Connect with us

ক্যাম্পাস

অফিস চলাকালীন দলীয় প্রোগ্রামে উপ-উপাচার্যসহ ইবির বিএনপিপন্থি কর্মকর্তারা

Published

on

ইবি প্রতিনিধিঅফিস চলাকালীন ডিউটি বাদ দিয়ে বিএনপির দলীয় সভায় যোগ দিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীসহ বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের একাংশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে কুষ্টিয়া সদরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্নার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে অংশ নিতে দেখা যায়।

প্রোগ্রামে সূত্রে, উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার ও ইবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আনার পাশা, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালিউর রহমান, এস্টেট অফিস প্রধান মোহা. আলাউদ্দিন, উপাচার্যের পিএস ও উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজ, কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ, শামীম আকতার জিনজির।এছাড়াও সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক লুৎফর রহমান, ইসরাফুল হক, পরিবহন অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মালেক মিয়া, একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম, উপাচার্যের কার্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার কামরুজ্জামান, বিএনসিসির উপ-রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মজুমদার, প্রশাসন ও সংস্থাপন শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার আব্দুল্লাহ আল মামুন, কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ‘বিজয়-৭১’ বাস ব্যবহার করে তারা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। ফলে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় অফিস কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ হিসাব বিভাগের কাজসহ শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলীর নেতৃত্বে ওই কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপস্থিত থাকা একাধিক কর্মকর্তার কাছ থেকে জানতে চাইলে ভিসির দায়িত্বে থাকা প্রো-ভিসির অনুমোদনে গেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় কোনো মিটিং হয়নি। এটা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তার জন্য দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠান ছিল। কর্মকর্তারা কেন গেছেন, তা আমি জানি না। তারা তাদের মতো করে গেছেন।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে তারা যায়নি। তাদের সাথে আমার আগেই কোনো যোগাযোগ ছিল না। জাকির সাহেবের সাথে কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে, এরপর আমরা দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছি। এটাকে মিটিং বলা ঠিক নয়।’

কর্মকর্তা আনার পাশা বলেন, ‘আমি ট্রেজারার সাহেবের সঙ্গে কথা বলে গিয়েছিলাম। জিয়া কর্মচারী পরিষদের সভাপতি আলাউদ্দিন ভাই-সহ আরও অনেকে গিয়েছেন। আমি আসলে রাজনীতি করি না, সবাই আসছিল তাই আমিও গিয়েছিলাম।’

অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। ক্যাম্পাসের বাস ব্যবহারের বিষয়ে কিছু জানি না। তবে কেউ রিকুইজিশন নেইনি। কিভাবে গেছে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।’

এদিকে ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালিউর রহমানের (পিকুল) কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভিসির দায়িত্বে থাকা প্রো-ভিসির কাছ থেকে ছুটি নিয়েছি। পরিবহনের বিষয়ে আমি অবগত না, তবে বাচ্চু (পরিবহন দপ্তরের উপ রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান) বলতে পারে।

পরিবহন দপ্তরের উপ-রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমানের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিবহন প্রশাসক নাই, ছুটিতে আছেন। যেহেতু উনি অনুপস্থিত, তাই ক্যাম্পাসে এসে অনুমোদন দিবে। ওখানে তো রিকুইজিশন নিয়েই যাওয়া হয়েছে। সাধারণ এরকম সবাই করে আসছে। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের ভিতরে হলে পরিবহন প্রশাসক অনুমতি দিতে পারে, তাই উনি আসলে অনুমোদন দিবে। দূরের হলে ভিসি স্যার অনুমোদন দেয়। গাড়িটার রিকুইজিশন দিয়েছিল এস্টেট অফিসের আলাউদ্দিন ভাই।’

রিকুইজিশন নেওয়া দাবি করা এস্টেট অফিসের মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘পরিবহন প্রশাসক তো নাই। আমার নামে রিকুইজিশন করছি। পরিবহন দপ্তরে সিনিয়রের দায়িত্বে থাকা বাচ্চু (হাফিজুর রহমান) ঠিক করে দিয়েছে। পরিবহন প্রশাসক আসলে স্বাক্ষর করবেনে।’

এ বিষয়ে এমপি প্রার্থী জাকির হোসেন সরকার বলেন, ‘এটি আমাদের উন্মুক্ত দোয়া মাহফিল ছিল। ইবির অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিল। তবে আমি কাউকে আমন্ত্রণ জানাইনি। তারা স্বপ্রণোদিত হয়েই এসেছে।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অফিস ফাঁকি দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি কীভাবে দেখছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অফিসের ডিউটি পালন করা তো তাদের দায়িত্ব। এটার সঙ্গে পলিটিক্সও সম্পর্কিত না। আমরা কাউকে বলিও নাই।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘কোনো বাসের অনুমতি আমি দেইনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। অফিস ছেড়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে এভাবে কেউ যেতে পারে না।’

এক প্রোগ্রামে উপাচার্যের উপস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘গত শনিবারের প্রোগ্রামটি কোন রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ছিল না। সেখানে মদিনা সনদের উপর আলোচনা হয়েছিল। সেখানে জাকির হোসেন সরকার ও আমির হামজা উপস্থিত ছিলেন।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রাবিতে সিওয়াইবি এর উদ্যোগে অভিযান, ৫ দোকানকে ৩২০০০ জরিমানা

Published

on

By

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পরিবেশন ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ৫টি খাবার হোটেলকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এবং রাকসু নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সরাসরি তত্ত্বাবধানে ছিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি চিন্ময় প্রামাণিক এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহকারী প্রক্টর জহিরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন ও নাসির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে।

জরিমানার বিবরণ:

অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বর ও সংলগ্ন এলাকার ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতামূলক এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে ক্যাফে গ্রিন ভিউ ২০,০০০ টাকা, সুরুজ হোটেল ৫,০০০ টাকা, বাবু হোটেল ৩,০০০ টাকা, রকি হোটেল ২,০০০ টাকা, মনির হোটেল ২,০০০ টাকা।

অভিযান চলাকালীন সিওয়াইবি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপদেষ্টা ড. মোঃ সালেহ মাহমুদ এবং সংগঠনটির সভাপতি সাদমান প্যারিসসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এছাড়া রাকসু নেতৃবৃন্দ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রাবি শিক্ষার্থীর বাবাকে মারধরের অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে 

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রীর বাবাকে মারধর ও তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে যশোরের ঝিকরগাছা থানার বাকড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ঝিকরগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী। 

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় বিএনপির ইউনিয়ন সেক্রেটারি জামির হোসেন ও তাঁর সহযোগী যুবদল নেতা জহুরুল, মনি, ইদ্রিস, কালা সাঈদ, মারুফ, মিরাজ, রাহাত প্রমুখ। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম মফিজুর রহমান। তিনি ওই বাজারে ৩০ বছর ধরে লাইব্রেরির পাশাপাশি বিকাশের ব্যবসা করে আসছেন। 

জিডির কপি ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছর একটি যাত্রাপালার জন্য চাঁদা দাবি করা হলে তা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা জামিরের সঙ্গে মফিজুরের মনোমালিন্য তৈরি হয়। এরই জেরে সম্প্রতি জামির হোসেন তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তুলে তাদের দোকানে আসেন। পরে তিনি দাবি করেন, তার অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং এর জন্য দোকান কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন।

ভুক্তভোগী মফিজুর রহমানের মেয়ে রাবি শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, ওইদিন সন্ধ্যায় দোকানের বিকাশ কাস্টমার কেয়ার বন্ধ থাকায় তার বাবা পরদিন আসতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জামির হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে জামির তার অনুসারীদের নিয়ে দোকানে হামলা চালান এবং লাঠিসোঁটা ও চেয়ার দিয়ে ভুক্তভোগীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে আবারও নির্যাতন করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জামির হোসেন বলেন, ‘চাঁদাবাজির ঘটনা একদম ভিত্তিহীন। মফিজুরের বিরুদ্ধে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা নেওয়ার আরও বহু অভিযোগ আছে। আমি ভুক্তভোগী হওয়ায় দলীয় ছেলে-পেলে নিয়ে দোকানে যাই। সেখানে মফিজুর তাঁদের সঙ্গে  খারাপ ব্যবহার করেন। একপর্যায়ে তর্কবিতর্ক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। পরে ওই রাতেই স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়। এখন কোনো সমস্যা নাই।’

Continue Reading

ক্যাম্পাস

চাকা পাংচার হয়ে দুর্ঘটনায় ঢাবির বাস, আহত অন্তত ১০

Published

on

By

ঢাকার কারওয়ান বাজার এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় চাকা পাংচার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গাজীপুর রুটের বাস ‘ক্ষণিকা’ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৮ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সকাল ৭টায় গাজীপুর থেকে ঢাবির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে বুধবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়ে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানান, ফ্লাইওভার থেকে নামার আগে বাসটির চাকা হঠাৎ ব্লাস্ট হয়। এরপর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।

তিনি বলেন, বাসের সামনে থাকা যাত্রী ও মাইক্রোবাসে থাকা ব্যক্তিরা গুরুতর আহত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং ভিপিসহ ডাকসু নেতারা তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।

ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ জানান, ইনসাফ বারাকা হাসপাতালে ৩ জন আহতকে নেওয়া হয়, যাদের মধ্যে একজনকে পরে ইবনে সিনা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রিলিজ দেওয়া হয়েছে।আহতদের মধ্যে একজনের নাকে সেলাই লেগেছে এবং আরেকজন বুকে আঘাত পেয়েছেন।

এর পাশাপাশি হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে আরও দুইজনের চিকিৎসা চলছে, যাদের হাত ও পায়ে আঘাত লেগেছে।

ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি হওয়া একজন শিক্ষার্থী চিকিৎসা শেষে রিলিজ নিয়েছেন।

অন্যদিকে শমরিতা হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসা নিয়েছেন এবং তারা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন বলেও তিনি জানান।

Continue Reading

Trending