Connect with us

ক্যাম্পাস

অবশেষে ইবিতে চালু হচ্ছে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

দীর্ঘ আন্দোলন ও দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শীক্ষারথীদের জন্য চালু হচ্ছে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম। ফলে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় ফি ও অন্যান্য পেমেন্ট ঘরে বসেই অনলাইনে পরিশোধ করতে পারবেন।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে ইবি প্রশাসন ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি -এর প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী ও সহকারী পরিচালক অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম।

ইসলামী ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইনচার্জ এ. এন. এম তাওহিদুল ইসলাম, ঝিনাইদহ শাখার প্রধান এম. রুহুল আমিন, কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এবং শেখপাড়া বাজার সাব-ব্রাঞ্চের ইনচার্জ মোহাম্মদ রবিউল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ ও শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মু. মাহমুদুল হাসানসহ অন্যরা।

ইসলামী ব্যাংকের এ. এন. এম তাওহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে সহজে তাদের টিউশন ফি ও অন্যান্য ফি প্রদান করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীরা দেশের যেকোনো স্থান থেকেই ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা নিতে পারবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি সম্পূর্ণ অটোমেটেড সিস্টেমে রূপ দিতে আমরা এটিএম, সিআরএম ও বাংলা কিউআর কোডসহ আধুনিক ব্যাংকিং সেবা চালুর উদ্যোগ নিচ্ছি।

সভা শেষে ইবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেম ডিজিটাল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছিলাম। সর্বশেষ আমাদের কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। প্রশাসন বিশ্বমানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, এজন্য আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করছি, এটি খুব দ্রুতই বাস্তবায়িত হবে। আমরা সোনালী, অগ্রণী, ইসলামী ব্যাংকসহ আরও কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। সবাই সম্ভবত প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে। আজ ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে প্রশাসন বৈঠকে বসেছে এবং অচিরেই একটি চুক্তি সম্পাদনের পথে যেতে পারে। আমরা আশা করছি, এক সপ্তাহের মধ্যেই এই উদ্যোগের কার্যকর রূপ দেখতে পাব।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ছাত্রদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং আধুনিক যুগের চাহিদা বিবেচনায় আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। ইসলামী ব্যাংক এ উদ্যোগে আমাদের সহযোগিতা করছে, এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এক সপ্তাহের মধ্যেই পাইলটিং কাজ শুরু হবে বলে তারা জানিয়েছেন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই সুবিধা নিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। 

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর ইবি ছাত্রশিবির ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দেন। পরে ২১ অক্টোবর একই দাবিতে স্মারকলিপি দেয় শাখা ছাত্রদল।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রাবি ছাত্রদলের ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ কর্মসূচি

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ, প্রজননস্থল ধ্বংস ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করেছে রাবি শাখা ছাত্রদল।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হবিবুর হল প্রাঙ্গনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় হলের আশেপাশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।

এসময় সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই কর্মসূচি তিন মাসব্যাপী চলমান থাকবে। প্রথম দুইদিন হলগুলো এবং পরবর্তী সপ্তাহে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হল ও একাডেমিক ভবন গুলোর আশেপাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও পানি পরিষ্কার করবেন। পাশাপাশি আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত দাবি জানাবো যেন, পুরো ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী অসুস্থ হোক অথবা কোনো শিক্ষার্থী দুর্ঘটনায় পড়ুক, এজন্যই আমরা আজকের এই কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছি।আমরা আজকে এবং কালকে দুই দিন হলে পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করবো। এবং আমরা শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাবো যে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক ঘণ্টা সময় নিয়ে যেনো নিজের হল, একাডেমিক ক্লাস এবং নিজের আঙিনা পরিষ্কার করে।’

এছাড়াও শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবেলায় সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সচেতন হতে হবে। সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্বে আশেপাশের ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে। আমরাও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।

এই অভিযানে ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবি রেজিস্টারকে পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে পাবনা জেলার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, দাওয়াহ্ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মাওলা, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এম. এম. নাজিমুজজামান, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি শাকিল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিনসহ পাবনা জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মওলা বলেন, “ড. আতিক আমাদের পাবনার মানুষ। তিনি রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন—এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। তার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর যে আন্তরিকতা ও আবেগ অনুভব করেছি, সেটি অন্যরকম। এই অনুভূতি নিয়েই আমরা সামনে এগিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।”

অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা খুবই প্রাণবন্ত ও আনন্দিত। আমাদের প্রাণের মানুষকে কাঙ্ক্ষিত জায়গায় দেখতে চেয়েছিলাম। আমাদের প্রত্যাশা ও উচ্চাশা আরও বড় ছিল। তবে আল্লাহ রব্বুল আলামিন যেটা কবুল করেছেন, তাকে সেই জায়গাতেই এনেছেন। আমরা এতে আনন্দ প্রকাশ করছি এবং মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি।”

পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান বলেন, “এই সমিতির উন্নয়ন, তোমাদের উন্নয়ন এবং আমার সব শিক্ষার্থীর জন্য আমি সবসময় পাশে থাকতে চাই। আমি যেকোনোভাবে তোমাদের সহযোগিতা করতে পারলে করব—সেটা পরামর্শের মাধ্যমে হোক কিংবা অন্য কোনোভাবে। জীবনে অনুপ্রেরণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যেক মানুষেরই একজন মেন্টর থাকা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “স্বপ্ন দেখতে হলে সামনে একজন মেন্টরকে রাখা দরকার। তোমাদের শিক্ষকরা আছেন, তোমরা নিজেদের মেন্টর ঠিক করো এবং তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নাও। প্রতিদিন অল্প অল্প করে, বিন্দু বিন্দু করে মানুষ এগিয়ে যায় এবং একসময় সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে। যখন অন্যরা ঘুমাবে, তখন তোমাকে নিজের জন্য কাজ করতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কোনো স্বপ্নই ছোট নয়। আবার এমন কোনো বড় স্বপ্নও নেই, যেটা অর্জন করা তোমার পক্ষে অসম্ভব। আমাদের পাবনার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অনেক সফল মানুষ রয়েছেন; দেশের অনেক বরেণ্য ব্যক্তিও পাবনার সন্তান। তোমার অর্থনৈতিক অবস্থা, তোমার বাবা কী করেন কিংবা তুমি কোন গ্রামের বাসিন্দা—এসব তোমার সাফল্যের নির্ধারক নয়।”

তিনি বলেন, “তোমরা আজ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বারান্দায় পৌঁছাতে পেরেছ—এটাই বড় একটি সুযোগ। এখান থেকে তোমরা চাইলে অনেক দূর যেতে পারো। তোমাদের স্বপ্নের কোনো সীমা নেই। লক্ষ্য ঠিক রেখে পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও শিক্ষকদের পরামর্শকে কাজে লাগাতে পারলে তোমরা অনেক বড় কিছু অর্জন করতে পারবে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা শুভসংঘ রাবি শাখার নতুন কমিটি, সভাপতি আলফাজ, সম্পাদক ফারাবী

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ’-এর নতুন শাখা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. আলফাজ উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. আল ফারাবী দায়িত্ব পেয়েছেন।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির পরিচালক ও কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক জাকারিয়া জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত এই কমিটির ৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন- ড. এ এইচ এম খুরশিদ আলম, ড. আমিরুল ইসলাম কনক, ড. মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, ড. মুর্শিদা ফেরদৌস বিনতে হাবীব এবং তাফহিমুল ইসলাম।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান ও মাহবুবা ইসলাম মেরিনা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত কুমার দাশ ও মিরা আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক হিমেল আহমেদ হিমু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. সুমাইয়া খাতুন, দপ্তর সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. ইমজিয়াউল হক কামালি এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাফি উজ জামান।

এ ছাড়া অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব পেয়েছেন- সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক শোভা আক্তার, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক নাহিদা আক্তার রুম্পা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কৌশিক ফেরদৌস দীপ্ত, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সোলাইমান, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক লক্ষী রানী রায়, ক্রীড়া সম্পাদক শামিম হোসেন, ছাত্র কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আরিফ মিয়া, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক তুহিন আলী, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক অংক্যজাই মারমা, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মো. রাসেল শেখ এবং কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক মুক্তা আক্তার।

কমিটির ৯ জন কার্যকরী সদস্যরা হলেন- শাকিলা আক্তার, ফাহমিদা আক্তার, রিফাত জাহান রিশা, তাসনিন তুশি, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সুমাইয়া আক্তার রিতু, মো. কাইয়ুম আলী, মো. রেজাউল হোসেন এবং আব্দুর রহমান।

‘শুভ কাজে সবার পাশে’ স্লোগানকে সামনে রেখে বসুন্ধরা শুভসংঘ দেশব্যাপী বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন এই কমিটি তাদের মানবিক কার্যক্রম আরও বেগবান করবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

Continue Reading

Trending