Connect with us

ক্যাম্পাস

ইবিতে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

Published

on

ইবি প্রতিনিধি:

পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শনিবার (২৮ জৃন) দুপুরে পালিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবাইদুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খেলাফত ছাত্র মজলিস ইবি শাখার সভাপতি সাদেক আহমদ, সহ-সভাপতি নোমান আহমাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ খান-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

সংগঠনটির সভাপতি সাদেক আহমেদ জানান, ‘পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এটি পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস এ ধরনের মানবিক ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাবে।’

এসময় প্রক্টর অধ্যাপক মো. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ ক্যাম্পাস গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

সারাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর দেড়টায় বিক্ষোভ মিছিলটি ধর্মতত্ত্ব অনুষদ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনের ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমী মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদসহ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।

এসময় তাদের ‘লীগ পাব যেখানে, ধোলায় হবে সেখানে’, ‘বাংলাদেশের প্রাণ, তারেক রহমান’, ‘ভারত যদি বন্ধু হও, শেখ হাসিনারে ফেরত দাও’, ‘ছাত্রলীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুরিয়ে দাও’, ‘ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’সহ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমী মিথুন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক ও কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন অন্যায় অত্যাচার করেছেন তাদেরকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং চাকরিচ্যুত করতে হবে। সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই ফ্যাসিস্টের ঠিকানা বাংলাদেশের মাটিতে ও এই ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, হবে না।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের বৃত্তি উৎসব অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃত্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০৫ নম্বর কক্ষে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ক্যাম্পাস ইউনিটের প্রতিনিধি মিশুক শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসবে ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের ক্যাম্পাস গার্ডিয়ান ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার অধীকারী। এছাড়া মোরাল প্যারেন্টিং পরিবারের ৬০ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃত্তি অনুষ্ঠানে ‘নৈতিক সমাজ নিয়ে তরুণদের ভাবনা’ শীর্ষক উপস্থিত বক্তব্য প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। যেখানে মোরাল প্যারেন্টিং পরিবারের ৪০ জন মোরাল চাইল্ড অংশগ্রহণ করেন।

এসময় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী অন্তরা খাতুন বলেন, “সমাজ পরিবর্তন বড় কিছু দিয়ে নয়, একজন মানুষকে ভালোবাসা ও তার পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে শুরু হয়। আমার স্বপ্নের নৈতিক সমাজে মানুষ অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে, বিপদে পাশে দাঁড়াবে এবং অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিতে কাউকে বিচার করবে না। বিবেক ও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই সবাই ভালো কাজ করবে।”

মোরাল প্যারেন্টিং পরিবারের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মিশুক শাহরিয়ার বলেন, “মোরাল প্যারেন্টিং পরিবার একটি নৈতিক সমাজ গঠনের স্বপ্নে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের সংগঠন শুধু শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে না, পাশাপাশি তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে ভাষা শিক্ষা, কম্পিউটার শিক্ষাসহ বিভিন্ন আত্মউন্নয়নমূলক কোর্স পরিচালনা করে। এছাড়া সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণে ‘স্বাবলম্বী প্রজেক্ট’-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক সহায়তা দিয়ে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। মোরাল প্যারেন্টিং পরিবারের হয়ে কাজ করতে পেরে ভালো লাগে।”

অনুষ্ঠানে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার অধিকারী বলেন, “একজন মানুষকে সাহায্য করলে হয়তো একটি জীবন বদলায়, কিন্তু একজন মানুষকে নৈতিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে বদলে যেতে পারে একটি সমাজ। মোরাল প্যারেন্টিং পরিবার একটি নৈতিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। নৈতিকতা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের বিষয় নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের সবাইকে নৈতিক হতে হবে।”

প্রসঙ্গত, মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্ট একটি স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন। নৈতিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের প্রতি দুই মাস অন্তর বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আত্মউন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মোরাল প্যারেন্টিং পরিবারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চারজন শিক্ষককে ক্যাম্পাস গার্ডিয়ান এবং একজন শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাস গার্ডিয়ান হিসেবে আছেন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার অধিকারী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. ধনঞ্জয় কুমার, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জাফর আলী এবং ফোকলোর অ্যান্ড সোস্যাল স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক মো. ফয়সাল হোসেন। শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিশুক শাহরিয়ার।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

অনুমতি ছাড়া শিক্ষকের কক্ষে ভিডিও ধারণ, মোবাইল হারাল সাংবাদিক

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত কক্ষে অনুমতি ছাড়া দুই শিক্ষকের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ‘দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার ক্যাম্পাস সাংবাদিক ওয়াসিফ আল আবরার।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টররিয়াল টিম বলছে, শিক্ষার্থীদের রোষানলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে মোবাইলটি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে লিখিত স্টেটমেন্টে নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণকালে এমন ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তা ফেসবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দেন। এছাড়া শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে হেনস্তা এবং তাদের কক্ষ ও অফিস ভাঙচুর করেছেন। পরে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও চিহ্নিত আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ড. মাহবুবুর রহমানের কক্ষে গিয়ে তাকে হুমকি, হেনস্তা ও টেবিল ভাঙচুর এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এদিন দুপুর ১টা ২০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান উপস্থিত হলে নিরাপত্তার ইস্যুতে ড. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। তারা দুইজনই একই বিভাগের অধ্যাপক। অনুমতি না নিয়ে হুট করে রুমে প্রবেশ করে দুই শিক্ষকের পার্সোনাল বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণ করতে থাকেন সাংবাদিক আবরার। পরে অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়ে ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানান। এবং মোবাইল নিয়ে টানাটানি শুরু হয়৷ বিশৃঙ্খলা এড়াতে নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান সাংবাদিকের মোবাইলটি হেফাজতে নেয়।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা তাকে চিনি না, জিজ্ঞেস করলাম আপনি কে? তখন সে সাংবাদিক পরিচয় দেয়। যেহেতু অনুমতি ছাড়া পার্সোনাল কক্ষের ভিডিও ধারণ করছে, তাকে ডিলিট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি, সে কোনো মতেই ডিলিট দেওয়ার পক্ষে না। উত্তেজিত অবস্থায় একজন কর্মকর্তা মোবাইলটা নিয়ে নেয়।

তবে সাংবাদিক আবরারে দাবি- হিট অব দ্যা মোমেন্টের ডকুমেন্টস সংগ্রহ করতে গিয়ে ভিডিও ধারণ করেছি। ধস্তাধস্তি করে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অধিকার তো রাখে না।

নিরাপত্তা কর্মী মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার সম্ভবনা দেখে উত্তেজিত মোমেন্টে মোবাইলটা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক আবরার আমাকেও ধাক্কা দেয়, এর আগেও সে আমাকে কল দিয়ে হুমকিও দিয়েছে।

ইইই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেন, যখন উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তখন গিয়ে দেখি দুই শিক্ষকের মাঝে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন কোনো ধরনের পারমিশন না নিয়ে সাংবাদিক ভিডিও করা শুরু করে দেয়, এর আগে এক শিক্ষককে হুমকি বা রুমে ভাংচুর করে একদল গেল, তাতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ। শিক্ষার্থীরা ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানালে অস্বীকার করে সাংবাদিক আবরার। তখন এক নিরাপত্তা কর্মী মোবাইলটি নিয়ে নেয়।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হই। ড. মাহবুবুর রহমানকে সালাম দিই। এনি আমার সিনিয়র কিন্তু সালামটা ওনি নেগেটিভলি নিয়ে বলে ওঠল— ‘বাহ শাহীন, ভালো কাজ করছো, আজকের ঘটনা তুমি করিয়েছো।’ তখন আমি বলল, আমি করাবো কেন, প্রমাণ করতে পারবেন? এভাবে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন হুট করে রুমে সাংবাদিক আবরার অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করতে থাকে৷ পাশে বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম- সাংবাদিক কি কারো অনুমতি নিয়েছে কিনা। পারসোনাল রুমে কিভাবে প্রবেশ করলো। এক পর্যায়ে বিভাগের শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে যায়। মোবাইলটি নেওয়ার চেষ্টা করে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা কর্মী সাংবাদিকের মোবাইল হেফাজতে নেয়। এরপর উপাচার্য স্যারকে অবগত করেছি। প্রক্টরিয়াল মিটিং শেষে লিখিত স্টেটমেন্ট নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়েছে। এখানে কেড়ে নেওয়া বা আটকানোর কোনো ঘটনায় ঘটেনি। বিভাগের সভাপতিকে জানানো হলে তাকে সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা সভাপতির কক্ষে বসে।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, আমি অবগত হয়েছি। প্রক্টরকে মোবাইলটি দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। ঘটনাটি লিখিত দিতে উভয়কে বলেছি। তদন্ত কমিটি যেহেতু আছে সার্বিক বিষয় দেখবে।

এদিকে সাংবাদিক আবরার প্রক্টরের কাছে দেওয়া লিখিত স্টেটমেন্টে লিখেন, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ওয়াসিফ আবরার, আজ ১৬ আগস্ট দুপুরে ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ইইই বিভাগ থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ইবির নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। আজ বিকাল ৫টার সময় ইবির প্রক্টর অফিস থেকে আমি আমার ফোনটি সুরক্ষিত এবং যথাযথভাবে বুঝে পেলাম।

Continue Reading

Trending