Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবি ছাত্রদলের ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ কর্মসূচি

Published

on

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ, প্রজননস্থল ধ্বংস ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করেছে রাবি শাখা ছাত্রদল।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হবিবুর হল প্রাঙ্গনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় হলের আশেপাশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।

এসময় সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই কর্মসূচি তিন মাসব্যাপী চলমান থাকবে। প্রথম দুইদিন হলগুলো এবং পরবর্তী সপ্তাহে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হল ও একাডেমিক ভবন গুলোর আশেপাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও পানি পরিষ্কার করবেন। পাশাপাশি আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত দাবি জানাবো যেন, পুরো ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী অসুস্থ হোক অথবা কোনো শিক্ষার্থী দুর্ঘটনায় পড়ুক, এজন্যই আমরা আজকের এই কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছি।আমরা আজকে এবং কালকে দুই দিন হলে পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করবো। এবং আমরা শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাবো যে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক ঘণ্টা সময় নিয়ে যেনো নিজের হল, একাডেমিক ক্লাস এবং নিজের আঙিনা পরিষ্কার করে।’

এছাড়াও শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবেলায় সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সচেতন হতে হবে। সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্বে আশেপাশের ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে। আমরাও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।

এই অভিযানে ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

শাবিপ্রবিতে রাতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত, বহিরাগতকে থানায় হস্তান্তর

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে বহিরাগত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আনারুল মিয়া (২৭)।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে মেয়েদের আবাসিক হলের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, টিউশন শেষে হেঁটে হলে ফেরার সময় একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ওই ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছিলেন। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে তার মোবাইল নম্বর চান এবং বন্ধুত্ব করার প্রস্তাব দেন। এ সময় তাকে বিভিন্ন অশালীন কথাও বলেন তিনি। পরে তিনি তার বন্ধুদের ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা ওই যুবককে আটক করেন।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এহসান ফেরদৌস মাহিন বলেন, ‘রাত ১১টার দিকে আমার এক বন্ধু আমাকে ফোন দেন। পরে কল ব্যাক করলে তিনি কান্না করে জানান, একজন মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে শিস মারছেন ও উত্ত্যক্ত করছেন। আমরা তখন যারা ছিলাম, দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে যাই। গিয়ে দেখি হলের নিরাপত্তাকর্মীরা ওই বাইকারকে ধরে রেখেছেন। পরে তাকে প্রক্টরের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী শোয়াইবুর রহমান বলেন, ‘আমরা টিচার্স কোয়ার্টারের সামনে তাকে আটকাই। পরে আরও অনেক শিক্ষার্থী সেখানে আসেন। এরপর তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা অভিযুক্তকে পুলিশের কাছে দিয়েছি। দেশের আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। তার নিরাপত্তার বিষয়টিও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখব।’

এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসের কয়েকটি সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকা এবং রাত ১১টার পর অটোরিকশার চলাচল না থাকায় রাতে যাতায়াতে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

অভিযুক্তকে থানায় হস্তান্তরের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ শামসুল হাবিব (ওসি)। তিনি বলেন গতকাল রাতে এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্যক্ত করার অভিযোগে আমাদের কাছে একজনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। যদি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মামলা করা হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top3

রাবি সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ‘সিজেন রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং’ অনুষ্ঠিত

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ‘কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক (সিজেন)-এর রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে এই কর্মশালাভিত্তিক সভার আয়োজন করা হয়।ডয়চে ভেলে (DW) একাডেমি এবং সিজেন (CJEN) বাংলাদেশের সহায়তায় এই অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ULAB) উপ-উপাচার্য এবং সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জুড ডব্লিউ. আর. জেনিলো, ডয়চে ভেলে একাডেমি ঢাকার প্রজেক্ট ম্যানেজার ও কো-অর্ডিনেটর জিমি আমির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, ‘সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, সংবাদ গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে শর্ট-ফর্ম ভিডিওর ব্যবহার এবং ভুল তথ্যের মতো সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলো শুধু শ্রেণিকক্ষের প্রশ্ন নয়, বরং আমাদের সমাজ, গণতন্ত্র ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন।’

এছাড়াও গবেষণার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের তিনি নিখুঁত অ্যাবস্ট্রাক্ট লেখার চাপ না নিয়ে তিনটি ধাপে কাজ করার পরামর্শ দেন—সুনির্দিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করা, অর্থপূর্ণ গবেষণার প্রশ্ন তৈরি করা এবং সেই প্রশ্নের উত্তর কেন গুরুত্বপূর্ণ তা অনুধাবন করা। এছাড়া তিনি শিক্ষকদের শুধু নির্দেশক নয়, বরং ‘মেন্টর’ হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ গবেষণা ও সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জুড ডব্লিউ. আর. জেনিলো সিজেন-এর ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ২০১৮ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রাজশাহী ডিক্লারেশন’ এর মধ্য দিয়েই মূলত সিজেন-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা বৃদ্ধি করাই এই নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্য।

আসন্ন ১১তম সিজেন কনফারেন্স সম্পর্কে তিনি জানান, এবারের কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘মিডিয়া এডুকেশন ইন ট্রানজিশন’। সাংবাদিকতা শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং ভুল তথ্য মোকাবিলার মতো সমসাময়িক বিষয়গুলো এবারের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহীদের ২৫০ শব্দের মধ্যে অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা দিতে হবে। নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে তিনি শিক্ষার্থীদের একাধিক বিষয়ের ওপর অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর সমাপনী বক্তব্যে ডয়চে ভেলে একাডেমি ঢাকার প্রজেক্ট ম্যানেজার ও কো-অর্ডিনেটর জিমি আমির বলেন, ‘ডিডব্লিউ একাডেমি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম উন্নয়ন ও সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করে। ২০১৪ সাল থেকে কারিকুলাম উন্নয়ন ও ক্যাম্পাস মিডিয়ার পাশাপাশি আমরা সিজেন প্রতিষ্ঠা করেছি। এছাড়া সিএমডি-র সাথে যৌথভাবে ‘ফিউচার সাসটেইনেবল কোয়ালিটি মিডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সিজেন একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নয়ন সম্ভব। এই ইভেন্ট থেকে অর্জিত জ্ঞান সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী সদস্য আমেনা খাতুন। মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে বিকেল ৩টায় এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

Continue Reading

top3

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলো বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ শিক্ষক  

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি 

নানা জটিলতা পেরিয়ে অবশেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রত্যাশি ২৪ শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ২৩ শিক্ষক উপাচার্যের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যাপক পদে যোগদান করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোট ২৪ জনের অধ্যাপক পদোন্নতির বোর্ড সম্পন্ন হলেও সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে ২৩ জনকে এই পদে উন্নীত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে অধ্যাপক পদোন্নতির বোর্ড বসা শুরু হয়ে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বাঁধায় অধ্যাপক পদোন্নতি আটকে যায়। অবশেষে ২৪ জনের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ২৩ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ২৯ আগস্ট ৯৫ তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। ঐ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে তিনজন সিন্ডিকেট মেম্বার জানিয়েছে, ফ্যাসিস্টের দোসর ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের  আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় ড. আবদুল কাইউমকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি তার বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। 

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া একাধিক শিক্ষক নিশ্চিত করেছেন যোগদানের সময় ২৩ শিক্ষক ছিলেন সেখানে ড. আবদুল কাউমকে দেখা যায়নি। 

২৪ শিক্ষকের মধ্যে আরও কমপক্ষে সাত থেকে আটজন ফ্যাসিস্টের দোসর রয়েছেন। কিন্তু ফ্যাসিস্টের দোসর আমলে নিয়ে একজনকে বাদ দিয়ে বাকিদের পদোন্নতি দেয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্য এটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। চব্বিশ পরবর্তী শিক্ষার্থীদের দাবি ছিলো ফ্যাসিস্টের দোসরদের আগে বিচার করতে হবে তারপর পদোন্নতি দিতে হবে কিন্তু বিচার করতে পারেনি প্রশাসন৷ 

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া ২৩ শিক্ষক হলেন, ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম,  ড. মোঃ নাজমুল কায়েস,  ড. মোঃ মাসুদ পারভেজ,  ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল,  ড. ধীমান কুমার রায়, ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ড. সুব্রত কুমার দাস, ড. হাফিজ আশরাফুল হক, ড.  ইশরাত জাহান, ড. মোঃ শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা,  ড. হেনা রানী বিশ্বাস, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুদ,  ড. মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ড. তাজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী, ড. মোঃ আলমগীর মোল্লা, ড. মোঃ সাদেকুর রহমান, ড. তারেক মাহমুদ আবীর, ড. মোঃ জামাল উদ্দীন  ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক।

এবিষয়ে জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল আলিম বছিরকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সাথে যোগাযোগের জন্য বলেন।

Continue Reading

Trending