Connect with us

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালির আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করল ইরান

Published

on

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি আকাশসীমায় লাইভ-ফায়ার সামরিক মহড়ার জন্য নোটিশ টু এয়ারমেন (নোটাম) জারি করেছে ইরান। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালির আশপাশে লাইভ-ফায়ার কার্যক্রম চালানো হবে। এই কার্যক্রম চলবে ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। ঘোষিত এলাকায় পাঁচ নটিক্যাল মাইল ব্যাসার্ধের একটি বৃত্তাকার অঞ্চলে আকাশসীমা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত অঞ্চলে ভূমি থেকে শুরু করে ২৫ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার ফোর্সেস সেন্ট্রাল (এএফসেন্ট) জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিনব্যাপী একটি প্রস্তুতি মহড়া পরিচালনা করবে। এই মহড়ার উদ্দেশ্য দ্রুত সেনা মোতায়েন ও রসদ সরবরাহ সক্ষমতা প্রদর্শন করা।

ওয়াশিংটন আগেই জানিয়েছে, তেহরানের সঙ্গে উত্তেজনার ক্ষেত্রে সামরিক পদক্ষেপসহ সব ধরনের বিকল্পই বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। এর জবাবে ইরানের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো হামলার জবাব হবে দ্রুত ও সর্বাত্মক।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, সে কারণে অঞ্চলটিতে যে কোনো সামরিক তৎপরতা আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

এপস্টেইনের সঙ্গে কাটানো প্রতি মুহূর্তের জন্য ক্ষমা চাই : বিল গেটস

Published

on

By

জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত গোপন নথির সাম্প্রতিক প্রকাশ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। গত কয়েকদিন ধরে চলা বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অবশেষে নীরবতা ভেঙেছেন তিনি। 

স্থানীয় সময় বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অস্ট্রেলীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘নাইন নিউজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গেটস বলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে পরিচয় হওয়া তার জীবনের অন্যতম বড় ভুল এবং তিনি এজন্য গভীরভাবে অনুতপ্ত। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

এপস্টেইন ফাইলসে অভিযোগ উঠেছে, বিল গেটস ‘রুশ তরুণীদের’ সংস্পর্শে আসার পর তার স্ত্রী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসের কাছে একটি যৌনবাহিত রোগের (এসটিডি) কথা গোপন করেছিলেন। এমনকি এপস্টেইন ২০১৩ সালে একটি ইমেইলে দাবি করেছিলেন, গেটস গোপনে মেলিন্ডাকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিলেন যাতে তিনি সংক্রমিত না হন।

এই অভিযোগগুলোকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্ভট’ বলে উড়িয়ে দিয়ে ৭০ বছর বয়সী বিল গেটস বলেন, ‘এপস্টেইন সম্ভবত নিজের কাছেই একটি ইমেইল লিখেছিলেন যা কখনো পাঠানো হয়নি। তিনি কেন এমনটা করেছিলেন আমি জানি না। হয়তো তিনি আমাকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছিলেন। এপস্টেইনের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তের জন্য আমি অনুতপ্ত এবং ক্ষমা চাইছি।’

এদিকে গত মঙ্গলবার এনপিআরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস তাদের ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ২০২১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। মেলিন্ডা জানান, এপস্টেইনের সঙ্গে তার সাবেক স্বামীর বন্ধুত্ব ছিল তাদের সম্পর্কের অন্যতম অন্ধকার দিক। তিনি বলেন, এসব তথ্য যখন সামনে আসে, তখন আমার দাম্পত্য জীবনের অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক কিছু স্মৃতি ফিরে আসে। সেই ‘নোংরামি’ থেকে দূরে থাকতে পেরে আমি এখন অনেক সুখী। 

বিল গেটসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে মেলিন্ডা স্পষ্ট করে বলেন, এসব প্রশ্নের উত্তর বিল গেটসকেই দিতে হবে, আমি না। 

এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে বিল গেটসের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সরব হয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারাও। সাউথ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান ন্যান্সি মেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, তিনি হাউজ ওভারসাইট কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কোমারকে চিঠি লিখেছেন যেন বিল গেটসকে তলব করা হয়। এর আগে বিল ও হিলারি ক্লিনটনও এই কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিতে সম্মত হয়েছেন।

২০১৯ সালে জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যুর পর ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও তার প্রভাবশালী বন্ধুদের তালিকা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত এখনও থামেনি। বিল গেটস দাবি করেছেন, তিনি কেবল বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতে অনুদান সংগ্রহের লক্ষ্যেই এপস্টেইনের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তবে কখনও তার ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি।

Continue Reading

top3

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন জাহাজকে ধাওয়া ইরানি গানবোটের

Published

on

হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের সময় মার্কিন পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজকে ইরানের সশস্ত্র নৌযান ধাওয়া দিয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড টেক। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ঘটনাটি ঘটার পর জাহাজটি গতি বাড়িয়ে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলে যায়।

ভ্যানগার্ড টেকের বরাতে আল অ্যারাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টেনা ইম্পেরেটিভ নামের ট্যাঙ্কারটি ওমানের উত্তর দিকে প্রায় ১৬ নটিক্যাল মাইল (৩০ কিলোমিটার) দূরে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) তিন জোড়া ছোট সশস্ত্র নৌযানের মুখোমুখি হয়।

গানবোটগুলো রেডিও বার্তায় জাহাজটির ক্যাপ্টেনকে ইঞ্জিন বন্ধ করে তল্লাশির জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেয়। তবে ট্যাঙ্কারটি গতি বাড়িয়ে নিজস্ব পথ বজায় রাখে এবং ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করেনি বলে জানানো হয়। ভ্যানগার্ড টেক আরও জানায়, বর্তমানে জাহাজটি একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজের নিরাপত্তা পাহারায় রয়েছে।

এর আগে ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও ঘটনাটির কথা জানালেও সংশ্লিষ্ট জাহাজ বা নৌযানের জাতীয়তা উল্লেখ করেনি। অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত বার্তা সংস্থা ফার্স জাহাজটির জাতীয়তা উল্লেখ না করে দাবি করেছে, একটি জাহাজ অবৈধভাবে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করেছিল। তখন ইরানি ইউনিটগুলো জাহাজটিকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র প্রদর্শনের আহ্বান জানায়।

ফার্সের ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজটির এসব জলসীমায় থাকার কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না। সতর্ক করার পরই এটি ইরানি জলসীমা ত্যাগ করে। বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে অতীতেও একাধিক উত্তেজনাকর ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি আইআরজিসির নৌবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দেন যে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ চালালে এই প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

তিন দিনে বেলুচিস্তানে ২২ সেনা ও ১৯৭ সশস্ত্র সন্ত্রাসীর মৃত্যু

Published

on

By

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে টানা তিন দিনের নিরাপত্তা অভিযানে ১৯৭ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে ২২ পাকিস্তানি সেনা শহীদ হয়েছেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্র। খবর জিও নিউজের।

নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, গত সপ্তাহান্তে বেলুচিস্তানের ১২টি এলাকায় একযোগে সন্ত্রাসী হামলার পর এই অভিযান চালানো হয়। হামলাগুলোয় কোয়েটা, মাসতুং, নুশকি, দালবন্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, তুম্প, গ্বাদর ও পাসনিসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করা হয়।

সূত্র অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ৩৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। একই সঙ্গে ২২ সেনা ও নিরাপত্তা সদস্য প্রাণ হারান।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানায়, হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে ব্যাপক তল্লাশি ও পরিষ্কার অভিযান শুরু করে। এসব অভিযানে আত্মঘাতী হামলাকারীসহ বহু সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়।

আইএসপিআর দাবি করেছে, এসব হামলার পেছনে বিদেশ থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক জড়িত ছিল এবং তাদের লক্ষ্য ছিল বেলুচিস্তানে স্বাভাবিক জীবন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) বেলুচিস্তানে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে অন্যান্য প্রদেশের শ্রমিক ও বিদেশি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।

সুত্র : জিও নিউজ

Continue Reading

Trending