Connect with us

top1

আজ থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পরদিন বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই মাঠে নেমেছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা।

উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী এলাকায় ছুটে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন তারা। পাশাপাশি দিচ্ছেন উন্নয়ন ও পরিবর্তনের নানা প্রতিশ্রুতি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার জন্য গতকাল রাতেই সেখানে পৌঁছে গেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজ আসন ঢাকা-১৫-তে জনসভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি আজ সকালে তিন নেতা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও খাজা নাজিমুদ্দিনের মাজার এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, নিবন্ধিত মোট ৬০টি দলের মধ্যে এবার ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ২৯৮টি আসনের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী রয়েছেন ২৮৮ আসনে, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ২২৪ আসনে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার প্রার্থী ২৫৩ আসনে, এনসিপির শাপলাকলির প্রার্থী ৩২ আসনে, জাতীয় পার্টির লাঙলের প্রার্থী ১৯২ আসনে, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবির কাস্তের প্রার্থী ৬৫ আসনে এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাকের প্রার্থী রয়েছেন ৯০ আসনে।

এ ছাড়া এলডিপি ১২, জাতীয় পার্টি-জেপি ১০, গণতন্ত্রী পার্টি ১, জাসদ ৬, জেএসডি ২৬, জাকের পার্টি ৭, বাসদ ৩৯, বিজেপি ৫, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ৮, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ১৩, এনপিপি ২৩, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ৪, গণফোরাম ১৯, গণফ্রন্ট ৫, বাংলাদেশ ন্যাপ ১, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ৩, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১৯, কল্যাণ পার্টি ২, ইসলামী ঐক্যজোট ২, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ২৬, জাগপা ১, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ৭, খেলাফত মজলিস ২১, বিএমএল ৬, মুক্তিজোট ২০, বিএনএফ ৮, এনডিএম ৮, বাংলাদেশ কংগ্রেস ১৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ৪২, বাংলাদেশ জাসদ ১১, বিএসপি ১৯, এবি পার্টি ৩০, নাগরিক ঐক্য ১১, গণসংহতি আন্দোলন ১৭, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২, বিএমজেপি ৮, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ১৫, বিআরপি ১২, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) ২৯, জনতার দল ১৯, আমজনতার দল ১৫, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি ১ এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী ৩ আসনে লড়াই করছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন মোট ২৪৯ আসনে।

এ ছাড়া পাবনা-১ ও ২ আসনে মোট ৯ জন বৈধ প্রার্থী থাকলেও তাঁরা এখনো চূড়ান্ত হননি।

এদিকে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ৫৯ নেতাকে গতকাল একসঙ্গে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এর আগে একই কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

প্রতীক পাওয়ার পর আনন্দ, উত্তেজনা : দলীয় প্রতীক পেতে সকাল থেকেই জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমান বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। রিটার্নিং অফিসার একে একে সবার হাতে বা প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেন প্রতীক বরাদ্দের কাগজ।

রিটার্নিং অফিসারের হাত থেকে তা হাতে নিয়ে এ দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করেন বেশির ভাগ প্রার্থী। রিটার্নিং অফিসারের কক্ষের বাইরে বের হলে কর্মী-সমর্থকরা হাততালি দিয়ে স্বাগত জানান নিজ নিজ প্রার্থীদের। প্রার্থীরা অপেক্ষমাণ দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে হাত মেলান, আলিঙ্গন করেন।

প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর অনেক এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা গেলেও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে। ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিএনপির দলীয় ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন।

গফরগাঁও প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনের বিএনপির প্রার্থী আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী এ বি সিদ্দিকুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে গতকাল বিকেল প্রায় ৫টায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পৌর শহরের ইসলামিয়া সরকারি হাই স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় একজনকে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করতেও দেখা যায়।

পরে পুলিশ, সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা গফরগাঁও রেলস্টেশনসংলগ্ন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মুক্তার হোসেনের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ঘটনার পর থেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গফরগাঁও বাজারের বহু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে খুশি চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের প্রার্থীরা। গতকাল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রস্তুতি নেন।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের কদমতলী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন কদমতলী মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু করবেন।

ট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগর আংশিক) আসনে বিএনপি প্রার্থী দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী সকাল পৌনে ৮টায় পারিবারিক কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সকাল ৮টায় নগরের কাট্টলীর মাঈনুদ্দিন শাহ (রহ.)-এর মাজারসহ আরো বিভিন্ন মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।

সিলেট থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রতীক পাওয়ার পর বিভিন্ন আসনে রীতিমতো উৎসবের আনন্দ বয়ে যায়। সিলেট জেলার ছয়টি আসনে এবার নির্বাচনে ৩৩ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়ন যুদ্ধে নানা নাটকীয়তার পর জয়ী সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান প্রতীক বরাদ্দ নিতে।

প্রতীক ধানের শীষ পাওয়ার পর আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় প্রতীক আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পেলাম। এটি কী আনন্দের ও গৌরবের সেটি দলের নিবেদিত নেতাকর্মী ছাড়া কারো পক্ষে অনুভব করা কঠিন।’

সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রার্থী প্রণব জ্যোতি পাল দুপুর ১২টার দিকে প্রতীক বরাদ্দ নিতে যান। প্রতীক বরাদ্দ নেওয়ার পর তিনি অভিযোগ করেন, ‘প্রতীক বরাদ্দ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তাঁকে দেওয়া হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, ছয়টি আসনে ৪৮ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক পেয়েই জেলায় যে কজন হেভিওয়েট প্রার্থী আছেন তাঁরা অন্যদের মতো দৌড়ঝাঁপ বাড়িয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা পছন্দের হাঁস প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার বাড়ির হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি কিন্তু চোরকে ছাড়িনি, আমি মামলা করেছি। জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

ওই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব দলীয় প্রতীক খেজুরগাছ বরাদ্দ পেয়েছেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

জামায়াত জোটেও সমস্যা : ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা এনসিপি ৩০টি আসন ছাড়লেও এর মধ্যে দুটি আসনে (নরসিংদী-২ ও চট্টগ্রাম-৮) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আরো দুটি আসনে (সিরাজগঞ্জ-৬ ও নারায়ণগঞ্জ-৪) অন্য দুটি শরিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।

গত মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আসনে শেষ দিনে জামায়াত ও অন্যান্য শরিক দলের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এনসিপি শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করছে।

সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ঢাকা-১২-তে, কম পিরোজপুর-১ আসনে : নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ১৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ঢাকা-১২ আসনে। আর সর্বনিম্ন দুজন প্রার্থী পিরোজপুর-১ আসনে। ঢাকা-১২ আসনটিতে বিএনপি জোটের প্রার্থী রয়েছেন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক ও জামায়াতে প্রার্থী রয়েছেন মো. সাইফুল আলম।

এ ছাড়া আসনটিতে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবও প্রার্থিতায় রয়েছেন।

আসনটিতে মনোনয়নপত্র জামা দিয়েছিলেন মোট ১৮ জন প্রার্থী। তিনজন প্রার্থী ঝরে পড়েছেন। আর পিরোজপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন বিএনপির আলমগীর হোসেন এবং প্রয়াত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী। আসনটিতে আর কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

তিনজন করে প্রার্থী রয়েছেন- নওগাঁ-২, মেহেরপুর-২, নেত্রকোনা-৫, মানিকগঞ্জ-২, সুনামগঞ্জ-১ ও সুনামগঞ্জ-২ আসনে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। তালিকা অনুযায়ী, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে। এ ছাড়া খুলনা-১, ঢাকা-৯, ঢাকা-১৪ ও গাজীপুর-২ আসনে রয়েছেন ১২ জন করে প্রার্থী। ১১ জন করে প্রার্থী রয়েছেন ঢাকা-৫, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, নারায়ণগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ফেনী-২, নোয়াখালী-৫ ও খাগড়াছড়ি আসনে।

১০ জন করে প্রার্থী রয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩, রংপুর-৫, গাইবান্ধা-৩, খুলনা-৩, ঢাকা-১৮, নরসিংদী-৫, নারায়ণগঞ্জ-৫, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-৫, নোয়াখালী-৬, চট্টগ্রাম-৯ ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে।

আলোচিত ১৬ জন নারী প্রার্থী : রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি ৯ জন নারী প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপি থেকে।

তাঁরা হচ্ছেন- নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা (ইলেন ভুট্টো), শেরপুর-১ আসনে সানসিলা জেবরিন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম, ঢাকা-১৪ আসনে সানজিদা ইসলাম, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা চৌধুরী, সিলেট-২ আসনে মোছা. তাহসিনা রুশদীর।

এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা, ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এনসিপি নেতা তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তাসলিম আখতার, নেত্রকোনা-৪ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার, বরিশাল-৫ আসনে বাসদের মনীষা চক্রবর্তী, ঢাকা-১৯ আসনে এনসিপির দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে এনসিপির নাবিলা তাসনিদ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বিনা জামানতে নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ ১০ লাখ টাকা

Published

on

By

নতুন উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য দেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তরুণদের জন্য বিনা সুদে কোনো ঋণ প্রকল্প চলমান নেই। তবে সহজ শর্তে এবং স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন পুনরর্থায়ন স্কিম পরিচালনা করে আসছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে ‘নতুন উদ্যোক্তা পুনরর্থায়ন স্কিম’-এর তহবিলের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

এই তহবিল থেকে নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এ ছাড়া জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

স্টার্টআপদের জন্য ৪ শতাংশ সুদে ঋণ ও ইক্যুইটি সহায়তা স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে ‘স্টার্ট আপ ফান্ড’ নামে ৫০০ কোটি টাকার আরো একটি পুনরর্থায়ন তহবিল গঠন করার কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।

Continue Reading

top1

ইরানের সঙ্গে ‘চুক্তি হচ্ছে’, দুই মাসে অন্তত ৩৭ বার দাবি ট্রাম্পের

Published

on

By

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই মাসেরও বেশি সময় আগে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন, উভয় পক্ষ চুক্তির খুব কাছাকাছি। তবে সেই প্রতিশ্রুত চুক্তি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। দুই মাসে অন্তত ৩৭ বার চুক্তি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ৭ এপ্রিল ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘অনেক দূর এগিয়েছে’ এবং চুক্তি চূড়ান্ত করতে মাত্র দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। 

কিন্তু দুই সপ্তাহ পেরিয়ে দুই মাসেরও বেশি সময় কেটে গেলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প বিভিন্ন জনসভা, সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকার, ফোনালাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তত ৩৭ বার দাবি করেছেন যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি খুব শিগগিরই হতে যাচ্ছে অথবা তেহরান চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

ঘটনার সূত্রপাত ২৩ মার্চ। যুদ্ধ শুরুর এক মাসও পূর্ণ না হতেই ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “শান্তি আলোচনায় ‘প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতা’ হয়ে গেছে”।

যদিও সে সময় ইরান আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। পরবর্তী দিনগুলোতে ট্রাম্পের বক্তব্য আরও জোরালো হতে থাকে।

তিনি কখনো বলেন, “ইরান খুবই আগ্রহী চুক্তি করতে”, আবার কখনো দাবি করেন, “তারা চুক্তির জন্য অনুনয়-বিনয় করছে”।

২৯ মার্চ ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “আমি ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি দেখতে পাচ্ছি”।

এরপর ৭ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে তিনি দুই সপ্তাহের একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেন, যার মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

১৫ এপ্রিল তিনি বলেন, “আমি মনে করি বিষয়টি শেষ হওয়ার খুব কাছাকাছি”। একদিন পর সাংবাদিকদের জানান, “চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ভালো”।

১৭ এপ্রিল ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেন, ইরান “সব বিষয়ে রাজি হয়েছে” এবং “এক-দুই দিনের মধ্যেই চুক্তি হবে”। এমনকি ২০ এপ্রিল ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, “সবকিছু খুব দ্রুতই হয়ে যাবে”।

সেই পূর্বাভাসও সত্যি হয়নি

এপ্রিলের শেষ দিকে তিনি আবার বলেন, “ইরান চুক্তির জন্য মরিয়া”। ১ মে তিনি মন্তব্য করেন, “যুদ্ধ শেষ হতে খুব বেশি সময় লাগবে না”।

মে মাসেও একই ধরনের বক্তব্য অব্যাহত রাখেন ট্রাম্প। ১৮ মে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অনুরোধে সামরিক হামলা দুই-তিন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে, কারণ তারা মনে করছে চুক্তি “খুব কাছাকাছি”।

এ সময় ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেন, অতীতেও একাধিকবার মনে হয়েছিল চুক্তি হতে যাচ্ছে, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে তিনি দাবি করেন, এবার পরিস্থিতি “ভিন্ন”।

এরপরও হয়নি সমঝোতা

২৩ মে ট্রাম্প আবার বলেন, “আলোচনা ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে এবং চুক্তি ‘খুব শিগগিরই’ ঘোষণা করা হবে”।

২৮ মে তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানান, উভয় পক্ষ “একটি খুব ভালো চুক্তির কাছাকাছি”।

গত রবিবারও তিনি বলেন, “আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি”।

তবে একই সঙ্গে অভিযোগ করেন, ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত সেই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।

সোমবারও তিনি একই সুরে কথা বলেন। সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের একটি টেলি-র‍্যালিতে ট্রাম্প দাবি করেন, “আমরা এখন আলোচনা করছি, তারা একটি ভালো চুক্তি করতে চায়”।

এমনকি তিনি আরও বলেন, “তারা আমাদের সবকিছু দিতে প্রস্তুত”।

তবে এতবার আশ্বাস দেওয়ার পরও বাস্তবে কোনো চুক্তির অগ্রগতি দৃশ্যমান হচ্ছে না। ফলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ট্রাম্পের এসব বক্তব্যকে এখন আর গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত ভিত্তি নেই।

সোর্স: সিএনএন

Continue Reading

top1

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

Published

on

By

তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুন নির্ধারণ করেছেন আদালত। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত থাকবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অপরপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে সকালে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়।

গত ২১ মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত ৭ এপ্রিল ১৮৫ পৃষ্ঠার হাইকোর্টের রায় প্রকাশ করা হয়। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এই রায় দেন।

রায়ে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির-সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের এমন বিধান বাতিল করেন হাইকোর্ট। ফলে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত হলো। একইসঙ্গে অধস্তন আদালতের জন্য ২০১৭ সালে করা শৃঙ্খলাবিধি বাতিল করা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অ্যামিকাস কিউরি ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ, ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী রিটটি করেন। পরে একই বছরের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট ‍রুল জারি করেন।

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার-কর্ম বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল-নির্ধারণ, পদোন্নতি ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি তা প্রয়োগ করে থাকেন।

রিটকারীদের আইনজীবীর মতে, ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

একই অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলে উল্লেখ রয়েছে। মূলত রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের সরাসরি হস্তক্ষেপ দেখা যায়, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করে।

১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের এ দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল।

১৯৭৪ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। পরে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এবং ‘সুপ্রিমকোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে’ শব্দগুলো সন্নিবেশিত করা হয়।

এরপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী আইন অসাংবিধানিক মর্মে ঘোষণা করলে পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ এর মাধ্যমে ১১৬ অনুচ্ছেদের বর্তমান একই বিধানটি প্রতিস্থাপন করা হয়। বর্তমানে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে এ বিধানটিই বিদ্যমান রয়েছে।

Continue Reading

Trending