Connect with us

top3

আইএসের ‘ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভান্ডারে’ যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের যৌথ হামলা

Published

on

ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর ব্যবহৃত সিরিয়ার একটি ‘ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভান্ডারে’ যৌথ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।

শনিবার (০৩ জানুয়ারি) গভীর রাতে চালানো এই হামলায় কোনো বেসামরিক নাগরিকের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ‘সফল’ অভিযানের পর সব বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর বিবিসি ও আল-জাজিরার।

এ বিষয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে কর্মকর্তারা ওই স্থাপনাটিতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুতের ব্যাপারে নিশ্চিত হন। এটি সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলের প্রাচীন নগর পালমিরার ঠিক উত্তরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানান, ‘আমাদের বিমানগুলো পেভওয়ে ফোর নির্দেশিত বোমা ব্যবহার করে স্থাপনাটিতে প্রবেশের জন্য ব্যবহৃত একাধিক সুড়ঙ্গ লক্ষ্য করে হামলা চালায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে।’

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, ‘এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্যকে তাদের পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার জন্য আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

অভিযানে যুক্তরাজ্যের টাইফুন এফজিআর৪ যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দিয়েছে আকাশপথে জ্বালানি সরবরাহকারী একটি ভয়েজার ট্যাংকার বিমান।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ২০১৯ সালে বাঘুজ যুদ্ধে আইএস পরাজিত হওয়ার পর থেকে গোষ্ঠীটির ‘পুনরুত্থান ঠেকাতে’ ব্রিটিশ বিমান বাহিনী সিরিয়ার আকাশে নিয়মিত টহল পরিচালনা করে আসছে।

গত মাসে মার্কিন সেনাবাহিনীও সিরিয়ায় আইএস লক্ষ্যবস্তুতে ‘ব্যাপক হামলা’ চালায়। পালমিরায় এক সন্ত্রাসী হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও একজন বেসামরিক দোভাষী নিহত হওয়ার পর সে হামলা পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, তিন কোম্পানির জ্যাম ও কেক বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

Published

on

By

বাণিজ্য ডেস্ক

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি কোম্পানির নির্দিষ্ট জ্যাম ও কেকজাতীয় খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএফএসএ জানায়, ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ বাজার থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।

সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব পণ্যের বিপণনও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের এসব খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ জুলাই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ইস্ট বেকারিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল।

Continue Reading

top3

মিয়ানমার সীমান্তে ১০৮ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করবে বাংলাদেশ

Published

on

By

জাতীয় ডেস্ক

মিয়ানমারের সঙ্গে ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে প্রায় ১০৮ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ। আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জাপানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের চলমান অস্থিতিশীলতা এবং সীমান্তে নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়িত হলে এটি হবে প্রতিবেশী কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তে প্রথম কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রকল্প।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তের নির্বাচিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এ বেড়া নির্মাণ করা হবে। তবে কোন কোন স্থানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সংস্থাটির মতে, অবৈধ সীমান্ত পারাপার, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানবপাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, সীমান্তের ওপারে আগের মতো কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রশাসন না থাকায় নতুন ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে যোদ্ধাদের যাতায়াত, মাদক ও অস্ত্র পাচার বেড়েছে। তার মতে, কাঁটাতারের বেড়ার পাশাপাশি টহল সড়ক নির্মাণ করলে সীমান্ত নজরদারি আরও কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আরাকান আর্মি সীমান্তবর্তী মংডু এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এর ফলে জেলেদের অপহরণ, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার এবং স্থলমাইনের ঝুঁকি বেড়েছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে ৪২৬ জনের বেশি বাংলাদেশি জেলেকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২৪ জন দেশে ফিরলেও বাকিরা এখনো অপহরণকারীদের কবলে রয়েছেন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

top3

অবৈধভাবে বসবাসরত প্রবাসীদের সুখবর দিল ইতালি

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইতালিতে বসবাসরত কাগজবিহীন অভিবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি রায় দিয়েছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু অবৈধভাবে ইতালিতে প্রবেশ বা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে শেনজেন তথ্য ব্যবস্থা (এসআইএস)-এ প্রশাসনিক সিগন্যাল থাকলেই ২০২০ সালের ইমার্সিওন (স্যানাটোরিয়া) কর্মসূচির আবেদন আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করা যাবে না।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছে, ইমিগ্রেশন আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানে থাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবেদন বাতিলের ব্যবস্থা ইতালির সংবিধানের সমতা ও ন্যায়সংগত আচরণের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে এখন থেকে প্রতিটি আবেদনকারীর ফাইল পৃথকভাবে ও বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। শুধু এসআইএসে প্রশাসনিক সিগন্যাল থাকার ভিত্তিতে আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।

এই রায়ে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ অন্যান্য অভিবাসীরা, যাদের সানাতোরিয়া আবেদন শুধু অবৈধ প্রবেশ বা ওভারস্টের কারণে এসআইএস সিগন্যাল দেখিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, কর্মসংস্থান, ইতালিতে অবস্থানের বাস্তবতা এবং জননিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে মূল্যায়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

তবে আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, গুরুতর অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার কিংবা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য হবে না। এসব ক্ষেত্রে আগের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারবে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের সানাতোরিয়া আবেদন এখনো ঝুলে আছে অথবা একই কারণে অতীতে প্রত্যাখ্যান হয়েছে, তারা একজন অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর সহায়তায় নিজেদের ফাইল পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

Continue Reading

Trending