Connect with us

top1

আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না, জানেন না এখানে কী হয়েছে

Published

on

তিনি বলেন, ‘আপনি মনে করছেন এটাই বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস। বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস এটা না। সেই ইতিহাস আমি বর্ণনা করব। ভবিষ্যতে যদি আপনি এরকম কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন সেখানে।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, তারেক রহমান, আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনি জানেন না এখানে কী হয়েছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে বিএনপির উদ্যোগে সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাহমুদুর রহমান তার বক্তব্যে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত ছিলেন না। তিনি জানতেন না মুক্তিযুদ্ধ কিভাবে হয়েছে এবং তিনি ফিরে এসেও জানার চেষ্টা করেননি। তাকে আওয়ামী লীগের লোকজন যা বলেছে এবং ভারতীয় পক্ষ যা বলেছে সেটাকেই তিনি ধরে নিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন এটাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। এই জন্যই তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন।’

তারেক রহমানকে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘তারেক রহমান, আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনি জানেন না এখানে কী হয়েছে। আপনার লোকজন আপনাকে যা বলেছে সেটাই আপনি শুনেছেন। এখন মিডিয়ার নতুন বন্ধুরা আপনাকে যেটা বলছে সেটাই আপনি শুনছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনি মনে করছেন এটাই বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস। বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস এটা না। সেই ইতিহাস আমি বর্ণনা করব। ভবিষ্যতে যদি আপনি এরকম কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন সেখানে।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

By

বিদেশে পড়াশোনা করতে যেতে অনেক সময় ব্যাংকে বড় অঙ্কের টাকা জমা রাখা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় একটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিষয়টি বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

এখন বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ এবং তার নির্দেশনায় আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে যারা কোরিয়া, জাপান, চায়না, জার্মানি এরকম দেশগুলোতে যাবে; বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। সেটা আমাদের মন্ত্রণালয়ের একটা ব্যাংক আছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওই ব্যাংকই ডেডিকেটেড করতে বলেছেন, যেন এই মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের সংকট নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য। সেক্ষেত্রে এই যুদ্ধের ফলে আমাদের কী ধরনের সংকট এবং সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে সেগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করেছে। বিশেষ করে ধরেন এখানে মিডল ইস্টে যে ধরনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেস্ট্রয় করা হয়েছে এগুলো আবার রিবিল্ড করতে হবে। তাছাড়া ওখানে আশা করি যে আমাদের দেশের শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং আমাদের দেশের চাহিদা আরও তৈরি হতে পারে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ শুধু ভাষা না জানার কারণে তারা অল্প পয়সার চাকরি করে। ভাষা জানলে তারা একটু ভালো বেতন পেতে পারে।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানে এক লাখ লোক পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটা এমওইউ হয়েছে, সেটাকে কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়। জাপানসহ ইউরোপে কীভাবে আমরা লোক পাঠাতে পারি সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা করার জন্য ইন্ডিয়া যেতে হয়। তো এটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, তাদেরকে পারসু করে বাংলাদেশে তাদের একটা অফিস বা কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করা। এই বিষয়ে আজকে আলোচনা হয়েছে। কিছু দেশ এরইমধ্যে এখানে কনস্যুলার সেবা দিচ্ছে। বাকি দেশগুলো যেন এখানে নিশ্চিত করে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।

Continue Reading

top1

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৫ দিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি

Published

on

By

ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম খলনায়ক, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের অন্যতম নেপথ্য নায়ক ও বিনা ভোটের এমপি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে মানব পাচার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে পল্টন থানায় এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৫ দিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে সাবেক এই লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।

ডিআইজি শফিকুল ইসলাম জানান, ‘আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি। তার বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।’

২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসির দায়িত্বে থাকা মাসুদ উদ্দিন এক-এগারোর রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানের পর কথিত দুর্নীতিবিরোধী গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। ওই কমিটির প্রধান ছিলেন তখনকার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এম এ মতিন।

তবে জরুরি অবস্থার ওই সময়ে পর্দার আড়ালে থেকে জেনারেল মাসুদই যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করতেন। সেনা কর্মকর্তাদের নেতৃত্বাধীন ওই বাহিনী শীর্ষ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করত এবং পরে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দেওয়া হতো। অনেক ক্ষেত্রে বিত্তশালী ও ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল।

২০০৬ সালের শেষ ভাগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পর রাজনৈতিক মতানৈক্যের মধ্যে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলোর আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে। জাতীয় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় আন্দোলনরত দলগুলো।

ওই অবস্থায় সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা-হানাহানির মধ্যে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে জিম্মি করে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য করে প্রভাবশালী কুশীলবেরা। বাতিল করা হয় ২২ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন।

আলোচিত সেই ঘটনাপ্রবাহের শুরুর দিনটি পরিচিতি পায় ‘ওয়ান ইলেভেন’ নামে। বিএনপি নেতাদের বিশ্বাস, ‘এক-এগারো’ না ঘটলে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারাই আবার ক্ষমতায় ফিরতেন।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি এবং ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সামরিক কর্মকর্তাদের অন্যতম নায়ক ছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (পরে চার তারকা জেনারেল হন) মইন উ আহমেদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে জেনারেল মাসুদই কার্যত সেই প্রভাবশালী কমিটি (গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি) পরিচালনা করতেন, যার নির্দেশে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র রাজনীতিকদের পাশাপাশি দেশের শীর্ষ অনেক ব্যবসায়ীকেও আটক করা হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও সে সময় গ্রেপ্তার করে দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়েছিল। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে কথিত ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’র মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে পাল্টে ফেলে রাজনীতিকে নতুন চেহারা দেওয়ার অপচেষ্টা দেখা যায়।

সেই সময় তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের পর সামরিক গোয়েন্দা হেফাজতে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। এমনকি হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। নির্যাতনের একপর্যায়ে ওপরে তুলে শূন্য থেকে ফ্লোরে ফেলে তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার কথা তখন জানা যায়। জেনারেল অব. মাসুদের তত্ত্বাবধানে কতিপয় অতিউৎসাহী কর্মকর্তা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আলোচিত এই সেনা কর্মকর্তা পারিবারিক সূত্রে খালেদা জিয়া পরিবারের আত্মীয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই মরহুম সাঈদ ইস্কান্দারের ভায়রা ভাই। সেই সুবাদে খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে পদোন্নতি পান এবং গুরুত্বপূর্ণ নবম ডিভিশনের দায়িত্ব পান।

মঈন-ফখরুদ্দিন সরকারের দেড় বছরের মাথায় সেনাপ্রধানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে ২০০৮ সালের জুনে লেফটেনেন্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার করে পাঠানো হয়। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারও তাকে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত সেই দায়িত্বে রাখে।

১৯৭৫ সালে রক্ষীবাহিনী গঠিত হলে সেই বাহিনীতে ছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। পরে তাদের সেনাবাহিনীতে আত্তীকরণ করা হয়।

সেনাবাহিনী থেকে অবসরের পর ২০১৮ সালে তিনি এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। দলটির মনোনয়নে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পাশাপাশি জনশক্তি রপ্তানি, অভিজাত রেষ্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ব্যবসা চালিয়ে যান। মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার নিয়ে কারসাজি ও বহু মানুষকে প্রতারিত করারও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

২০২৪ সালের জুলাই আগস্টের হাসিনা-পতন আন্দোলনের সময় ফনীর মহিপালে অস্ত্রধারীদের নির্বিচার গুলিতে অন্তত ১১ জন শহীদ হন। ওই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় ফেনীতে যে কয়টি মামলা হয়েছে তার অন্যতম অভিযুক্ত আসামি জেনারেল মাসুদ। কিন্তু প্রায় দুই বছরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অবশেষে আজ আটক হলেন।

Continue Reading

top1

অতিরিক্ত ভাড়া ফেরতের নামে ধোঁকাবাজি চলছে: বিরোধীদলীয় নেতা

Published

on

By

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, ঈদের সময় যাত্রীরা টিকেট কিনতে গিয়ে দেখেছেন অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি। যে আশা নিয়ে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করবে, সেমাই খাবে, তার আনন্দ তো এখানেই মাটি হয়ে গেল।

জনগণের সঙ্গে ধোকাবাজি চলছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, মন্ত্রী বলেছেন, অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেওয়া হবে। দেশবাসীর প্রশ্ন, লাখ লাখ মানুষ ঢাকা ছেড়েছে। এই বিপুলসংখ্যক মানুষের নিকট তিনি ফেরতকৃত টাকা পৌঁছাবেন কীভাবে? এটা দেশবাসীর সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।

সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের নিজ এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে। অনিয়ম হলেও আমরা তা মেনে নিয়েছি, যাতে দেশটা অচল না হয়। আপনারা যদি সঠিক ধারায় ফিরে না আসেন তাহলে সারাদেশের মানুষ কিন্তু জুলাই যোদ্ধা। এই মানুষগুলো আপনাদের ক্ষমা করবে না।

তিনি বলেন, আমরা সরকারের কণ্ঠে শুনতে চাই, ‘আর বাংলাদেশে চাঁদাবাজি হবে না, মানুষের ওপর জুলুম করা হবে না।’ আমরাও সরকারকে দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই, যদি সরকার কথা ও কাজে এটা প্রমাণ করতে পারেন, আমরা সরকারের সকল ইতিবাচক কাজে সহযোগিতা করবো, সমর্থন করব। কিন্তু যে পদক্ষেপ জনস্বার্থের বিপক্ষে যাবে আমরা তার প্রতিবাদ করব। এতেও কাজ না হলে, আমরা প্রতিহত করবো।

প্রাণবন্ত এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর আমির মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খাঁন, সাবেক জেলা আমির মো. আব্দুল মান্নান, মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য আব্দুস সালাম আল মাদানী, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামির আলী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন, সাবেক জেলা সেক্রেটারি খন্দকার আব্দুস সোবহান ও আব্দুল হামিদ খান, উপজেলা নায়েবে আমির জাকির আহমেদ, সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরী, উপজেলা শূরা সদস্য রাজানুর রহিম ইফতেখার, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দিন, শহর সভাপতি কাজী দাইয়ান আহমেদ প্রমুখ।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ঈদের প্রচণ্ড ব্যস্ততার মাঝেও নিজ এলাকায় আসায় জনগণের মাঝে বেশ উচ্ছাস সৃষ্টি হয়। বাড়িতে প্রবেশের আগে তিনি নিজ গ্রামের কবরস্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তাকে বিশাল মোটর সাইকেল বহর নিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ৪ হাজার মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মেহমানদের সঙ্গে তিনি দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন।

Continue Reading

Trending