Connect with us

top3

হাতিয়ায় বিএনপি–এনসিপির সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ২০

Published

on

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজারে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন গিয়ে এনসিপির নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ এমপি বিরোধীপক্ষের বাঁধার মুখে পড়েন বলে দাবি করেছেন তার সমর্থকরা। পরে এই নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ ঘটনার পর নিজের ওপর হামলার অভিযোগ এনে প্রকল্প বাজার সড়কে বসে বিক্ষোভ করেন নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদসহ তার সমর্থকরা। অপরদিকে আব্দুল হান্নান মাসউদের সমর্থকেরা চানন্দি ইউনিয়নে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করেছেন বলে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা পাল্টা অভিযোগ করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছেন পুলিশ।‌

এ ঘটনায় হাতিয়া থানার উপপরিদর্শক(এস আই) শহীদুল আলমসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের সময় এনসিপির কর্মীদের বেশকিছু মোটরসাইকেল ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে এনসিপির কর্মীরা স্থানীয় বিএনপির অফিস দোকান, গাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

আব্দুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেন, নির্বাচনী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে দেখতে ওই এলাকায় গেলে বেলাল মাঝির নেতৃত্বে তার অনুসারী ও বিএনপির কর্মীরা এক হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তার বহু নেতাকর্মী আহত হওয়ার পাশাপাশি অনেক গুলো মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে চানন্দী ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, আব্দুল হান্নান মাসুদের উস্কানিমূলক বক্তব্যের পর তার কর্মীরা বিএনপির অফিস ভাঙচুর করেছে, মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে, দোকানে হামলা করেছে এবং বিএনপির কর্মীদেরকে আহত করেছে।

হাতিয়া থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

শাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের নামে নবীন শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর অভিনয়ে বাধ্য করার অভিযোগ

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছয় সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নবীন শিক্ষার্থীদের আটকে রেখে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে নবীন শিক্ষার্থীদের দিয়ে অশালীন অভিনয় ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণে বাধ্য করার মতো ঘটনা।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হলসংলগ্ন বড়গুল রিপন ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম বর্ষের চার শিক্ষার্থীকে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রেখে বিভিন্ন ধরনের র‌্যাগিং দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাদের নাচ, কান্নার অভিনয় এবং বিভিন্ন অশালীন কবিতা আবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। এমনকি একজন শিক্ষার্থীকে চেয়ারকে মেয়ে কল্পনা করে আপত্তিকর অভিনয় করতেও বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

অভিযুক্ত ছয় শিক্ষার্থী হলেন—২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের গোলজার, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অর্থনীতি বিভাগের সোলাইমান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের সাব্বির, একই শিক্ষাবর্ষের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের মারুফ ও আবু রায়হান এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তীব্র।

অন্যদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের। তারা সমুদ্রবিজ্ঞান, শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, একজন সিনিয়র শিক্ষার্থীর জন্মদিন উপলক্ষে তাদের সঙ্গে বসার কথা বলে ডেকে নেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন ধরনের অভিনয় ও অশালীন আচরণে বাধ্য করা হয়। একজন শিক্ষার্থী জানান, তাকে চেয়ারকে মেয়ে কল্পনা করে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কবিতার তালে অভিনয় করতে বাধ্য করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কয়েকজন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। আবু রায়হান দাবি করেন, তিনি সেখানে উপস্থিত থাকলেও অভিযোগে উল্লেখ করা কিছু কাজ অন্যরা করেছেন। আরেক অভিযুক্ত মারুফ বলেন, ‘আমাদের নিজেদের ঘটনা নিজেরা সমাধান করে নিয়েছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক বেলাল হোসেন শিকদার জানান, অভিযোগটি তাদের কাছে এসেছে এবং বিষয়টি নিয়ে বসে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top3

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ-সমাবেশ

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুর নগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান। সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল। এতে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হকসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ টি এম আজম খান বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যে এমন ধারণা পাওয়া যায় যে রংপুরের মানুষ বিএনপির পরিবর্তে জাতীয় পার্টি বা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ায় এ অঞ্চল কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য রংপুরবাসীর রাজনৈতিক সচেতনতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সাংবিধানিক অধিকারকে খাটো করে।

তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হবে, সেটি জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দের সম্পর্ক তৈরি করা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের দায়িত্ব দল-মতনির্বিশেষে দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রংপুরের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।

সমাবেশ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক আনুগত্যের সঙ্গে উন্নয়নকে যুক্ত না করে রংপুরের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে মন্তব্য করেন। তার ওই বক্তব্যের পর রংপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে রংপুরে জামায়াতের ১১ জন সংসদ সদস্য সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তারা বলেন, রংপুরের মানুষ কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন, সেটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে কোনো অঞ্চলের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দকে শর্তযুক্ত করা যাবে না।

Continue Reading

top3

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ভাঙন, ক্ষতিগ্রস্ত শত শত পানচাষি

Published

on

By

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় নদীতীরবর্তী প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে। এতে ফসলি জমি, পানবরজ, কলাবাগান ও স্থানীয়দের একমাত্র শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত বছর থেকে এ পর্যন্ত নদীভাঙনে প্রায় ৯৫০ বিঘা ফসলি জমি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহৃত একমাত্র শ্মশানঘাট বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে শত শত পানচাষির প্রায় ৫ হাজার পিলি পানবরজ এবং ১০০ বিঘা কলাবাগান নদীতে ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় গত চার-পাঁচ দিন ধরে পদ্মার তীরে ব্যাপক ভাঙন চলছে। নদীর পাড়ে সৃষ্টি হয়েছে খাড়া ভাঙন। এতে নতুন করে কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ক্ষুদ্র কৃষক গিরি দাস বলেন, এলাকায় তাদের প্রাচীন শ্মশানঘাট ছিল। সেটি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। ফলে শ্মশানঘাটটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ওই স্থানে প্রায় ৫০ ফুট গভীর পানি রয়েছে।

পানচাষি ও ব্যবসায়ী নেতা আসলাম উদ্দিন বলেন, ভেড়ামারা উপজেলার সবচেয়ে বেশি পান চাষ হয় এ অঞ্চলে। দেশের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী কুচিয়ামোড়া পান বাজারও মূলত এ এলাকার পানের ওপর নির্ভরশীল। নদীভাঙনে কয়েক শত পানচাষি প্রায় ৫০০ বিঘা জমিতে থাকা অন্তত ৫ হাজার পিলি পানবরজ হারিয়েছেন।

কৃষক আমিরুল বলেন, গত বছর তার ভাই ও ভাতিজারা মিলে ৭-৮ বিঘা জমিতে পান চাষ করেছিলেন। নদীভাঙনে তাদের ৮০০ পিলি বরজ বিলীন হয়েছে। একইভাবে রায়টার অনেক কৃষক ৫০ থেকে ১০০ পিলি পর্যন্ত পানবরজ হারিয়েছেন।

পানচাষি সুমন হোসেন বলেন, দুই বছর আগে এ অঞ্চলের হাজার বিঘা পানবরজ আগুনে পুড়ে যায়। এখন আবার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। এলাকার মানুষের জীবিকা মূলত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড ন্যূনতম ব্যবস্থা নিলে ক্ষয়ক্ষতি এতটা হতো না বলে দাবি করেন তিনি।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, ভাঙন দুই মাস আগে শুরু হয়েছে। তবে পানি বাড়ায় গত কয়েক দিনে ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভাঙন রোধে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। সেটি অনুমোদন হয়ে বাজেট না আসা পর্যন্ত কাজ করা সম্ভব নয়।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন।

Continue Reading

Trending