Connect with us

top1

যৌতুক মামলায় আইনজীবী-আসামিকে মারধোর

Published

on

আদালত প্রতিবেদক

ঢাকার সিএমএম আদালতে যৌতুক মামলায় অভিযোগ গঠনের পর আসামি ও তাঁর আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন যৌতুক নিরোধ আইনের মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। বাদী ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান আসামি আবির ইবনে হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগ গঠনের পর আসামিকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর আইনজীবী মেহেদী হাসান আদালত থেকে বের হওয়ার সময় আগে থেকে অবস্থান নেওয়া ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ। বাদীনির বাবা হুমায়ুন কবির ও মামা মো. আশরাফুল আলম খানের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী হারুন অর রশিদ দাবি করেন।

তিনি জানান, হামলাকারীরা আসামি ও তাঁর আইনজীবীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে আইনজীবীর পোশাকও ছিঁড়ে ফেলা হয়। তাঁদের চিৎকার শুনে আশপাশের আইনজীবী ও অন্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীদের কয়েকজন পালিয়ে যান। কয়েকজনকে আইনজীবীরা আটক করে আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যান। পরে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

হামলায় আহত আইনজীবী মেহেদী হাসান ও আসামি আবির ইবনে হারুনকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী আইনজীবী মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমাকে অযথা মেরেছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বাদীপক্ষের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সম্পর্ক থাকায় হামলার পরও তিনি কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেননি। একই সঙ্গে আইনজীবীদের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত আইনজীবী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান তিনি।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদিনীর কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন আসামি। দাবিকৃত টাকা না দিলে তাঁকে বাসায় নেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়। এ অভিযোগে গত ৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন বাদী।

এ বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খান বলেন, আইনজীবীকে মারধরের বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সমাধান হয়ে গেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

গুচ্ছের ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী- আগামী বছরের ১৯ মার্চ এ পরীক্ষা শুরু হবে। এবার গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গুচ্ছ ভর্তি কমিটির এক সভায় এ তারিখ নির্ধারণ হয়। সভা শেষে এবারের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৯ মার্চ, ২০২৭, ‘সি’ ও ‘ডি’ ভর্তি পরীক্ষা ২০ মার্চ, ২০২৭ এবং ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ মার্চ, ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি আবেদন ও অন্যান্য তথ্য পরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

গত বছর গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

গুচ্ছে থাকা ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

এদিকে, কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আগের বছর যে ২০ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তিতে ছিল, তারা সবাই এবারও থাকবেন। ২০টির সঙ্গে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তিতে যুক্ত হতে পারে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যুক্ত করা হতে পারে।’

যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় যে তিন বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ ভর্তিপ্রক্রিয়ায় ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছে নতুন তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলো হলো-বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি এখনো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় গুচ্ছে যুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হবে।

Continue Reading

top1

ইরানের বিরুদ্ধে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে বড় ধরনের সিদ্ধান্তের মুখে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ভবিষ্যৎ সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তার সামনে একটি বড় সিদ্ধান্ত রয়েছে।

নিজের কৌশল সম্পর্কে অনিশ্চয়তার কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো কিছু ঘটতে পারে এবং সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছে। তার দাবি, তেহরান একটি সমঝোতা বা চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।

ট্রাম্পের এসব বক্তব্যের মাধ্যমে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Continue Reading

top1

চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু, আপত্তি ভারতের

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

চীন ও পাকিস্তান তাদের অভিন্ন সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু করেছে। বুধবার ইসলামাবাদে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে ভারত।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ, বাণিজ্যিক চলাচল এবং দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত ও সমুদ্রবিষয়ক বিভাগের উপমহাপরিচালক লি ইয়া এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের চীনবিষয়ক মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর কমিশন চালুকে দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের ভাষ্য, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও যৌথ জরিপের পাশাপাশি বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত চুক্তির ভিত্তিতে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। ওই চুক্তির ৪৫ নম্বর অনুচ্ছেদে সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন তদারকিতে একটি যৌথ কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছিল।

নতুন কমিশনের আওতায় সীমান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিদর্শন, যৌথ জরিপ, সীমান্তচিহ্ন-সংক্রান্ত সমস্যা এবং সীমান্ত পারাপারের অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে। সীমান্তে বিভিন্ন ঘটনা মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগের ক্ষেত্রেও কমিশনটি কাজ করবে।

চীন-পাকিস্তান বাণিজ্য ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ খুনজেরাব সীমান্ত এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও এই সহযোগিতার আওতায় রয়েছে। তবে এটি ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির আওতায় গঠিত তৎকালীন যৌথ সীমান্ত নির্ধারণ কমিশন থেকে পৃথক।

কমিশন চালুর পর ভারত এর বিরোধিতা করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নয়াদিল্লির অবস্থান এ বিষয়ে ‘স্পষ্ট ও ধারাবাহিক’। তার দাবি, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে এমন কোনো সীমান্ত নেই এবং তথাকথিত যৌথ কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তাই ভারত কমিশনটি প্রত্যাখ্যান করছে।

ভারত ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির বৈধতাও স্বীকার করে না। নয়াদিল্লির দাবি, ওই চুক্তির আওতাভুক্ত কিছু অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখের অংশ। একই সঙ্গে সিপিইসির একটি অংশ বিতর্কিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গেছে বলেও ভারত আপত্তি জানিয়ে আসছে।

জয়সওয়াল বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ। ভারতের ভূখণ্ড নিয়ে পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশের পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের অবস্থান অনুযায়ী, ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তি তারা কখনো স্বীকৃতি দেয়নি এবং এটিকে অবৈধ ও অকার্যকর বলে মনে করে। দখলকৃত অঞ্চলের অবস্থান পরিবর্তন কিংবা ওই নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টারও বিরোধিতা করবে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

Continue Reading

Trending