার কঠোর সমালোচনা করেন।

ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘হাসপাতালে হামলা মানে জীবনের ওপর আঘাত। আর স্কুলে হামলা মানে একটি জাতির ভবিষ্যতের ওপর আঘাত।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অসুস্থ রোগী এবং শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা মানবিক নীতিমালার চরম লঙ্ঘন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বিশ্ববাসীকে এই অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পুরো বিশ্বের উচিত এই বর্বরোচিত কাজের নিন্দা জানানো। ইরান এই ধরনের অপরাধের মুখে চুপ থাকবে না এবং কোনোভাবেই মাথা নত করবে না।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করায় ইরানের পক্ষ থেকে এই কড়া হুঁশিয়ারি এলো।

Continue Reading

top1

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার, অথচ সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। মূলত এই বিশাল ব্যয়বৈষম্যই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্রদের ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ‘শাহেদ’ ড্রোন মজুত আছে। এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫০০ ড্রোন তৈরির সক্ষমতা থাকায় তারা দীর্ঘ সময় এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময় মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছিল, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে তিন থেকে আট বছর সময় লাগে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘আমরা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছি, যা মজুতকে দ্রুত শূন্য করে দিতে পারে।’

প্যাসিফিক ফোরামের উইলিয়াম আলবার্ক জানান, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগে থেকেই কম ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে ইরান যদি ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ট্রাম্পের দেওয়া সময়ের আগেই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন ‘এপিকেডব্লিউএস’ গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আয়রন বিম’ লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবছে। লেজার সিস্টেমে প্রতি শটে খরচ মাত্র কয়েক ডলার হলেও বর্তমানে এর মাত্র এক-দুটি ইউনিট সচল আছে এবং তা কেবল ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডার ইয়াল পিনকো সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত।

Continue Reading

top1

ইরানকে সমর্থন জানাল চীন

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় তেহরানকে সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং। সোমবার (২ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ফোনালাপে তার ইরানি সমকক্ষকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরুর পর দেশটির কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছেন।

এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল, উপসাগরীয় দেশগুলো এবং সাইপ্রাসে একটি ব্রিটিশ ঘাঁটির দিকে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির খবরে বলা হয়, ওয়াং আব্বাস আরাগচিকে জানান, বেইজিং চীন ও ইরানের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দেয়, ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় সমর্থন করে এবং ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় সমর্থন জানায়।

সিসিটিভির উদ্ধৃতি অনুযায়ী ওয়াং বলেন, ‘চীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি এড়াতে এবং সংঘাতকে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া থেকে প্রতিরোধ করতে আহ্বান জানিয়েছে।’

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সোমবারই পৃথক এক ফোনালাপে ওয়াং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ উসকে দিয়ে জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তোলেন।

সিসিটিভির খবরে বলা হয়, ওয়াং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদিকে বলেন, ‘চীন ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখা, শান্তির জন্য প্রচেষ্টা চালানো এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে ইচ্ছুক।’

এ ছাড়া ফ্রান্সের জ্যাঁ-নোয়েল বারোর সঙ্গে আরেকটি ফোনালাপে ওয়াং সতর্ক করেন, বিশ্ব ‘জঙ্গলের আইনে প্রত্যাবর্তনের’ ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান শক্তিগুলো তাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে অন্য দেশগুলোর ওপর ইচ্ছামতো হামলা চালাতে পারে না। ইরানের পারমাণবিক ইস্যুটি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরে আসতে হবে।’

Continue Reading

Trending