Connect with us

রাজনীতি

স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, বিএনপির ১৮ নেতা বহিষ্কার

Published

on

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে নোয়াখালীতে বিএনপির ১৮ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমানের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন সেনবাগ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী এবং বিএনপি নেতা ড. নজরুল ইসলাম ফারুক।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো জানান, এর আগের দিন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বহিষ্কৃত অন্য নেতারা হলেন: অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো. সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী জাফর, শাহেদুল করিম মারুফ, মাস্টার দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বাবলু, রেজাউল হক হেলাল, তাজুল ইসলাম রতন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন কমিশনার এবং শহীদ উল্যাহ হেলাল।

বহিষ্কার প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী বলেন, তারা দলের বিরুদ্ধে নন, বরং একজন প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার দাবি, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তবে বহিষ্কারের বিষয়ে এখনো লিখিত কোনো নোটিশ পাননি বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বহিষ্কার কার্যকর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাবেন, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান বলেন, তিনি দল ভাঙার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। যারা তার পাশে রয়েছেন, তারা এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা থেকেই সমর্থন দিচ্ছেন। তিনি কাউকে দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙতে উৎসাহ দেননি বলেও দাবি করেন।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি একই আসনে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করায় সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি একটি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতির পদ স্থগিত এবং একটি কলেজ ছাত্রদলের সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

নোয়াখালী-২ আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেনবাগ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার আংশিক তিনটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজার ৮১ জন। এখানে মোট ভোটকেন্দ্র ১১১টি এবং ভোটকক্ষ ৭০০টি, যার মধ্যে ২২টি অস্থায়ী ও ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে ভোটারদের নগদ টাকা বিতরণের সময় আটক ২

Published

on

By

দিনাজপুরের বিরামপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোটারদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণের সময় জামায়াতে ইসলামের দুই কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় পৌর শহরের চকপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। ‎

আটককৃতরা হলেন- বিরামপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের প্রফেসর পাড়া মহল্লার আজিম উদ্দীনের ছেলে নুরুল আমিন ইমন (৩৫) এবং চকপাড়া (পাহানপাড়া) গ্রামের গাব্রিয়েল মন্ডলের ছেলে সেতু মন্ডল (৩৪)।

খবর পেয়ে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লিয়াকত আলী সেখ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুজনকে আটক করে বিরামপুর থানায় সোপর্দ করেন।

আটককৃত দুজন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোটারদের নগদ টাকা বিতরণের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিরামপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, ভোটারদের মাঝে যাতায়াতের টাকা বিতরণের সময় জামায়াতে ইসলামীর দুজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, ভোটের দিন সকাল ৭টার দিকে আটক দুজন বিরামপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ফিশারি অফিসসংলগ্ন চকপাড়া কল্যাণপুর গ্রামে প্রবেশ করে আদিবাসীপাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় ভোটারদের মাঝে গোপনে ভোটার প্রতি ৫০ টাকা করে বিতরণ করছিলেন। এ সময় স্থানীয়রা টাকাসহ তাদের হাতেনাতে আটক করে প্রশাসনকে অবহিত করেন।

Continue Reading

top2

নারায়ণগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ–৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ৩টা ২০মিনিটে সোনারগাঁয়ের মেঘনা শিল্প এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

এজেন্ট বের করে দেওয়া ও জাল ভোটের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি।

অধ্যাপক রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, তার নির্বাচনী এজেন্টদের একাধিক কেন্দ্র থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়া হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে ভোটারদের মতামত প্রতিফলিত হচ্ছে না।

অবিলম্বে এ নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানান অধ্যাপক রেজাউল করিম

Continue Reading

top3

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক গণভোটে ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী সারাদেশে গড়ে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ভোটগ্রহণ দিনের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন।

ইসি সচিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সারাদেশের ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রে গড়ে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। কোথাও ভোটগ্রহণ বন্ধ করার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।’

তিনি আরও জানান, সারাদেশের ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলছে, যা বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে গণনা কার্যক্রম শুরু হবে।

এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই। অধিকাংশ কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হচ্ছে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। ভোটের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়মিত বিরতিতে গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Continue Reading

Trending