Connect with us

top3

ভোট পারফেক্ট করাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ: প্রধান উপদেষ্টা

Published

on

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে। এখন পর্যন্ত প্রস্তুতি পর্ব খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট, উই আর ভেরি হ্যাপি। আমাদের জন্য এখন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে টু মেক ইট পারফেক্ট। ভোটটা যাতে পারফেক্ট হয়, সেটা হচ্ছে আমাদের জন্য এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, কেউ কারো বিরুদ্ধে কটু কথা বলছে না। কোনো অভদ্র আচরণ হচ্ছে না। আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য এটি খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের কাছে তার বক্তব্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, নেক্সট ওয়ান উইক খুবই ক্রুশিয়াল। ভোট উৎসবমুখর হবে। নারীরা আনন্দের সঙ্গে ভোট দেবেন। মানুষ পুরো পরিবার নিয়ে একসঙ্গে ভোট উৎসবে যোগ দেবে। আমি আশা করি এই ভোট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রেস সচিব বলেন, পুলিশকে বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্র, তার মধ্যে ২৫ হাজার ৭শ বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হচ্ছে। এই বডি ক্যামেরা কীভাবে কাজ করছে, আজকের মিটিংয়ে প্রথমেই রেন্ডমলি পাঁচটা জায়গায় প্রধান উপদেষ্টা যারা বডি ক্যামেরা ক্যারি করছিলেন তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপও এখন পুরোপুরি চালু হয়ে গেছে। এই নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপটা শুধু ইউজ করবেন, যারা নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও সিকিউরিটি অফিসার। কোনো নির্বাচন কেন্দ্রে বা নির্বাচন কেন্দ্রের বাইরে যদি গন্ডগোল-গোলযোগ হয়, কোনো ভায়োলেন্স হয়, সেক্ষেত্রে নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে খুব দ্রুত বিভিন্ন সিকিউরিটি ফোর্সের কাছে বার্তা চলে যাবে। রিটার্নিং অফিসারের কাছে বার্তা চলে যাবে। সেন্ট্রালি ইলেকশন কমিশনের কাছে বার্তা চলে যাবে। এর ফলে ইলেকশন কমিশন ও নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ফোর্স, তারা খুব দ্রুত হস্তক্ষেপ করতে পারবে। খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে। এটা হচ্ছে নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আমাদের যখন দুর্গাপূজা হয়েছিল, এরকম একটা অ্যাপ চালু হয়েছিল। তখন দুর্গাপূজার ৩২ হাজার মণ্ডপকে এই অ্যাপের আওতায় আনা হয়েছিল। এটা খুবই পরীক্ষিত এবং এটা খুব ইফেক্টিভলি কাজ করেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

স্পেনের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, নেই রিয়ালের কেউ

Published

on

By

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের ঘোষিত এই দলে সবচেয়ে বড় চমক স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোনো খেলোয়াড় জায়গা পাননি।

দলের আরেকটি বড় আলোচনার বিষয় অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ও ইউরো জয়ী অধিনায়ক আলভারো মোরাতার বাদ পড়া। চলতি মৌসুমে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় তাকে স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউরো ২০২৪-এ দলকে নেতৃত্ব দেওয়া মোরাতার অনুপস্থিতি ফুটবল অঙ্গনে বেশ বিস্ময় তৈরি করেছে।

কোচ দে লা ফুয়েন্তে আক্রমণভাগে নতুন ও তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ দানি কারভাহাল ও জেসুস নাভাসকেও দলে রাখা হয়নি, যা স্কোয়াড নির্বাচনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে ছিটকে গেছেন বার্সেলোনার তরুণ মিডফিল্ডার ফের্মিন লোপেজ। সম্প্রতি হাড়ের চোটে অস্ত্রোপচার হওয়ায় তার বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব হচ্ছে না।

স্পেন দলে ডাক পেলেও ইনজুরির কারণে স্প্যানিশ শিবিরের উদ্বেগ বাড়িয়েছেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। ইয়ামালকে স্কোয়াডে রাখা হলেও কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের উদ্বোধনী ম্যাচে তার খেলা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা রয়েছে। মাঝমাঠে অবশ্য যথারীতি থাকছেন ব্যালন ডি’অর জয়ী রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), গাভি এবং পেদ্রি।

সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতার চেয়ে তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে নতুন রূপে বিশ্বকাপ মিশনে নামছে স্পেন, যা দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্পষ্ট বার্তা বহন করছে।

এক নজরে স্পেনের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড-

গোলকিপার: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া ও জোয়ান গার্সিয়া।

ডিফেন্ডার: মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, পাউ কুবারসি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্কোস ইয়োরেন্তে ও পেড্রো।

মিডফিল্ডার: পেদ্রি, ফ্যাবিয়ান রুইজ, মার্টিন জুবিমেন্ডি, গাভি, রদ্রিগো হার্নান্দেজ (রদ্রি), অ্যালেক্স বায়েনা ও মিকেল মেরিনো।

ফরোয়ার্ড: মিকেল ওয়ারজাবাল, দানি অলমো, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, ফেররান তোরেস, বোর্হা ইগলেসিয়াস, ভিক্টর মুনোজ ও লামিন ইয়ামাল।

আগামী ১৪ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে স্পেন। ‘এইচ’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সৌদি আরব এবং উরুগুয়ে। অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ছাড়াই তরুণ এই দলটি বিশ্বকাপে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়

Continue Reading

top3

বিশ্বকাপ ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরালো ইরান

Published

on

By

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে ইরানের প্রশিক্ষণ ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার টুসন থেকে মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহর তিহুয়ানায় স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে ফিফা। শনিবার এ তথ্য জানান ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ। তিনি উল্লেখ করেন, ইস্তাম্বুলে ফিফা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক এবং শুক্রবার তেহরানে ফিফার মহাসচিব ম্যাটিয়াস গ্রাফস্ট্রমের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনার পর এই অনুমোদন মেলে। যদিও ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে কিছু দিন ধরেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ভিসা জটিলতা। দলের বেশ কয়েকজন সদস্য এখনো ভিসার অপেক্ষায় রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার তারা আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ভিসার আবেদন করতে যান।

ইরানের ফুটবল ফেডারেশন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ফিফার কাছে ১০ দফা শর্তের একটি তালিকা পেশ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম দাবি হলো-ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রদান করা। তবে এই বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরানের সাধারণ খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হলেও, আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়তে পারেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানের খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হবে, তবে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধার মুখে পড়তে পারেন। এদিকে মেহদি তাজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিহুয়ানা থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে মাত্র ৫৫ মিনিটের ফ্লাইটে যাওয়া যাবে, যা টুসনের তুলনায় অনেক সুবিধাজনক।

সূচি অনুযায়ী ইরান ১৬ জুন নিউজিল্যান্ড ও ২২ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং ২৭ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামবে। বর্তমানে ইরান দলটি দক্ষিণ তুরস্কের আনতালিয়ায় বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ১১ জুন শুরু হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ, যা যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো

Continue Reading

top3

স্বপ্নের বিশ্বকাপে এবারই প্রথম খেলবে যে চার দেশ

Published

on

By

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো দেখা যাবে চার নতুন দলকে। ফুটবল বিশ্বের পরিচিত শক্তিগুলোর বাইরে উঠে আসা এই দেশগুলো হলো কুরাসাও, উজবেকিস্তান, জর্ডান ও কেপ ভার্দে। দীর্ঘ অপেক্ষা, ব্যর্থতা আর ধারাবাহিক উন্নয়নের পর অবশেষে বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে দেশগুলো।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে চান্স পাওয়া দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও। মাত্র দেড় লাখ জনসংখ্যার দেশটির আয়তন ১৭১ বর্গমাইল, যা ঢাকা শহরের চেয়েও সামান্য বড়। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ইতিহাসের অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ হিসেবেও নাম লেখাতে যাচ্ছে তারা।

জামাইকার বিপক্ষে ড্র করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে কুরাসাও। একসময় ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫০-এর নিচে থাকা দলটি এখন উঠে এসেছে ৮০-এর ঘরে। ছোট্ট দেশটির এই উত্থান ফুটবল বিশ্বে নতুন অনুপ্রেরণার গল্প হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে এশিয়ার উজবেকিস্তানও। এর আগে ২০০৬ জার্মানি ও ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের বাছাইয়ে খুব কাছাকাছি গিয়েও মূল আসরের টিকিট হাতছাড়া হয়েছিল তাদের। তবে এবার আর হতাশ হতে হয়নি উজবেকদের। বর্তমান দলে থাকা কয়েকজন প্রতিভাবান ফুটবলারের পারফরম্যান্সে ভর করেই তারা ইতিহাস গড়েছে।

কারা জিতবে ২০২৬ বিশ্বকাপ জানালেন টানা তিনবার সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী দেওয়া সেই অর্থনীতিবিদ

এশিয়ার আরেক প্রতিনিধি জর্ডান। প্রায় ৪০ বছর আগে প্রথমবার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অংশ নিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। এরপর টানা নয়বার ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে মিলেছে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। এএফসি বাছাইয়ের গ্রুপ ‘বি’ থেকে রানার্সআপ হয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে জর্ডান।

অন্যদিকে আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দেও জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বকাপের মূল আসরে। প্রায় ছয় লাখ জনসংখ্যার দেশটির এই অর্জন হঠাৎ করে আসেনি। ১৯৯০ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অংশ নেওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে নিজেদের ফুটবল কাঠামো শক্তিশালী করেছে তারা।

কেপ ভার্দের উন্নয়নের অন্যতম কৌশল ছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী কেপ ভার্দে বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের জাতীয় দলে যুক্ত করা। বর্তমান স্কোয়াডেও রয়েছে নানা দেশের সংযোগ। দলে আছেন নেদারল্যান্ডসে জন্ম নেওয়া ছয়জন ফুটবলার। এছাড়া আয়ারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া একজন ডিফেন্ডারও রয়েছেন দলে। মজার বিষয় হলো, কেপ ভার্দে ফুটবল কর্তৃপক্ষ রবার্তকে লিংকডইনের মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছিল।

বিশ্বকাপের এবারের আসরে এই চার নতুন দলের অংশগ্রহণ ফুটবলে বৈচিত্র্য ও নতুন সম্ভাবনার বার্তাই দিচ্ছে। ছোট দেশ কিংবা দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা— সব বাধা পেরিয়ে তারাও যে বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিতে পারে, সেটিই প্রমাণ করল কুরাসাও, উজবেকিস্তান, জর্ডান ও কেপ ভার্দে।

Continue Reading

Trending