Connect with us

ক্যাম্পাস

বিএনপিতে যোগদানের কারণ জানালেন জাকসু ভিপি জিতু

Published

on

আগামীর রাষ্ট্র বিনির্মাণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভূমিকার প্রতি আস্থার কথা তুলে ধরে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবদুর রশিদ জিতু। এ সময় তিনি দলটির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক লড়াইয়ের কথাও উল্লেখ করেন। 

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন ভিপি আবদুর রশিদ। 

তিনি লেখেন, বাংলাদেশ আজ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও গনঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই রাষ্ট্র বারবার নতুন করে নিজের পথ খুঁজে নিয়েছে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান এই ধারাবাহিক সংগ্রাম আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে অন্যায়, দমন-পীড়ন ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থাকতে হয়। এই ঐতিহাসিক চেতনাই আমার রাজনৈতিক বিশ্বাসের মূল ভিত্তি।

স্ট্যাটাসে আবদুর রশিদ লেখেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ ও সাহসী গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং আজ দেশনায়ক তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী ভিশন আমাকে গভীরভাবে আশাবাদী করে।’ 

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার এক ঐতিহাসিক শক্তি। একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে বিএনপি ঐতিহাসিকভাবে অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে।’

আবদুর রশিদ তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, এই বিশ্বাস ও দায়বদ্ধতা থেকেই আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতির বিস্তৃত পরিসরে জনগণের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করা এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে ছাত্রসমাজ ও তরুণদের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখাই আমার প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, আমি প্রত্যাশা করি, আগামীর বাংলাদেশ হবে গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র। সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণের সংগ্রামে সততা, সাহস ও দায়বদ্ধতা নিয়ে আমি আমার ভূমিকা পালন করতে চাই। পাশাপাশি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে আস্থা, প্রত্যাশা  নিয়ে আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেছেন, সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষায় আমি অবিচল থাকবো। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার, যৌক্তিক দাবি এবং গণতান্ত্রিক স্বার্থ আদায়ে সর্বদা সোচ্চার ও সচেষ্ট থাকবো ইনশাআল্লাহ।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আবদুর রশিদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সহসভাপতি পদে বিজয়ী হন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য ছিলেন এবং আল-বেরুনী হল ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী ছিলেন। পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরুতে তিনি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। পরে সমন্বয়ক পদ থেকে সরে গিয়ে ‘গণ-অভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলন’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন এবং এর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষা নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ববিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির মানববন্ধন

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির প্রগতিবাদে  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নাম্বার গেটের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধননে ছাত্রশক্তির নেতারা মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক মনে করেন এবং দ্রুত এই পদক্ষেপ থেকে সরকারকে সরে আসার জন্য অনুরোধ জানান৷

মানববন্ধনে ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক শহিদুল ইসলাম শাহেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশক্তির আরো কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম ওয়াহিদুর রহমান বলেন, “সরকারি তৃতীয়  ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইবা বোর্ডে পঞ্চাশ শতাংশ মার্ক নির্ধারণ করার মাধ্যমে দলীয় পোষ্য ক্যাডার এবং লেজুর ভিত্তিক যত কর্মী আছে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়ার এক নীল নকশা চলছে। যার ফলে আমাদের চব্বিশ এর কোটা আন্দোলন ব্যর্থ হতে চলছে। এই স্বার্থপরী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি আমরা চাই দেশের সাধারণ মানুষও এই নীল নকশার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাক।”

এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “আমরা দেখতে পেলাম গত নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করার পরে সকল জেলা ও উপজেলায় দলীয় প্রশাসক নিয়োগ করলো। আর এখন সরকারি চাকরিতেও দলীয়করণের চেষ্টা। যেখানে একজন গরীব ছাত্র পড়াশোনা শেষ করে জীবিকা নির্বাহ করবে সেখানে যদি আপনি দলীয়করণ করা শুরু করে দেন তাহলে তা আওয়ামী লীগের কোটা পন্থার চেয়েও ভয়াবহ। এটা কারের সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত। সরকারের উচিত এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা, যদি বিবেচনা না করে তাহলে চব্বিশে যেমন আমরা মাঠে নেমেছি তেমন মাঠে নামতে বাধ্য হব।”

উল্লেখ্য, গত ৬ই সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রথম বারের মত দেশের সব বিভাগেই অনুষ্ঠিত হবে রাবি ভর্তি পরীক্ষা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে এবার বরিশাল বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের মোট আটটি বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বরিশাল বিভাগ বাদ পড়লেও পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো দেশের সব বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ​’বাইরে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক শিক্ষককে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠাতে হয়। বরিশাল বিভাগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এবং আমাদের যেন শিক্ষক সংকট না হয়, সে কথা বিবেচনা করে প্রথমে বরিশাল বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপির ভিত্তিতে তাদের ভোগান্তি কমাতে বরিশালকেও অন্তর্ভুক্ত করে দেশের সব বিভাগেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।’

​পরবর্তী বছরে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য,  ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে রাবির স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা  আগামী ৮, ৯ ও ১৬ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


Continue Reading

top3

রাবি আইবিএস-এর সিনিয়র ফেলো হলেন প্রফেসর ড সুলতানা মোসতাফা খানম

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশে উচ্চতর গবেষণার একমাত্র কেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (আইবিএস)-এর সিনিয়র ফেলো হিসাবে যোগদান করেছেন প্রফেসর ড সুলতানা মোসতাফা খানম। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর হতে ২০২৩ সালে অবসরপ্রাপ্ত হন এবং ২০২৫ এর এপ্রিল হতে ২০২৬ এর জুলাই পর্যন্ত বিভাগে সুপার নিউ মারারি প্রফেসর হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে সত্তরের দশকে আই বি এস প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাত্র দুইজন এই পদটি প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করেন। তারা হলেন ইতিহাসবিদ প্রফেরস আব্দুল করিম এবং অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সনৎ কুমার সাহা।

গত ১৩ আগস্ট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৮তম সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক ড. সুলতানা মোস্তফা খানমকে আইবিএসের সিনিয়র ফেলো হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

প্রফেসর ড সুলতানা ১৯৮২ সালে রাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগ হতে স্নাতক এবং ১৯৮৩ সালে এম এ সম্পন্ন করেন। এরপর একই বিভাগে ১৯৮৭ সালে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথ স্কলারশীপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের কীল বিশ্ববিদ্যালয় হতে মেডিকেল সোসিওলজিতে পি এইচ ডি ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ২০০৪ সালে তিনি কমনওয়েলথ ফেলোশীপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট ডক সম্পন্ন করেন।

তিনি ২০০১ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ইউনিটে এবং ২০০৩ সালে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভিজিটিং স্টাফ হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে হায়ার এডুকেশন লিঙ্ক প্রোগ্রাম স্থাপন করেন এবং ফেলোশীপ নিয়ে পোস্ট ডক প্রোগ্রামে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত লিঙ্ক প্রোগামের কো অর্ডিনেটর এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বাংলাদেশ সরকারের কয়েকটা মন্ত্রণালয়ে পরামর্শক (কন্সাল্ট্যান্ট) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া ডিএফআইডি, ইউএনডিপি, নোরাড, ডব্লিউএফপি, কেয়ার, বিশ্ব ব্যাংক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশনের অর্থায়নে পরিচালিত তার গবেষণা প্রকল্পের সংখ্যা ১৮ টি।

তিনি এরিয়া রিভিউ প্যানেল, এইচইকিউইপি, বিশ্বব্যাংক/ ইউজিসি, বাংলাদেশ শাখার সদস্য এবং ইউজিসির গবেষণা ও প্রকাশনা মূল্যায়ন কমিটি, বাংলাদেশর সদস্য রূপে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানেও তিনি ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশ স্টাডিজ-এর জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ড’র সদস্য।

তিনি কয়েক দফায় ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ এ সহযোগী শিক্ষক হিসাবেও কর্মরত ছিলেন। তিনি দুই দফায় বিভাগের বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার তত্ত্বাবধানে ১২ জন পিএইচডি ফেলো এবং ৭ জন এম ফিল ফেলো তাদের গবেষণা কাজ পরিচালনা করেছেন। তার আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৩৫ টির অধিক। তিনি রাজশাহী সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং কয়েকটা ভলেন্টিয়ার অরগানাইজেশনের সদস্য।

এ বিষয়ে আইবিএসের পরিচালক প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, সিনিয়র ফেলো হিসেবে মূলত, যারা রিটায়ার্ড শিক্ষক আছেন, যারা গবেষণায় ভালো করেছেন, গবেষণা বেশি এমন মানুষকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। এর আগে আশির দশকে একজন আমিরিকান স্কোলারও এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

Continue Reading

Trending