Connect with us

top1

২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

Published

on

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মদশকের (২০২১-৩০) বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। 

তিনি জানান, সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবন্ধ।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। তিনি সকল সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠেয় ‘সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় জোরদার: সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা সফলভাবে কমিয়ে আনা দেশগুলোর সর্বোত্তম চর্চা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সাইড ইভেন্টে মন্ত্রী যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সূত্র: বাসস

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

লিবিয়ার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারে আগুন

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

লিবিয়ার সবচেয়ে বড় জাওয়িয়া তেল শোধনাগারের একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ আগস্ট) আগুন লাগার পর দমকলকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশনের (এনওসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্রেগা পেট্রোলিয়াম মার্কেটিং কোম্পানি জানিয়েছে, আগুনে শোধনাগারের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এনওসি জানিয়েছে, আগুন লাগা ট্যাংকটিতে প্রায় ৪৫ লাখ লিটার পেট্রল ছিল। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ট্যাংকটি সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় সর্বোচ্চ মাত্রার জরুরি অবস্থা জারি করে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে এনওসি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে জাওয়িয়া শহরের আকাশে আগুনের বিশাল শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া দেখা গেছে। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জাওয়িয়া শোধনাগারটি লিবিয়ার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার। প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল তেল পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে এর। শোধনাগারটি দেশটির দৈনিক ৩ লাখ ব্যারেল উৎপাদনক্ষম শারারা তেলক্ষেত্রের সঙ্গেও যুক্ত।

আগুন নিয়ন্ত্রণে দমকলকর্মীরা কাজ করলেও শোধনাগারের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন সেখানে কর্মরত দুই প্রকৌশলী। অর্থাৎ আগুন লাগার পরও শোধনাগারটির কার্যক্রম চলমান ছিল।

এর মাত্র দুই দিন আগে, শনিবার ভোরে শোধনাগারে অপরিশোধিত ন্যাফথা সংরক্ষণের একটি ট্যাংকে ড্রোন হামলা হয়। এতে ট্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ন্যাফথা ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন কর্মীরা।

সূত্র: আরব নিউজ

Continue Reading

top1

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেওয়ার চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে সাফ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।

সোমবার রাত ৯টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর ফেসবুক পেজ ‘এহছানুল হক মিলন মিডিয়া সেল’–এ এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ২০০৫ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। এনটিআরসিএ-এর কার্যক্রম ও শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সুন্দরভাবে কীভাবে পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা অব্যাহত রেখেছে।

ওই পোস্টে আরও বলা হয়, ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ প্রদান সংক্রান্ত কোনও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। এ বিষয়ে কোনো অপতথ্য প্রচার না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ রইল। https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2FEhsanulhoquemilonbnp%2Fposts%2Fpfbid02hCMo4pCxebVgeMSG2ptffsCqKe8DXLkxTKsMSS4uKTVvHFMeZqik19i5vHRAVwuql&show_text=true&width=500

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এমন আলোচনার প্রেক্ষাপটেই বিষয়টি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করে এহছানুল হক মিলন মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়

Continue Reading

top1

এসএসসিতে পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

Published

on

By

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার নেমে এসেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থাৎ ২০০৭ সালের পর এবারই মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে।

গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট।

স্কুলের গণ্ডি পেরোনোর এই পরীক্ষায় এবার এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা পাস করা মোট শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। ফলে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছিল। আর ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল। গত ২০ মে এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয়। দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের দীর্ঘ দিনের রেওয়াজ থাকলেও এবার তা সম্ভব হয়নি।

সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে ফল প্রকাশ করে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।

১১ বোর্ডে পাস ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থী মাধ্যমিক ও সমমানের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে।

এর মধ্যে নয়টি সাধারণ বোর্ডে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

পাস ও জিপিএ-৫ দুইয়ে এগিয়ে মেয়েরা

এবারও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা- দুদিক দিয়েই এগিয়ে আছে মেয়েরা।ছাত্রদের পাসের হার যেখানে ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ, সেখানে ছাত্রীদের মধ্যে ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ পাস করেছে।

মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন।

আর ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন।

আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ, অর্থাৎ পাঁচে পাঁচ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।

যেভাবে মিলবে ফল

সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া সমন্বিত ফলাফলের ওয়েবসাইট [www.eduboardresults.gov.bd](http://www.eduboardresults.gov.bd) বা https://www.educationboardresults.gov.bd/v2/home থেকে পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারছে।

পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানতে পারবে।

যে কোনো অপারেটরের মোবাইল থেকে মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে।

এরপর স্পেস দিয়ে 2026 অর্থাৎ পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

প্রতিটি এসএমএসের জন্য এক টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে।

খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু মঙ্গলবার

সোমবার যেসব পরীক্ষার্থী আশানুরূপ ফল পাবেন না, তারা মঙ্গলবার থেকে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

ঢাকা বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এবার https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থীদের।

সেখানে তাদের মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।

আবেদনের সময় স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের। দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।

ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

ঢাকা বোর্ড জানিয়েছে, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো- যেগুলোর জন্য এখনো ফি প্রদান করা হয়নি- প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।

হাতে হাতে বা ম্যানুয়ালি শিক্ষা বোর্ডগুলো খাতা পুনর্নিরীক্ষণের কোনো আবেদন নেবে না।

ফলের ভিত্তিতে একাদশে ভর্তি, শূন্য থাকবে পৌনে ৮ লাখ আসন

চলতি শিক্ষাবর্ষেও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

আগের মতোই কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

গতবারের মতো এবারও মেধা বা মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় একাদশে ভর্তির বিধান রেখে চলতি বছরের একাদশে ভর্তির নীতিমালার খসড়া তৈরি করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রস্তাব হিসেবে পাঠানো হয়েছে।

যদিও রোববার রাত পর্যন্ত চলতি বছরের একাদশের ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই নীতিমালায় আবেদন গ্রহণ ও ফল প্রকাশের বিস্তারিত সূচি থাকবে।

উচ্চমাধ্যমিক কলেজ-মাদ্রাসাগুলোতে ফলের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম চললেও নটর ডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজের মতো চার্চ পরিচালিত কলেজগুলোতে বেশ কয়েক বছর আগে দেওয়া আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা হবে।

সারা দেশের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোয় একাদশ শ্রেণিতে আসন রয়েছে ২৬ লাখের বেশি। অন্যদিকে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজারের বেশি। ফলে বরাবরের মতো এবারও একাদশ শ্রেণিতে পৌনে আট লাখ আসন ফাঁকা থেকে যাবে।

Continue Reading

Trending