Connect with us

top1

আজ থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পরদিন বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই মাঠে নেমেছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা।

উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী এলাকায় ছুটে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন তারা। পাশাপাশি দিচ্ছেন উন্নয়ন ও পরিবর্তনের নানা প্রতিশ্রুতি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার জন্য গতকাল রাতেই সেখানে পৌঁছে গেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজ আসন ঢাকা-১৫-তে জনসভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি আজ সকালে তিন নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও খাজা নাজিমুদ্দিনের মাজার এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, নিবন্ধিত মোট ৬০টি দলের মধ্যে এবার ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ২৯৮টি আসনের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী রয়েছেন ২৮৮ আসনে, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ২২৪ আসনে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার প্রার্থী ২৫৩ আসনে, এনসিপির শাপলাকলির প্রার্থী ৩২ আসনে, জাতীয় পার্টির লাঙলের প্রার্থী ১৯২ আসনে, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবির কাস্তের প্রার্থী ৬৫ আসনে এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাকের প্রার্থী রয়েছেন ৯০ আসনে।

এ ছাড়া এলডিপি ১২, জাতীয় পার্টি-জেপি ১০, গণতন্ত্রী পার্টি ১, জাসদ ৬, জেএসডি ২৬, জাকের পার্টি ৭, বাসদ ৩৯, বিজেপি ৫, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ৮, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ১৩, এনপিপি ২৩, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ৪, গণফোরাম ১৯, গণফ্রন্ট ৫, বাংলাদেশ ন্যাপ ১, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ৩, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১৯, কল্যাণ পার্টি ২, ইসলামী ঐক্যজোট ২, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ২৬, জাগপা ১, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ৭, খেলাফত মজলিস ২১, বিএমএল ৬, মুক্তিজোট ২০, বিএনএফ ৮, এনডিএম ৮, বাংলাদেশ কংগ্রেস ১৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ৪২, বাংলাদেশ জাসদ ১১, বিএসপি ১৯, এবি পার্টি ৩০, নাগরিক ঐক্য ১১, গণসংহতি আন্দোলন ১৭, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২, বিএমজেপি ৮, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ১৫, বিআরপি ১২, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) ২৯, জনতার দল ১৯, আমজনতার দল ১৫, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি ১ এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী ৩ আসনে লড়াই করছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন মোট ২৪৯ আসনে।

এ ছাড়া পাবনা-১ ও ২ আসনে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী থাকলেও তাঁরা এখনো চূড়ান্ত হননি।

এদিকে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ৫৯ নেতাকে গতকাল একসঙ্গে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এর আগে একই কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

প্রতীক পাওয়ার পর আনন্দ, উত্তেজনা : দলীয় প্রতীক পেতে সকাল থেকেই জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমান বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। রিটার্নিং অফিসার একে একে সবার হাতে বা প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেন প্রতীক বরাদ্দের কাগজ।

রিটার্নিং অফিসারের হাত থেকে তা হাতে নিয়ে এ দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করেন বেশির ভাগ প্রার্থী। রিটার্নিং অফিসারের কক্ষের বাইরে বের হলে কর্মী-সমর্থকরা হাততালি দিয়ে স্বাগত জানান নিজ নিজ প্রার্থীদের। প্রার্থীরা অপেক্ষমাণ দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে হাত মেলান, আলিঙ্গন করেন।

প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর অনেক এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা গেলেও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে। ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিএনপির দলীয় ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন।

গফরগাঁও প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনের বিএনপির প্রার্থী আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী এ বি সিদ্দিকুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে গতকাল বিকেল প্রায় ৫টায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পৌর শহরের ইসলামিয়া সরকারি হাই স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় একজনকে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করতেও দেখা যায়।

পরে পুলিশ, সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা গফরগাঁও রেলস্টেশনসংলগ্ন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মুক্তার হোসেনের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ঘটনার পর থেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গফরগাঁও বাজারের বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে খুশি চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের প্রার্থীরা। গতকাল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রস্তুতি নেন।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের কদমতলী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন কদমতলী মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু করবেন।

ট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগর আংশিক) আসনে বিএনপি প্রার্থী দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী সকাল পৌনে ৮টায় পারিবারিক কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সকাল ৮টায় নগরের কাট্টলীর মাঈনুদ্দিন শাহ (রহ.)-এর মাজারসহ আরো বিভিন্ন মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।

সিলেট থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রতীক পাওয়ার পর বিভিন্ন আসনে রীতিমতো উৎসবের আনন্দ বয়ে যায়। সিলেট জেলার ছয়টি আসনে এবার নির্বাচনে ৩৩ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়ন যুদ্ধে নানা নাটকীয়তার পর জয়ী সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান প্রতীক বরাদ্দ নিতে।

প্রতীক ধানের শীষ পাওয়ার পর আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় প্রতীক আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পেলাম। এটি কী আনন্দের ও গৌরবের সেটি দলের নিবেদিত নেতাকর্মী ছাড়া কারো পক্ষে অনুভব করা কঠিন।’

সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রার্থী প্রণব জ্যোতি পাল দুপুর ১২টার দিকে প্রতীক বরাদ্দ নিতে যান। প্রতীক বরাদ্দ নেওয়ার পর তিনি অভিযোগ করেন, ‘প্রতীক বরাদ্দ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তাঁকে দেওয়া হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, ছয়টি আসনে ৪৮ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক পেয়েই জেলায় যে কজন হেভিওয়েট প্রার্থী আছেন তাঁরা অন্যদের মতো দৌড়ঝাঁপ বাড়িয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা পছন্দের হাঁস প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার বাড়ির হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি কিন্তু চোরকে ছাড়িনি, আমি মামলা করেছি। জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

ওই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব দলীয় প্রতীক খেজুরগাছ বরাদ্দ পেয়েছেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

জামায়াত জোটেও সমস্যা : ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা এনসিপি ৩০টি আসন ছাড়লেও এর মধ্যে দুটি আসনে (নরসিংদী-২ ও চট্টগ্রাম-৮) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আরো দুটি আসনে (সিরাজগঞ্জ-৬ ও নারায়ণগঞ্জ-৪) অন্য দুটি শরিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।

গত মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আসনে শেষ দিনে জামায়াত ও অন্যান্য শরিক দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এনসিপি শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করছে।

সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ঢাকা-১২-তে, কম পিরোজপুর-১ আসনে : নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ১৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ঢাকা-১২ আসনে। আর সর্বনিম্ন দুজন প্রার্থী পিরোজপুর-১ আসনে। ঢাকা-১২ আসনটিতে বিএনপি জোটের প্রার্থী রয়েছেন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক ও জামায়াতে প্রার্থী রয়েছেন মো. সাইফুল আলম।

এ ছাড়া আসনটিতে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবও প্রার্থিতায় রয়েছেন।

আসনটিতে মনোনয়নপত্র জামা দিয়েছিলেন মোট ১৮ জন প্রার্থী। তিনজন প্রার্থী ঝরে পড়েছেন। আর পিরোজপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন বিএনপির আলমগীর হোসেন এবং প্রয়াত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী। আসনটিতে আর কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

তিনজন করে প্রার্থী রয়েছেন- নওগাঁ-২, মেহেরপুর-২, নেত্রকোনা-৫, মানিকগঞ্জ-২, সুনামগঞ্জ-১ ও সুনামগঞ্জ-২ আসনে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। তালিকা অনুযায়ী, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে। এ ছাড়া খুলনা-১, ঢাকা-৯, ঢাকা-১৪ ও গাজীপুর-২ আসনে রয়েছেন ১২ জন করে প্রার্থী। ১১ জন করে প্রার্থী রয়েছেন ঢাকা-৫, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, নারায়ণগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ফেনী-২, নোয়াখালী-৫ ও খাগড়াছড়ি আসনে।

১০ জন করে প্রার্থী রয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩, রংপুর-৫, গাইবান্ধা-৩, খুলনা-৩, ঢাকা-১৮, নরসিংদী-৫, নারায়ণগঞ্জ-৫, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-৫, নোয়াখালী-৬, চট্টগ্রাম-৯ ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে।

আলোচিত ১৬ জন নারী প্রার্থী : রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি ৯ জন নারী প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপি থেকে।

তাঁরা হচ্ছেন- নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা (ইলেন ভুট্টো), শেরপুর-১ আসনে সানসিলা জেবরিন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম, ঢাকা-১৪ আসনে সানজিদা ইসলাম, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা চৌধুরী, সিলেট-২ আসনে মোছা. তাহসিনা রুশদীর।

এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা, ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এনসিপি নেতা তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তাসলিম আখতার, নেত্রকোনা-৪ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার, বরিশাল-৫ আসনে বাসদের মনীষা চক্রবর্তী, ঢাকা-১৯ আসনে এনসিপির দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে এনসিপির নাবিলা তাসনিদ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

প্রচারের প্রথম দিনেই সহিংসতা, স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর

Published

on

By

কুমিল্লার হোমনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারের প্রথম দিনেই বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের গাড়ি ভাঙচুরসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি একপর্যায়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হলে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রচারের প্রথম দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান কর্মী–সমর্থকদের নিয়ে পৌরসভার শ্রীমদ্দি গ্রামে যাচ্ছিলেন। এ সময় হোমনা ওভারব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিএনপির কর্মী–সমর্থকরা তাদের গাড়িবহর আটকে দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা এবং পরে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ জনকে হোমনা সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সহিংসতার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মতিন খান একটি মোবাইল ফোনের দোকানে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান বলেন, নির্বাচনি মাঠে ভয়ভীতি ও সহিংসতার মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা চলছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাতে চাই।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো কর্মী বা সমর্থক জড়িত নয়।

হোমনা থানার ওসি মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কায় পরে যৌথবাহিনী এলাকায় টহল শুরু করে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে পুরো এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে

Continue Reading

top1

কালীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের ওপর হামলা, আহত ৩

Published

on

By

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনি সভায় আসার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় তিন জন আহত হয়েছেন। আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ও উল্ল্যা গ্রামে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন: উপজেলার উল্ল্যা গ্রামের আনোয়ার হোসেন কালু, সদর উপজেলার সমসপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও ধনঞ্জয়পুর গ্রামের মো. আবু মিয়া।

আহত আনোয়ার হোসেন কালু বলেন, ‘আমি বাইসাইকেলযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের নির্বাচনি সমাবেশে কালীগঞ্জে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী সিফাত ও লিমন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলা করে। আমার হাত ও পা ভেঙে দিয়েছে। মাথায় বেধড়ক পিটিয়েছে।’

অপরদিকে রামচন্দ্রপুর এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের কর্মী শহীদুল ইসলাম ও আবু মিয়ার ওপর হামলা চালিয়েছেন বিএনপি প্রার্থীর কর্মীরা।

তারা সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়ন থেকে কালীগঞ্জে নির্বাচনি জনসভায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের মারধর করা হয়েছে। আহতরা জানান, সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল মোল্লার ছেলে জুয়েল মোল্লার নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগের বিষয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, ‘আমি এলাকায় নতুন। কে যে কার কর্মী সেটা এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। তবে আমার প্রকৃত কোনো কর্মী এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে না।’

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনীর একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। দুষ্কৃতিকারীদের আটকের জন্য অভিযান চলছে।

Continue Reading

top1

তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান

Published

on

By

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) বিএনপির প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তার।

জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বাহারউদ্দীন ভূইঞা জানান, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের শ্বাসতন্ত্রে ইনফেকশন রয়েছে। নিউমোনিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত, অক্সিজেনের মাত্রাও কমে গেছে। এখনও তারা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

Continue Reading

Trending