Connect with us

top1

আমি প্রথম বিদ্রোহ করেছি, জামায়াত আমিরের বক্তব্য ঠিক আছে: কর্নেল অলি

Published

on

আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া বিতর্কে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। তিনি বলেছেন, ওই বক্তব্যে তার সম্মানহানিকর কিছু বলা হয়নি।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ১১-দলীয় জোটের এক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কর্নেল অলি আহমেদ এ কথা বলেন।

কর্নেল অলি আহমেদ বলেন, জামায়াতের আমির কোথাও বলেননি যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক। তার বক্তব্যের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘তিনি বলেছেন—চট্টগ্রাম থেকেই প্রথম বিদ্রোহ হয়েছে। এটিই সত্য।’

এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরে আয়োজিত এক সমাবেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় এবং চট্টগ্রাম থেকেই প্রথম ‘We revolt’ বলে বিদ্রোহ করা হয়। ওই বক্তব্যে তিনি কর্নেল অলি আহমেদের নাম উল্লেখ করে তাকে স্বাধীনতার ঘোষণাদাতা হিসেবে উপস্থাপন করেননি বলেই কর্নেল অলি তার বক্তব্যে বলেছেন।

একই দিন ওই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে লোহাগাড়ায় ১১-দলীয় জোটের আরেক সমাবেশে কর্নেল অলি আহমেদ বলেন, তিনি চট্টগ্রাম থেকে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। এসব বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, জামায়াতের আমির নাকি কর্নেল অলি আহমেদকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তবে কর্নেল অলি আহমেদ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সমাবেশের ভিডিও যাচাই করে দেখা যায়, ডা. শফিকুর রহমান শুধু বলেছেন চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়; কোথাও তার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

রাঙ্গুনিয়ায় দেওয়া বক্তব্যে কর্নেল অলি আহমেদ আরও বলেন, ডা. শফিকুর রহমান কারও সম্মানহানিকর কোনো কথা বলেননি। তিনি এ বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত সমালোচনার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

‘জাতীয় সরকার’ গঠনে আমরা ইতিবাচক, দ্য উইককে ডা. শফিকুর

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত একটি প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল, যা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের নীতিমালা ধারাবাহিকভাবে পরিমার্জন করে আসছে। তিনি বলেন, জামায়াত সবসময়ই গণতান্ত্রিক ও জনমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

ভারতের সাপ্তাহিক ইংরেজি ম্যাগাজিন দ্য উইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। সাক্ষাৎকারে তিনি জামায়াতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের বিষয়ে জামায়াত ইতিবাচক বলে জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে *দ্য উইক*-এর দিল্লি ব্যুরোপ্রধান নম্রতা বিজি আহুজার প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রথাগত নির্বাচনি রাজনীতির বাইরে থাকলেও জামায়াত কখনোই গণতান্ত্রিক কার্যক্রম থেকে সরে আসেনি। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে একই প্রতীকে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে জামায়াত শিখেছে—গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য কতটা জরুরি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের এই সময় জামায়াতকে আরও শক্তিশালী করেছে। সংগঠনের কাঠামো মজবুত করা হয়েছে, শৃঙ্খলা আরও কঠোর করা হয়েছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগ গভীর হয়েছে। একইসঙ্গে সমসাময়িক বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনৈতিক কৌশলও নতুন করে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, ২০১৩ সাল থেকে কার্যত নিষিদ্ধ অবস্থার মধ্যেও জামায়াত সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। বর্তমানে দেশের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ দুর্নীতি ও অপশাসনের বিকল্প হিসেবে জামায়াতের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামোর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতপন্থি ছাত্র সংগঠনের সাফল্য এ আগ্রহের প্রমাণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত এখন কেবল একটি আদর্শিক দল নয়; বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দেশ গঠনের অংশীদার করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

জোট রাজনীতি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দলটি নির্দিষ্ট কোনো আদর্শের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। জামায়াত বহুদলীয় গণতন্ত্র ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনে বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট গঠন করেছে দলটি। তবে বিএনপির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে তারা ইতিবাচক।

তিনি জানান, জোটবদ্ধ রাজনীতির ক্ষেত্রে জামায়াতের তিনটি মূলনীতি রয়েছে—জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতি।

নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মানবিক মর্যাদায় বিশ্বাসী। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন প্রার্থীকে মনোনয়নের কথা উল্লেখ করেন। তবে আসন বণ্টন ও জোটগত সমীকরণের কারণে এবার নারী প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হয়নি। জোটের নারী প্রার্থীদের জামায়াত পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের নারী জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়ার নজিরও তুলে ধরেন।

অতীতের বিতর্ক প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৪৭ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জামায়াতের কোনো সদস্যের কারণে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তবে তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

Continue Reading

top1

ভোটের পর সর্বোচ্চ তিন দিনে ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব

Published

on

By

ভোটের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ তিন দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে। 

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হওয়ার পর ঢাকার ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে বৃহস্পতিবার বিকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রেস সচিব।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে তিন দিনের মধ্যেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ অথবা ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।”

একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের বিষয়ে ছড়ানো গুঞ্জন নিয়ে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

ডেপুটি প্রেস সচিব আরও বলেন, “সরকার শুরু থেকেই নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরে যাবে।”

১৮০ কার্যদিবস নিয়ে চলমান আলোচনার ব্যাখ্যা দিয়ে ডেপুটি প্রেস সচিব জানান, এই সময়সীমাটি মূলত নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত। নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘গণপরিষদ’ সদস্য হিসেবে সংস্কারসংক্রান্ত কাজগুলো করবেন।

বিশেষ করে ‘জুলাই চার্টার’ ও সংশ্লিষ্ট সংস্কারের ধারা-উপধারার আইনি ভাষা নির্ধারণের জন্য এই সময়টি প্রয়োজন হতে পারে; এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলেও জানান তিনি।

Continue Reading

top1

জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক বঙ্গভবনের সেই কর্মকর্তার জামিন

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকডের অভিযোগে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের মামলায় গ্রেপ্তার বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটোরিয়ামের পূর্ব পাশের সরকারি কোয়ার্টার থেকে ছরওয়ারে আলমকে আটক করা হয়। এসময় তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। এরপর মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে আটক করে ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

এর আগে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের আমিরের এক্স হ্যান্ডল থেকে ইংরেজিতে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। পোস্টের একটি অংশে লেখা হয়, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যখন নারীদের আধুনিকতার নামে ঘর থেকে বের করা হয়, তখন তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হন। এটি অন্য কিছু নয়; বরং পতিতাবৃত্তির অন্য একটি রূপ।’

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

Continue Reading

Trending