Connect with us

top3

মধ্যরাতে অবরুদ্ধ সারজিস আলম, এলাকায় উত্তেজনা

Published

on

পঞ্চগড়ে এনসিপি পৌর শাখার সদস্যসচিব আমিনুর রহমান নিলুর কাছে চাঁদাবাজি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি আমিনুর রহমান নিলুর বাড়িতে যান। এ সময় স্থানীয়রা ভোটকে কেন্দ্র করে সেখানে টাকার বস্তা থাকার অভিযোগ তুলে সারজিস আলমকে ঘিরে ধরে প্রশ্ন করেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় সারজিস আলম নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে পুনরায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরেন এবং প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার কথা জানান।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সারজিস আলম বলেন, এনসিপির পঞ্চগড় পৌর শাখার সদস্যসচিব আমিনুর রহমান নিলু চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন। আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিচ্ছি। চাঁদাবাজির পক্ষে সব প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কিছু ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। সময়ই এর সাক্ষী হবে। এভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে ধীরে ধীরে ফ্যাসিবাদ তৈরি হয়। আমরা কারও কাছ থেকে রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক আচরণ প্রত্যাশা করি না। মূলধারার গণমাধ্যমের উচিত সত্য তুলে ধরা।

একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এবং আবার স্বৈরাচার তৈরি হলে এর পরিণতি ভালো হবে না।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মাংসাশী বৃহদাকার ডাইনোসরের হাত কেন এতো ছোট ছিলো?

Published

on

By

খাবারের সন্ধানে ছুটে চলা কিংবা শিকারকে বাগে আনা; সবকিছুতেই বনের পশুদের প্রধান ভরসা তাদের শক্তিশালী থাবা। কিন্তু কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে দাপিয়ে বেড়ানো প্রকাণ্ড ডাইনোসর ‘টাইরানোসরাস রেক্স’ বা টি-রেক্সের ক্ষেত্রে গল্পটা ছিল একদম উল্টো।

প্রায় ৪০ ফুট লম্বা ও বিশাল দেহের অধিকারী এই মাংসাশী প্রাণীর হাত দুটো ছিল মাত্র ৩ ফুটের মতো, যা তাদের শরীরের তুলনায় বড্ড বেমানান। টি-রেক্সের এই পুঁচকে হাত নিয়ে বিজ্ঞানী মহলে যেমন এক শতাব্দিরও বেশি সময় ধরে বিতর্ক চলেছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও এটি রসিকতার খোরাক জুগিয়েছে।

তবে এবার বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, তারা হয়তো অবশেষে এই রহস্যের জট খুলতে পেরেছেন।
সম্প্রতি ‘প্রোসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, টি-রেক্সের হাত ছোট হওয়ার পেছনে দায়ী আসলে তাদের শরীরের অন্য একটি অংশ, যা সময়ের সাথে সাথে আরও বড় ও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। আর সেটি হলো তাদের বিশাল মাথার খুলি।

বিজ্ঞানীরা একে বিবর্তনের একটি চমৎকার ‘বোঝাপড়া’ বা বিনিময় হিসেবে দেখছেন।

সহজ কথায়, কোনো একটি অঙ্গকে অতিরিক্ত শক্তিশালী করতে গিয়ে প্রকৃতি অন্য একটি অঙ্গের বিকাশ থামিয়ে দিয়েছে।
গবেষণাটির প্রধান লেখক এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের আর্থ সায়েন্সেস বিভাগের গবেষক চার্লি রজার শেরার জানান, বিবর্তনের নিয়ম হলো সব অঙ্গ একসঙ্গে সমানভাবে বাড়ে না। টি-রেক্সের মতো ডাইনোসররা যখন বড় বড় শিকারকে কাবু করার জন্য তাদের মাথা ও শক্তিশালী চোয়ালকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করল, তখন তাদের হাতের ব্যবহার অনেকটাই কমে গেল। ফলে বিবর্তনের ধারায় হাত দুটো সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং সেই বেঁচে যাওয়া শক্তি ও পুষ্টি জমা হতে থাকে মাথার খুলি ও চোয়ালকে আরও মজবুত করার কাজে।

এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে গবেষকরা ৮৫ প্রজাতির ডাইনোসরের ফসিল ও কঙ্কালের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। তারা ডাইনোসরদের কামড়ের জোর এবং মাথার খুলির হাড়ের গঠন মেপে দেখার একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি করেন। পরীক্ষায় দেখা যায়, টি-রেক্সের মাথার খুলির শক্তি ছিল সবচেয়ে বেশি, আর সেই কারণেই তাদের হাত সবচেয়ে ছোট হয়ে গিয়েছিল। শুধু টি-রেক্সই নয়, গবেষণায় আরও চার শ্রেণির মাংসাশী ডাইনোসরের মধ্যে হুবহু একই প্রবণতা দেখা গেছে। প্রজাতিগুলো একে অপরের চেয়ে আলাদা হলেও এবং পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তে বাস করলেও, শক্তিশালী মাথার কারণে তাদের সবারই হাত ছোট হয়ে এসেছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টি-রেক্স আসলে ছিল ডাঙার এক বিশাল হাঙরের মতো, যে তার সমস্ত কাজ সারত মাথা দিয়ে। শিকার ধরা থেকে শুরু করে তাকে মেরে ফেলা; সবখানেই হাতের কাজটা দখল করে নিয়েছিল দানবীয় চোয়াল। তবে হাতগুলো ছোট হলেও তা একেবারে অকেজো ছিল না বলেই ধারণা গবেষকদের। শিকারকে চেপে ধরা কিংবা মিলনের সময় সঙ্গীকে আকৃষ্ট করতে হয়তো এর ভিন্ন কোনো ব্যবহার ছিল, যা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে।

সূত্র: সিএনএন

Continue Reading

top3

স্পেনের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, নেই রিয়ালের কেউ

Published

on

By

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের ঘোষিত এই দলে সবচেয়ে বড় চমক স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোনো খেলোয়াড় জায়গা পাননি।

দলের আরেকটি বড় আলোচনার বিষয় অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ও ইউরো জয়ী অধিনায়ক আলভারো মোরাতার বাদ পড়া। চলতি মৌসুমে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় তাকে স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউরো ২০২৪-এ দলকে নেতৃত্ব দেওয়া মোরাতার অনুপস্থিতি ফুটবল অঙ্গনে বেশ বিস্ময় তৈরি করেছে।

কোচ দে লা ফুয়েন্তে আক্রমণভাগে নতুন ও তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ দানি কারভাহাল ও জেসুস নাভাসকেও দলে রাখা হয়নি, যা স্কোয়াড নির্বাচনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে ছিটকে গেছেন বার্সেলোনার তরুণ মিডফিল্ডার ফের্মিন লোপেজ। সম্প্রতি হাড়ের চোটে অস্ত্রোপচার হওয়ায় তার বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব হচ্ছে না।

স্পেন দলে ডাক পেলেও ইনজুরির কারণে স্প্যানিশ শিবিরের উদ্বেগ বাড়িয়েছেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। ইয়ামালকে স্কোয়াডে রাখা হলেও কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের উদ্বোধনী ম্যাচে তার খেলা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা রয়েছে। মাঝমাঠে অবশ্য যথারীতি থাকছেন ব্যালন ডি’অর জয়ী রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), গাভি এবং পেদ্রি।

সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতার চেয়ে তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে নতুন রূপে বিশ্বকাপ মিশনে নামছে স্পেন, যা দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্পষ্ট বার্তা বহন করছে।

এক নজরে স্পেনের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড-

গোলকিপার: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া ও জোয়ান গার্সিয়া।

ডিফেন্ডার: মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, পাউ কুবারসি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্কোস ইয়োরেন্তে ও পেড্রো।

মিডফিল্ডার: পেদ্রি, ফ্যাবিয়ান রুইজ, মার্টিন জুবিমেন্ডি, গাভি, রদ্রিগো হার্নান্দেজ (রদ্রি), অ্যালেক্স বায়েনা ও মিকেল মেরিনো।

ফরোয়ার্ড: মিকেল ওয়ারজাবাল, দানি অলমো, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, ফেররান তোরেস, বোর্হা ইগলেসিয়াস, ভিক্টর মুনোজ ও লামিন ইয়ামাল।

আগামী ১৪ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে স্পেন। ‘এইচ’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সৌদি আরব এবং উরুগুয়ে। অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ছাড়াই তরুণ এই দলটি বিশ্বকাপে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়

Continue Reading

top3

বিশ্বকাপ ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরালো ইরান

Published

on

By

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে ইরানের প্রশিক্ষণ ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার টুসন থেকে মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহর তিহুয়ানায় স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে ফিফা। শনিবার এ তথ্য জানান ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ। তিনি উল্লেখ করেন, ইস্তাম্বুলে ফিফা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক এবং শুক্রবার তেহরানে ফিফার মহাসচিব ম্যাটিয়াস গ্রাফস্ট্রমের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনার পর এই অনুমোদন মেলে। যদিও ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে কিছু দিন ধরেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ভিসা জটিলতা। দলের বেশ কয়েকজন সদস্য এখনো ভিসার অপেক্ষায় রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার তারা আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ভিসার আবেদন করতে যান।

ইরানের ফুটবল ফেডারেশন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ফিফার কাছে ১০ দফা শর্তের একটি তালিকা পেশ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম দাবি হলো-ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রদান করা। তবে এই বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরানের সাধারণ খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হলেও, আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়তে পারেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানের খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হবে, তবে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধার মুখে পড়তে পারেন। এদিকে মেহদি তাজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিহুয়ানা থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে মাত্র ৫৫ মিনিটের ফ্লাইটে যাওয়া যাবে, যা টুসনের তুলনায় অনেক সুবিধাজনক।

সূচি অনুযায়ী ইরান ১৬ জুন নিউজিল্যান্ড ও ২২ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং ২৭ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামবে। বর্তমানে ইরান দলটি দক্ষিণ তুরস্কের আনতালিয়ায় বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ১১ জুন শুরু হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ, যা যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো

Continue Reading

Trending