Connect with us

top1

রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ দুই স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার মধ্যে একজনের মৃত্যু

Published

on

রাজধানীর ফার্মগেটে স্টার হোটেলের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন নামে আরেকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) পান্থপথ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, মুসাব্বিরকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা ৫টি গুলি করেছে। তার পেটে গুলি লেগেছে। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি সাহপাতালে নেওয়া হলেও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন চিকিৎসক।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এডিসি ফজলুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুজনকে গুলি করা হয়েছে। আজিজুর রহমান মোসাব্বির মারা গেছেন।

এর আগে, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করেন মোটরসাইকেলে থাকা ফয়সাল করিম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। 

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলঘোষণা

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বাচনে ২০৯টি আসন বিএনপি, ৬৮টি জামায়াত, এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামি আন্দোলন ১টি, খেলাফত মজলিস ১টি, গণসংহতি ১টি, বিজেপি ১টি, গণঅধিকার ১টি, স্বতন্ত্র ৭টি আসনে জয় লাভ করেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। এই দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের ফলাফল আগেই স্থগিত করা হয়।

আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনে মোট ভোট দিয়েছে ৫৯. ৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ প্রদান করেছে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে ‘হ্যা’ ভোট দিয়েছে চার কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ এবং ‘না’ ভোট দিয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে ২৯৯টি আসনের গণভোট গণনা করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ২টি আসনে ফলাফল আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সেখানকার প্রার্থীদের ভোট হিসেব করা হয়নি। আর আদালতের বাধা না থাকায় সেখানকার গণভোটের হিসেব করা হয়েছে। আর একটি আসনে নির্বাচন হয়নি।

Continue Reading

top1

সারাদেশে গড়ে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে: ইসি

Published

on

By

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে গড়ে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

তিনি জানান যে, ২৯৯টি সংসদীয় আসনে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার একটি ইতিবাচক মাইলফলক হিসেবে দেখছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট স্থগিত রাখা হলেও বাকি আসনগুলোর মধ্যে ইতিমধ্যে ২৯৭টির বেসরকারি ফলাফল হাতে এসেছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে রয়েছে এবং তারা ২০০টিরও বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দ্বিতীয় এবং জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি) তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এবারই প্রথমবারের মতো ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’ বা রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৭২ শতাংশ ভোটার এই সংস্কার চার্টারের পক্ষে তাদের রায় দিয়েছেন। নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছিল।

বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পর্যবেক্ষণ শেষে সামগ্রিকভাবে ‘সন্তোষজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গতকাল সকালে ভোট প্রদানের পর দিনটিকে ‘নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন, যা জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সার্থকতা পেয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দীর্ঘ ১৮ মাস রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দীর্ঘ দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা এবং প্রযুক্তিগত কঠোর নজরদারির কারণে বড় কোনো কারচুপির অভিযোগ ছাড়াই এবারের ভোট সম্পন্ন হয়েছে।

ইসি সচিব আশা প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি আসনগুলোর ফলাফল ও প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নতুন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভোটারদের এই সরব উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে মানুষ একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য কতটা উন্মুখ ছিল।

Continue Reading

top1

খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের ২৪টিতে দাঁড়িপাল্লা ১২টিতে ধানের শীষ জয়ী

Published

on

By

খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে ২৪টি আসনে দাঁড়িপাল্লা এবং ১২টিতে ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সারা দিন ভোটগ্রহণের পর রাতে পাওয়া বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

নিচে ফলাফল দেওয়া হলো:

কুষ্টিয়া-১ : বাচ্চু মোল্লা (ধানের শীষ)

কুষ্টিয়া-২ : আব্দুল গফুর (দাঁড়িপাল্লা)

কুষ্টিয়া -৩ : আমির হামজা (দাঁড়িপাল্লা)

কুষ্টিয়া-৪ : আফজাল হোসেন (দাঁড়িপাল্লা)

মেহেরপুর-১: তাজউদ্দীন খান (দাঁড়িপাল্লা)

মেহেরপুর-২: নাজমুল হুদা (দাঁড়িপাল্লা)

চুয়াডাঙ্গা-১ : মাসুদ পারভেজ (দাঁড়িপাল্লা)

চুয়াডাঙ্গা-২: রুহুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা)

ঝিনাইদহ-১: আসাদুজ্জামান (ধানের শীষ)

ঝিনাইদহ-২ : আবু বকর (দাঁড়িপাল্লা)

ঝিনাইদহ-৩ : মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা)

ঝিনাইদহ-৪ : আবু তালিব (দাঁড়িপাল্লা)

সাতক্ষীরা-১ : ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা)

সাতক্ষীরা-২: আব্দুল খালেক (দাঁড়িপাল্লা)

সাতক্ষীরা-৩: রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা)

সাতক্ষীরা-৪: নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা)

খুলনা-১: আমির এজাজ (ধানের শীষ) 

খুলনা-২: জাহাঙ্গীর হুসাইন (দাঁড়িপাল্লা )

খুলনা-৩: রকিবুল ইসলাম বকুল (ধানের শীষ)

খুলনা-৪: আজিজুল বারি হেলাল (ধানের শীষ)

খুলনা-৫: আলি আজগার লবি (ধানের শীষ)

খুলনা-৬:আবুল কালাম আজাদ (দাঁড়িপাল্লা)

বাগেরহাট-১: মশিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা)

বাগেরহাট-২: মনজুরুল হক (দাঁড়িপাল্লা)

বাগেরহাট-৩: ফরিদুল ইসলাম (ধানের শীষ)

বাগেরহাট-৪: আব্দুল আলীম (দাঁড়িপাল্লা)

মাগুরা-১: মনোয়ার হোসেন খান (ধানের শীষ)

মাগুরা-২: নিতাই রায় (ধানের শীষ)

নড়াইল-১: জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ)

নড়াইল -২: আতাউর রহমান ( দাঁড়িপাল্লা)

যশোর-১: আজীজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা)

যশোর-২: মোসলেউদ্দিন ফরিদ (দাঁড়িপাল্লা)

যশোর-৩: অনিন্দ্য ইসলাম (ধানের শীষ)

যশোর-৪: গোলাম রসুল (দাঁড়িপাল্লা)

যশোর-৫: এনামুল হক (দাঁড়িপাল্লা)

যশোর-৬: মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা)

Continue Reading

Trending