Connect with us

ক্যাম্পাস

শাবিতে প্রক্টরদের হাত থেকে পালিয়ে গেল মাদক সরবরাহকারী

Published

on

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক এক মাদক সরবরাহকারী প্রক্টরদের হাত থেকে পালিয়ে গেছেন। এ সময় তার ফেলে যাওয়া মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড, চারটি ইয়াবা, দুই পুঁটলি গাঁজা ও একটি পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তি বরিশাল জেলার সৌরভ হাসান (২৪)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে এম জামাল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের অধীনে অস্থায়ী নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন বলে জানা।গেছে।

নিরাপত্তাকর্মী ও প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় প্রধান ফটক এলাকায় নিরাপত্তাকর্মীরা ইয়াবা ও গাঁজাসহ সৌরবকে আরও তিনজনের সঙ্গে আটক করেন। পরে বিষয়টি প্রক্টরদের জানানো হলে চারজনকে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়।

প্রক্টর অফিসে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সৌরভ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক সেবনকারী ও সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের তথ্য দেন বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের আটক করতে তাকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প এলাকায় যান প্রক্টররা।

সেখানে পৌঁছানোর পর প্রক্টরদের কাছ থেকে অভিযুক্ত পালিয়ে যান। এ সময় তিনি সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড, চারটি ইয়াবা, দুই পুঁটলি গাঁজা ও পরিচয়পত্র ফেলে যান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো বেলাল হোসাইন শিকদার বলেন, “নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে প্রতিদিনের মতো সেদিনও আমরা টহল দিচ্ছিলাম। প্রধান ফটকে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা মাদকসহ কয়েকজনকে আটক করার খবর দিলে আমরা সেখানে যাই। পরে মাদক সরবরাহকারীকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি।”

এসময় “জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও কয়েকজনের তথ্য দিলে তাদের ধরতে তাকে সঙ্গে নিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে সে পালিয়ে যায়। তবে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, ইয়াবা ও গাঁজা রেখে যায়। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে উদ্ধার করা জিনিসগুলো তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলা হয়েছে।”

তবে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ (ওসি) শামসুল হাবিব বলেন, “অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। চারটি ইয়াবা, দুই পুঁটলি গাঁজা, একটি মোবাইল ফোন ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে আটকের জন্য আমাদের অভিযান ও চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

শাবিপ্রবিতে স্পোর্টস সাস্টের চ্যারিটি ফুটবল, চ্যাম্পিয়ন মুজতবা আলী হল

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) স্পোর্টস সাস্টের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাসিস্ট ফর আশরাফুল চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ফাইনালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল উইজার্ডসকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সৈয়দ মুজতবা আলী হল।

রোববার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে দুই দল সমতায় থাকায় ম্যাচের ফলাফল পেনাল্টি শুটআউটে নির্ধারিত হয়। সেখানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল উইজার্ডসকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে সৈয়দ মুজতবা আলী হল।

আয়োজকরা জানান, গত ১৭ আগস্ট শুরু হওয়া এ টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি দল অংশগ্রহণ করে। পুরো প্রতিযোগিতায় মোট ৮৯টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর ইন্ডাস্ট্রিয়াল উইজার্ডস ও সৈয়দ মুজতবা আলী হল ফাইনালে ওঠে।

ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মুজতবা আলী হলের প্রভোস্ট আশরাফ সিদ্দিকী, বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট আ ফ ম জাকারিয়া এবং স্পোর্টস সাস্টের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম খেলোয়াড়, আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। শিক্ষার্থীদের এমন ইতিবাচক ও মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্টটি শুধু প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল মানবিক সহায়তার একটি মহৎ উদ্দেশ্য। ফলে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষণা করেন স্পোর্টস সাস্টের ২১তম নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইমাম হোসেন নয়ন। টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করা সব ব্যক্তি, দল, খেলোয়াড় ও আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

Continue Reading

top2

আড়াই বছর ধরে শূন্য উপ-উপাচার্য, যোগ দেননি নতুন ট্রেজারার

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) প্রায় আড়াই বছর ধরে উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) পদটি শূন্য রয়েছে।

২০২৪ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনার চার বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ পদে আর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়টি এখনো এ পদে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত।

শুধু উপ-উপাচার্য নয়, দীর্ঘদিন শূন্য থাকার পর নতুন ট্রেজারার নিয়োগ দেওয়া হলেও নিয়োগের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেননি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ২০২০ সালের ১০ মার্চ জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনাকে চার বছরের জন্য বেরোবির প্রথম উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে প্রায় আড়াই বছর ধরে পদটি শূন্য রয়েছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৯-এর ১২(১) ধারায় বলা হয়েছে, আচার্য প্রয়োজনবোধে তাঁর নির্ধারিত শর্তে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা জানান, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোয় উপ-উপাচার্য পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা, একাডেমিক কার্যক্রমের তদারকি, বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী কমিটির সমন্বয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপ-উপাচার্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন পদটি শূন্য থাকায় এসব দায়িত্বের বড় একটি অংশ উপাচার্য ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

এদিকে প্রায় দুই বছর ট্রেজারার পদ শূন্য থাকার পর গত ২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে বেরোবির ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি।

বেরোবির সর্বশেষ ট্রেজারার ছিলেন অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমদ। তিনি ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে প্রায় দুই বছর পদটি শূন্য ছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন ট্রেজারার নিয়োগ হলেও তাঁর যোগদান না করায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ। একটি পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকা এবং অন্য পদে নিয়োগের পরও দায়িত্ব গ্রহণ না হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। দ্রুত উপ-উপাচার্য নিয়োগ এবং নতুন ট্রেজারারের দায়িত্ব গ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক কার্যক্রমে আরও গতি আসবে বলে মনে করছেন তারা।

যোগদানের বিষয়ে নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার বলেন, এক মাসে আগে যেমন ছিল এখনো তেমনি আছে। আর এ বিষয়ে আমার কাছে নতুন কোন তথ্য নাই। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তারা হয়তো সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।”

এ বিষয়ে বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “প্রো-ভিসির নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো আপডেট নেই। এ নিয়োগ আমার হাতে নয়। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। আর ট্রেজারারের জন্য আমরা চেয়েছিলাম এবং নিয়োগও পেয়েছিলাম। তবে বিভিন্ন কারণে সে এখনো যোগদান করতে পারে নাই।

Continue Reading

top3

বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা বার্তা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) -এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জিয়া পরিষদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শাখা সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামের যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

যৌথ বিবৃতি সূত্রে জানা যায় হয়, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটায় ঢাকার রমনা রেস্তোরায় জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা প্রদান করেন। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির স্থলে স্বাধীনচেতা মনোভাব, ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস, ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত জাতি গঠনের বাস্তবমুখী দর্শন এবং শহিদ জিয়ার সততা ও দেশপ্রেম অল্পসময়ে দলটিকে বিপুল জনপ্রিয় করে তোলে।

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যার পর নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসক হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে। দলের এই দুর্দিনে সদ্য বিধবা বেগম খালেদা জিয়া সিনিয়র নেতৃবৃন্দের অনুরোধে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। অতঃপর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ ০৯ বছরের আপসহীন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়। ১৯৯১ সালের নজিরবিহীন অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয় বার এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বার বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হয়।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীগণ রাজপথে সক্রিয় অবস্থান ধরে রাখেন। দীর্ঘ স্বৈরশাসন, সীমাহীন লুটপাট ও দেশকে ভারতের সেবাদাসে পরিণত করায় ভেতরে ভেতরে ফুঁসতে থাকে মানুষ।

পরিশেষে ২০২৪-এর জুলাই মাসের প্রথম দিকে ছাত্র আন্দোলন দিয়ে শুরু হয়ে শেষদিকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং বিজয় আসে ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতার এই বিপ্লবের নেপথ্যে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জননেতা তারেক রহমানের সার্বক্ষণিক নির্দেশনায় বিএনপি, ছাত্রদলসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনসমূহের রক্তাক্ত অংশগ্রহণে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন নিশ্চিত হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে হাসিনার মিথ্যা মামলা প্রকল্পের ভিকটিমরা মুক্তি পান। মুক্তি পান আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কিন্তু কোটি মানুষকে শোকে ভাসিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ফ্যাসিবাদমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার অবর্তমানে দলের দায়িত্বভার অর্পিত হয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের উপরে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নির্বাসন থেকে ফিরে জনগণের অভুতপূর্ব সমর্থন ও ভালবাসায় সিক্ত হন তারেক রহমান। তার যুগোপযোগী নেতৃত্বে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও সহযোগীগণ দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে।

গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, সংগ্রাম, সাফল্য আর আধিপত্যবাদ বিরোধী ঐতিহ্যের এই দীর্ঘ পথ চলায় জননেতা তারেক রহমানসহ বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও দেশের আপামর জনসাধারণকে জিয়া পরিষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয় সংগ্রামী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

Continue Reading

Trending