Connect with us

top1

আজ থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পরদিন বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই মাঠে নেমেছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা।

উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী এলাকায় ছুটে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন তারা। পাশাপাশি দিচ্ছেন উন্নয়ন ও পরিবর্তনের নানা প্রতিশ্রুতি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার জন্য গতকাল রাতেই সেখানে পৌঁছে গেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজ আসন ঢাকা-১৫-তে জনসভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি আজ সকালে তিন নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও খাজা নাজিমুদ্দিনের মাজার এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, নিবন্ধিত মোট ৬০টি দলের মধ্যে এবার ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ২৯৮টি আসনের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী রয়েছেন ২৮৮ আসনে, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ২২৪ আসনে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার প্রার্থী ২৫৩ আসনে, এনসিপির শাপলাকলির প্রার্থী ৩২ আসনে, জাতীয় পার্টির লাঙলের প্রার্থী ১৯২ আসনে, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবির কাস্তের প্রার্থী ৬৫ আসনে এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাকের প্রার্থী রয়েছেন ৯০ আসনে।

এ ছাড়া এলডিপি ১২, জাতীয় পার্টি-জেপি ১০, গণতন্ত্রী পার্টি ১, জাসদ ৬, জেএসডি ২৬, জাকের পার্টি ৭, বাসদ ৩৯, বিজেপি ৫, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ৮, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ১৩, এনপিপি ২৩, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ৪, গণফোরাম ১৯, গণফ্রন্ট ৫, বাংলাদেশ ন্যাপ ১, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ৩, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১৯, কল্যাণ পার্টি ২, ইসলামী ঐক্যজোট ২, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ২৬, জাগপা ১, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ৭, খেলাফত মজলিস ২১, বিএমএল ৬, মুক্তিজোট ২০, বিএনএফ ৮, এনডিএম ৮, বাংলাদেশ কংগ্রেস ১৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ৪২, বাংলাদেশ জাসদ ১১, বিএসপি ১৯, এবি পার্টি ৩০, নাগরিক ঐক্য ১১, গণসংহতি আন্দোলন ১৭, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২, বিএমজেপি ৮, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ১৫, বিআরপি ১২, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) ২৯, জনতার দল ১৯, আমজনতার দল ১৫, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি ১ এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী ৩ আসনে লড়াই করছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন মোট ২৪৯ আসনে।

এ ছাড়া পাবনা-১ ও ২ আসনে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী থাকলেও তাঁরা এখনো চূড়ান্ত হননি।

এদিকে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ৫৯ নেতাকে গতকাল একসঙ্গে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এর আগে একই কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

প্রতীক পাওয়ার পর আনন্দ, উত্তেজনা : দলীয় প্রতীক পেতে সকাল থেকেই জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমান বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। রিটার্নিং অফিসার একে একে সবার হাতে বা প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেন প্রতীক বরাদ্দের কাগজ।

রিটার্নিং অফিসারের হাত থেকে তা হাতে নিয়ে এ দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করেন বেশির ভাগ প্রার্থী। রিটার্নিং অফিসারের কক্ষের বাইরে বের হলে কর্মী-সমর্থকরা হাততালি দিয়ে স্বাগত জানান নিজ নিজ প্রার্থীদের। প্রার্থীরা অপেক্ষমাণ দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে হাত মেলান, আলিঙ্গন করেন।

প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর অনেক এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা গেলেও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে। ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিএনপির দলীয় ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন।

গফরগাঁও প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনের বিএনপির প্রার্থী আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী এ বি সিদ্দিকুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে গতকাল বিকেল প্রায় ৫টায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পৌর শহরের ইসলামিয়া সরকারি হাই স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় একজনকে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করতেও দেখা যায়।

পরে পুলিশ, সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা গফরগাঁও রেলস্টেশনসংলগ্ন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মুক্তার হোসেনের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ঘটনার পর থেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গফরগাঁও বাজারের বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে খুশি চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের প্রার্থীরা। গতকাল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রস্তুতি নেন।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের কদমতলী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন কদমতলী মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু করবেন।

ট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগর আংশিক) আসনে বিএনপি প্রার্থী দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী সকাল পৌনে ৮টায় পারিবারিক কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সকাল ৮টায় নগরের কাট্টলীর মাঈনুদ্দিন শাহ (রহ.)-এর মাজারসহ আরো বিভিন্ন মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।

সিলেট থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রতীক পাওয়ার পর বিভিন্ন আসনে রীতিমতো উৎসবের আনন্দ বয়ে যায়। সিলেট জেলার ছয়টি আসনে এবার নির্বাচনে ৩৩ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়ন যুদ্ধে নানা নাটকীয়তার পর জয়ী সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান প্রতীক বরাদ্দ নিতে।

প্রতীক ধানের শীষ পাওয়ার পর আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় প্রতীক আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পেলাম। এটি কী আনন্দের ও গৌরবের সেটি দলের নিবেদিত নেতাকর্মী ছাড়া কারো পক্ষে অনুভব করা কঠিন।’

সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রার্থী প্রণব জ্যোতি পাল দুপুর ১২টার দিকে প্রতীক বরাদ্দ নিতে যান। প্রতীক বরাদ্দ নেওয়ার পর তিনি অভিযোগ করেন, ‘প্রতীক বরাদ্দ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তাঁকে দেওয়া হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, ছয়টি আসনে ৪৮ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক পেয়েই জেলায় যে কজন হেভিওয়েট প্রার্থী আছেন তাঁরা অন্যদের মতো দৌড়ঝাঁপ বাড়িয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা পছন্দের হাঁস প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার বাড়ির হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি কিন্তু চোরকে ছাড়িনি, আমি মামলা করেছি। জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

ওই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব দলীয় প্রতীক খেজুরগাছ বরাদ্দ পেয়েছেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

জামায়াত জোটেও সমস্যা : ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা এনসিপি ৩০টি আসন ছাড়লেও এর মধ্যে দুটি আসনে (নরসিংদী-২ ও চট্টগ্রাম-৮) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আরো দুটি আসনে (সিরাজগঞ্জ-৬ ও নারায়ণগঞ্জ-৪) অন্য দুটি শরিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।

গত মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আসনে শেষ দিনে জামায়াত ও অন্যান্য শরিক দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এনসিপি শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করছে।

সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ঢাকা-১২-তে, কম পিরোজপুর-১ আসনে : নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ১৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ঢাকা-১২ আসনে। আর সর্বনিম্ন দুজন প্রার্থী পিরোজপুর-১ আসনে। ঢাকা-১২ আসনটিতে বিএনপি জোটের প্রার্থী রয়েছেন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক ও জামায়াতে প্রার্থী রয়েছেন মো. সাইফুল আলম।

এ ছাড়া আসনটিতে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবও প্রার্থিতায় রয়েছেন।

আসনটিতে মনোনয়নপত্র জামা দিয়েছিলেন মোট ১৮ জন প্রার্থী। তিনজন প্রার্থী ঝরে পড়েছেন। আর পিরোজপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন বিএনপির আলমগীর হোসেন এবং প্রয়াত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী। আসনটিতে আর কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

তিনজন করে প্রার্থী রয়েছেন- নওগাঁ-২, মেহেরপুর-২, নেত্রকোনা-৫, মানিকগঞ্জ-২, সুনামগঞ্জ-১ ও সুনামগঞ্জ-২ আসনে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। তালিকা অনুযায়ী, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে। এ ছাড়া খুলনা-১, ঢাকা-৯, ঢাকা-১৪ ও গাজীপুর-২ আসনে রয়েছেন ১২ জন করে প্রার্থী। ১১ জন করে প্রার্থী রয়েছেন ঢাকা-৫, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, নারায়ণগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ফেনী-২, নোয়াখালী-৫ ও খাগড়াছড়ি আসনে।

১০ জন করে প্রার্থী রয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩, রংপুর-৫, গাইবান্ধা-৩, খুলনা-৩, ঢাকা-১৮, নরসিংদী-৫, নারায়ণগঞ্জ-৫, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-৫, নোয়াখালী-৬, চট্টগ্রাম-৯ ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে।

আলোচিত ১৬ জন নারী প্রার্থী : রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি ৯ জন নারী প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপি থেকে।

তাঁরা হচ্ছেন- নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা (ইলেন ভুট্টো), শেরপুর-১ আসনে সানসিলা জেবরিন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম, ঢাকা-১৪ আসনে সানজিদা ইসলাম, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা চৌধুরী, সিলেট-২ আসনে মোছা. তাহসিনা রুশদীর।

এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা, ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এনসিপি নেতা তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তাসলিম আখতার, নেত্রকোনা-৪ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার, বরিশাল-৫ আসনে বাসদের মনীষা চক্রবর্তী, ঢাকা-১৯ আসনে এনসিপির দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে এনসিপির নাবিলা তাসনিদ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান

Published

on

By

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেননির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন, এই সংক্রান্ত চিঠি আমরা পেয়েছি।’

এখন সংশ্লিষ্ট আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট জারি করবে নির্বাচন কমিশন। আইন অনুযায়ী আসন শূন্য ঘোষণার পর তা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

আরপিও অনুযায়ী, ধারা ১৯(১)(খ) কোনো ব্যক্তি একই সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসন থেকে প্রার্থী হতে এবং নির্বাচিত হতে পারবেন। ধারা ১৯(২) যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হন, তবে তাকে গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে, তিনি কোন একটি আসন রাখতে চান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে এবং অবশিষ্ট আসন/আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে।

গেল বৃহস্পতিবার ভোটের পর ২৯৭ আসনে নির্বাচিতদের গেজেট হয়েছে শুক্রবার। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিতদের শপথের আয়োজন হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ২০৯টি আসন জিতে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছিলেন ২ লাখ ১৪ হাজার ৭২৪ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছিলেন ৯৬ হাজার ৫০৭ ভোট।এই আসনের ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতেই তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

Continue Reading

top1

পলাশীর যুদ্ধের রূপকে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ ইঙ্গিত নির্বাচনে পরাজিত বিএনপি প্রার্থীর

Published

on

By

অলটাইম নিউজ ডেস্ক

গত ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের পর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার। সেখানে পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক চরিত্রদের উদাহরণ টেনে তিনি নিজের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে ‘বিশ্বাসঘাতক’ থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “পলাশীর যুদ্ধ না হলে, মীর মদন ও মোহনলালের সাথে মীর জাফরকে পার্থক্য করা যেত না।”

তার এই পোস্টের পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনের মাঠে নিজের দলের বা ঘনিষ্ঠ বলয়ের কারো অন্তর্ঘাত বা অভ্যন্তরীণ অসহযোগিতাকেই তিনি এই ঐতিহাসিক রূপকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতায় বাংলার পরাজয় নিশ্চিত হয়েছিল। অন্যদিকে মীর মদন ও মোহনলাল শেষ পর্যন্ত নবাবের পক্ষে লড়ে জীবন দিয়েছিলেন। পরাজিত প্রার্থী নিজেকে নবাবের সাথে তুলনা না করলেও, তার এই বার্তার লক্ষ্য যে ‘ঘরের শত্রু’, তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তবে তার অনুসারীরা ওই পোস্টের নিচে বিভিন্ন মন্তব্যে পরাজয়ের জন্য দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করছেন।

মো. আশরাফুল ইসলাম নামে এক অনুসারী জাকির হোসেন সরকারের ঐ পোস্টে মন্তব্য করেছেন, ‘ত্রিমুখী সংকট বিদ্যমান ছিলো, প্রথম- সরাসরি মীরজাফরী,

দ্বিতীয়- দ্বায়িত্ব পেয়ে অবহেলা করা নেতৃত্ব, তৃতীয়- দ্বায়িত্বশীলরা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো কাজে সহায়তা না করা। অন্যান্য- ধর্মব্যবসায়ীদের অবাধ বিচরণে বাধা প্রদানে নির্দেশ না দেওয়া। বেইমান ও মীরজাফরদের চরিত্র কোনোদিন পরিবর্তন হবে না, তাই সঠিক তদন্ত ও শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নিতে হবে।’

রেজাউল হক নামে আরেক ব্যক্তি মন্তব্যে লিখেছেন, ‘মানুষকে বিশ্বাস করা কোনো অপরাধ নয় বরং যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তারা অপরাধী অতএব আগামীদিনে আপনি অবস্যই আল্লাহর পক্ষথেকে সম্মানিত হবেন ইনশাআল্লাহ। আপনার সমস্ত সিদ্ধান্ত ঠিক আছে, এবার সমস্ত রাস্তা চেনা হলো আগামীতে গন্তব্যে পৌঁছনো সহজ হবে।’

এ বিষয়ে জানতে জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। 

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাকির হোসেন সরকার কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমীর হামজার কাছে পরাজিত হন।

Continue Reading

top1

রমজানে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

Published

on

By

পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মারিয়া তানজিমা।

উল্লেখ্য, রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল, অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী

Continue Reading

Trending