Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবিতে ৯ম বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ছাত্রদের নোবেল’ খ্যাত হাল্ট প্রাইজ

Published

on

রাবি প্রতিনিধি :
নবমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শুরু হতে যাচ্ছে ছাত্রদের নোবেল পুরস্কার খ্যাত হাল্ট প্রাইজ (২০২৫-২৬)। হাল্ট ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে রেজিষ্ট্রেশন শুরু হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজী ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান হাল্ট প্রাইজের উপদেষ্টা সপ্নীল রহমান। তিনি বলেন, ‘হাল্ট প্রাইজ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তারা সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে টেকসই সমাধান তৈরি করতে শেখে।’

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘এখানে শিক্ষার্থীরা দলগত কাজ, নেতৃত্ব, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরার বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেন।’

সংবাদ সম্মেলনে হাল্ট প্রাইজের আসন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন হাল্ট প্রাইজের উপদেষ্টা সপ্নীল রহমান। তিনি বলেন,’আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি, যার মধ্যে ‘প্রজেক্ট পদচিহ্ন’ অন্যতম। এতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি এবং নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ক একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রতিযোগিতাটি মোট তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে- Abstract Submission- যেখানে অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের আইডিয়ার সংক্ষিপ্ত উপস্থাপন জমা দেবে, Video Submission- যেখানে নির্বাচিত দলগুলো তাদের আইডিয়াকে ভিডিও ফরম্যাটে উপস্থাপন করবে। এরপর চুড়ান্ত ধাপে অর্থাৎ Grand Finale যেখানে সেরা দলগুলো সরাসরি উপস্থাপনার মাধ্যমে বিচারকদের সামনে নিজেদের প্রকল্প উপস্থাপন করবে।

লিখিত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও কমিউনিটির উপকারিতা তুলে ধরে ডেপুটি ডিরেক্টর জামিল খন্দকার বলেন, Hult Prize রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শিক্ষার্থীরা দল পরিচালনা, পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।
স্থানীয় সামাজিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী হবে এবং শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে।

এবছরের হাল্ট প্রাইজের থিম হলো “Unlimited SDGs (Unlimited Sustainable Development Goals)”। এই থিমের মূল লক্ষ্য সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই সমাধান তৈরির জন্য একটি বাস্তবভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেলে রূপান্তর।

হাল্ট প্রাইজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিসিডিসি)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রোগ্রামে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে Visa Republic Centre-Study Abroad (VRC Study Abroad) এবং পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর হিসেবে রয়েছে খান তেহারি ঘর।এছাড়াও সহযোগী পার্টনার হিসেবে রয়েছে- Bengal signature,Biko।

নবম হাল্ট প্রাইজ আয়োজনের জন্য ৪২ সদস্যবিশিষ্ট অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পাস ডিরেক্টর নাজিফা তাবাসসুম ধমনী,ডেপুটি ডিরেক্টর প্রাঞ্জল দাশ, আবদুল্লাহ ফারুক, জামিল খন্দকার এবং হাল্ট প্রাইজের উপদেষ্টা স্বপ্নীল রহমান ও অন্যান্য সদস্যরা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

অনাথ আশ্রমের শিশুদের স্বনির্ভর করতে কুবি শিক্ষার্থীদের ‘আলোর ক্যানভাস’

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী

সহায়তার পরিবর্তে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে অনাথ শিশুদের স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম ‘আলোর ক্যানভাস’। কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং ভবিষ্যতে আয়মুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

‘আলোর ক্যানভাস’ প্লাটফর্মটি নিয়ে কাজ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ কাউছার, সামিউল ইসলাম সজীব, নুসরাত তাহসিন, সামিয়া খান ও আরমান আরিফ এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একই বিভাগের হোসাইন ঠাকুর।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সাময়িক সহানুভূতির পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের স্বনির্ভর করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে পেশাদার শিল্পীদের মাধ্যমে নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শিশুদের আঁকা ছবিগুলো পরিমার্জন করে প্রদর্শনী ও বাজারজাতের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফ্রেম, ওয়াল আর্ট এবং বিভিন্ন ক্রাফট পণ্যে রূপ দিয়ে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রশিক্ষণের শুরু থেকেই শিশুদের সৃজনশীলতা প্রশিক্ষকদের মুগ্ধ করেছে। রঙ ও তুলির আঁচড়ে তারা প্রকৃতি, স্বপ্ন, পরিবার এবং নিজেদের অনুভূতি ফুটিয়ে তুলছে। অনেকের ছবিতে উঠে এসেছে পাহাড়, নদী, পাখি, গ্রামবাংলা ও সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

সংগঠনের সদস্যরা জানান, আর্থিক সংকট বা পারিবারিক অভাব কোনো শিশুর প্রতিভা বিকাশের পথে বাধা হওয়া উচিত নয়। সঠিক প্রশিক্ষণ, দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংগঠনটির কো-ফাউন্ডার ফরহাদ কাউছার বলেন, “তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষা এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যেই আমরা ‘আলোর ক্যানভাস’ নামে একটি তরুণনির্ভর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছি। আমাদের প্রথম উদ্যোগ শুরু হয়েছে কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে। সুযোগের অভাবে তাদের অনেক সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায় না। আমরা তাদের সেই প্রতিভাকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকশিত করে স্বনির্ভর করে তুলতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে তারা নিজেদের দক্ষতাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে শিশুদের আর্ট ও পেইন্টিং শেখানো হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের আঁকা ছবিগুলো ফ্রেম, ওয়াল আর্ট ও অন্যান্য ক্রাফট পণ্যে রূপ দিয়ে বাজারজাত করা হবে। এসব থেকে অর্জিত সম্পূর্ণ মুনাফা শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতেও আমরা কাজ করছি। আমাদের প্রত্যাশা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এই শিশুরা একদিন একটি সুন্দর ও স্বনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

কুবি নারী শিক্ষার্থীর বাসায় চুরি, স্বর্ণসহ নগদ টাকা লুট

Published

on

By


সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক নারী শিক্ষার্থীর ভাড়া বাসায় দরজার তালা ভেঙে প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৩০ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে নগরীর রেইসকোর্স এলাকার মফিজউদ্দিন রোডের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি টিউশনে ছিলেন। তার মা মাগরিব নামাজের আগে বাসা থেকে বের হন। পাশের বাসার এক বাসিন্দা এসে তাদের বাসার দরজার তালা ভাঙা এবং ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। একই সঙ্গে পাশের বাসার দরজাও বাইরে থেকে আটকানো ছিল। পরে তিনি ফোনে বিষয়টি জানালে তারা বাসায় ফিরে চুরির ঘটনা নিশ্চিত হন।

ভুক্তভোগী ফার্মেসী বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বাসায় এসে দেখি আলমারির তালা ভাঙা। সেখান থেকে প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। বাবা-মা কেউ বাসায় ছিলেন না। আমার অনেক কষ্টের টাকায় কেনা স্বর্ণও ছিল, কিছুই রেখে যায়নি।”

সুমাইয়া আরও জানান, ঘরে থাকা মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস অক্ষত ছিল। দুর্বৃত্তরা শুধু স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ নিয়ে গেছে।

জানা গেছে, বাসাটিতে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। নিজেদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এখনো আইনগত ব্যবস্থা নেননি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার। তবে শিগগিরই এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

জাককানইবিতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে খন্দকার নাজমুল হাসান

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক খন্দকার নাজমুল হাসান। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

একই সঙ্গে শারীরিক অসুস্থতা ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকায় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে আদেশটি জারি করেন উপ-রেজিস্ট্রার নার্সির উদ্দীন।

অফিস আদেশে বলা হয়, অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ এবং দীর্ঘমেয়াদি ছুটিতে চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং রেজিস্ট্রার দপ্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে খন্দকার নাজমুল হাসানকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিধি অনুযায়ী দায়িত্ব ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Continue Reading

Trending