Connect with us

top1

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে নির্ধারিত বিধিবদ্ধ নীতি ও নিয়ম অনুযায়ী। আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

ভাষণে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশে জুয়া এবং মাদকের বিস্তারকেও বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা অবনতির অন্যতম কারণ বলে চিহ্নিত করেছে। সুতরাং, জুয়া এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সব রকমের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।’

রমজান মাসজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসজুড়ে ইফতার, তারাবীহ ও সেহরির সময় নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত পালনের পরিবেশ তৈরি করা আমাদের সবার দায়িত্ব। একই সঙ্গে অপচয় রোধ করে সংযম ও কৃচ্ছতা অবলম্বন করাও প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানী কর্তব্য। অফিস-আদালতসহ সর্বত্র বিনা প্রয়োজনে বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকা— এটিও ইবাদতের অংশ বলে আমি মনে করি।

রাজধানীতে জনসংখ্যার চাপ কমাতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে যাতে সহজভাবে সঠিক সময়ে অফিস আদালত ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারেন, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সারাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমেই রেল নৌ সড়ক এবং সেতু মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয় করা হচ্ছে। সারাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজ সুলভ এবং নিরাপদ করা করা গেলে একদিকে যেমন জনগণের শহর-নগরকেন্দ্রিক নির্ভরতা কমবে অপরদিকে পরিবেশেরও উন্নতি হবে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে আমি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, নবগঠিত সরকার গঠনের সুযোগ দিতে যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন কিংবা দেননি অথবা কাউকেই ভোট দেননি, এই সরকারের প্রতি আপনাদের সবার অধিকার সমান। বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে, দলমত ধর্ম দর্শন যার যার, রাষ্ট্র সবার। এই দেশে, এই রাষ্ট্রে একজন বাংলাদেশী হিসেবে, আপনার আমার আমাদের প্রতিটি বাংলাদেশী নাগরিকের অধিকার সমান।

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের সময়কালের দুর্নীতি দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃংখলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ছুটির দিন শনিবারও অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনার লক্ষ্যে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারও অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিএনপি মিডিয়া সেল থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও যমুনার মেরামত কার্যক্রম এখনো শেষ হয়নি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী কয়েকদিন সচিবালয়ে অফিস করবেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে অফিস করেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে এদিন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির মধ্যে থাকা ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের একটি বৈঠকেও যোগ দেন তিনি।

এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

১৫ সদস্যের ওই কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। এছাড়াও কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন ১৪ জন।

Continue Reading

top1

ফ্যামিলি কার্ড চূড়ান্তে গঠিত হল ১৫ সদস্যের কমিটি

Published

on

By

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরো ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এছাড়াও কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

Continue Reading

top1

এক হালি লেবু ২০০ টাকা

Published

on

By

প্রথম রমজানের শুরু থেকে চট্টগ্রামের বাজারে লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় চারগুণ মূল্য বৃদ্ধিতে বিক্রি হচ্ছে লেবু। বাজারে ছোট লেবুর হালিও এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে মিলছে না, আর মাঝারি ও বড় লেবুর দাম পৌঁছেছে ১২০ থেকে ২০০ টাকায়। 

চট্টগ্রামের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও অলিগলির ভ্রাম্যমাণ দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ আগে যেখানে এক হালি লেবু ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, সেখানে গত সপ্তাহে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

বর্তমানে সর্বনিম্ন ৬০ টাকা থেকে শুরু করে অনেক জায়গায় ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও বড় আকারের লেবুর হালি ১২০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হলেও দরদাম করে ক্রেতারা প্রায় ১৫০-১৬০ টাকায় কিনছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার ও কাজীর দেউড়ি বাজারে প্রতি পিস লেবুর দাম ৫০ থেকে ৩০ টাকা হাঁকতে দেখা গেছে। দর-কষাকষির পর একজন গ্রাহক দুটি লেবু কিনেছেন ৯০ টাকায়।

অনেক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবুর মজুদ ছিল কম। দাম বেশি। আবার অনেক বাজারে লেবু নেই বললেই চলে। যে লেবুগুলো আছে সেগুলোও পরিপক্ব নয়।

একটু কম দামের যে লেবু বিক্রি হচ্ছে, সেগুলোতে রস নেই বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

তারা বলছেন, একটা শ্রেণী লেবুর বাজারে সংকট তৈরি করে রেখেছে। দেখার কেউ নেই। কিছুদিন আগেও বাজারে লেবুর ছড়াছড়ি ছিল। সেই লেবু হঠাৎ গায়েব।

যা আছে সেগুলোর দাম বেশি। অনেকে বেশি দামের আশায় অপরিপক্ক লেবু গাছ থেকে নিয়ে এসেছে। বাধ্য হয়ে মানুষ সেগুলোও কিনছে। 

চকবাজার কাঁচা বাজারের লেবু বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে লেবুর সংকট। আমাদের পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিছুদিন আগেও যে দামে এক ডজন লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি করেছি, এখন সেই দামে এক হালিও পাওয়া কঠিন। 

বিক্রেতাদের দাবি, অনেক চাষি রমজানে বেশি দাম পাওয়ার আশায় এখনই বাজারে লেবু ছাড়ছেন না। একই কারণে পাইকারি ব্যবসায়ীরাও লেবু মজুত করে রাখতে পারেন, কারণ এ পণ্য কিছুদিন সহজেই সংরক্ষণ করা যায়।

বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারের সামনে ভ্রাম্যমাণ ভ্যান গাড়িতে লেবু বিক্রি করেন নাজিম উদ্দীন মহন। তার ভ্যান গাড়িতে লেবু বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ১২০ টাকায়। এ কাঁচাবাজারের একটু ভেতরে একটি দোকানে তুলনামূলক পাকা লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এছাড়া হামজারবাগ রাস্তার মুখে এক বৃদ্ধ রাস্তার পাশে চট বিছিয়ে ছোট আকারের লেবু ৮০ টাকা হালিতে বিক্রি করছেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলেও এর চেয়ে কম দামে কোথাও লেবু বিক্রি হতে দেখা যায়নি।

বিক্রেতারা বলছেন, রমজানকে কেন্দ্র করে চাহিদা বাড়ার আগাম প্রভাব বাজারে পড়েছে। ইফতারের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় লেবুর শরবত হওয়ায় ধনী-গরিব সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে এ পণ্যের চাহিদা বাড়ে। ফলে রোজা শুরুর আগেই দাম বৃদ্ধিতে নিম্নআয়ের ক্রেতারা চাপে পড়েছেন।

একজন ক্রেতা জানান, ১০০ টাকা পর্যন্ত বলেও এক হালি লেবু কিনতে পারেনি। হঠাৎ করেই বেড়েছে লেবুর দাম। ইফতারের অন্যতম এ অনুষঙ্গ দামের কারণেই কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। 

বাজারে ছোট পাতি লেবু ৬০ টাকা হালিতে বিক্রি হলেও বড় লম্বা লেবুর দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অধিকাংশ গ্রাহককে দাম নিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করতে দেখা গেছে।

Continue Reading

Trending