Connect with us

ক্যাম্পাস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবৃত্তি অনুষ্ঠান

‘আবৃত্তি আবৃত্তি’ ও ‘কণ্ঠতরঙ্গ’ যৌথ সম্পাদনায়

Published

on

আশরাফুল ইসলাম, ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’ ও বাংলাদেশের অনলাইন ভিত্তিক আবৃত্তি সংগঠন ‘কণ্ঠতরঙ্গ’ এর যৌথ সম্পাদনায় আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসময় কেক কেটে উদযাপন এবং সবার কণ্ঠে কবিতা আবৃত্তি উচ্চারিত হয়।

শনিবার (২৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি’র ১১৬ নাম্বার রুমে খান মাজহারুল হক লিপুর ৫০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে এবং তার পৃষ্ঠপোষকতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে যৌথ সঞ্চলনায় ছিলেন সুইটি পাল ও মুহিবুল্লাহ নোমান।

এসময় ‘কণ্ঠতরঙ্গ’ এর সদস্য এবং ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’ সংগঠনের আজীবন সদস্য রেজাউল করিম বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠতরঙ্গের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠন এর উপদেষ্টা খান মাজহারুল হক লিপু, আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠনের আজীবন সদস্য গোলাম রব্বানী, বর্তমান সংগঠনটির সভাপতি নওশীন পর্ণিনী সুম্মা-সহ দুই সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত গোলাম রব্বানী বলেন, ‘লিপু ভাইয়ের সাথে আমাদের যোগাযোগ ২০১৯ সাল থেকে। ভাই বয়সের দিক থেকে বড় হলেও কখনও বুঝতে দেননি তিনি সিনিয়র। যতগুলো প্রোগ্রাম বা কমিটি হয়েছে সবগুলোতে তিনি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। এই যে দায়িত্ববোধ। মনে করি, অমল কান্তি রোদ্দুর হতে পারেনি কিন্তু লিপু আমাদের সংগঠনের জন্য রোদ্দুর হতে পেরেছে।’

আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠন সভাপতি নওশীন পর্ণিনী সুম্মা বলেন, ‘লিপু ভাই ছোট বড় সবার সাথে এমন ভাবে মিশে গেছে মনে হয় না ভাই আমাদের সিনিয়র। এই অনুষ্ঠান আয়োজনের পিছনে রয়েছে ভাইয়ের অবদান। ভাইয়ের এই ৫০ বছর শুধু যেন বছর না হোক যেটি যুগ যুগ ধরে আমাদের হৃদয়ে বহমান থাকবেন।’

এসময় খান মাজহারুল হক লিপু বলেন, ‘আমি এটাই বলতে পারি যে, আমার জীবনে যা পেয়েছি আমার জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই। আজীবনের জন্য পেয়ে গেছি। সেটা হলো- আবৃত্তি আবৃত্তি ও কণ্ঠতরঙ্গের ভালোবাসা অর্থাৎ তোমাদের ভালোবাসা। সামনে উপবিষ্ট একজন একজন আগামী পথচলার সারথি হবেন।’

রেজাউল করিম বিপ্লব বলেন, ‘লিপু ভাইয়ের জন্মদিন না, বরং এটা আমাদেরকে নতুন করে সাহস বা অনুপ্রেরণার খোরাক। সবাইকে একসাথে জড়ো করিয়ে তিনি তার জীবনের অংশ সংগঠনকে বিলিয়ে দিলেন তা থেকে ওনার মতো আরও কিছু উত্তরসূরী রেখে যেতে চান৷ দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে তিনি সবসময় অনড়।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

স্বর্ণকলি উচ্চ বিদ্যালয়ের ‘এসএসসি ২০১৯’ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

Published

on

By


গোপালগঞ্জ স্বর্ণকলি উচ্চ বিদ্যালয়ের ‘এসএসসি ২০১৯’ ব্যাচের ইফতার মাহফিল ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে শিক্ষার্থীরা।

ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে ওই ব্যাচের শিক্ষার্থী কাজী সায়হাম বলেন, ‘আমরা এখন সবাই বিভিন্ন জায়গায় থাকি। কেউ পড়াশোনা করছে কেউ চাকরি করছে। এতো দিন পরে সবাই একত্র হয়েছি। খুব ভালো লাগছে। আশা করি ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন আরও হবে।’

আরেক শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন পিয়াস বলেন, দীর্ঘদিন পরে সবাই একসাথে হয়েছি। সকল ভেদাভেদ ভুলে আমরা একসাথে বসে ইফতার করছি। আমাদের এ ভাতৃত্ববোধ যে সবসময় থাকে, এটাই প্রত্যাশা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শতাধিক শিক্ষার্থী এ ইফতার মাহফিলে অংশ নেয়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

২ ঘণ্টার ব্যবধানে চলে গেলেন দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী

Published

on

By

মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে এসব ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা রিজুর মৃত্যু হয়েছে বাসার ছাদ থেকে পড়ে। আর গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) শিক্ষার্থী দীপা দাস দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি ‘আত্মহত্যা’ করতে পারেন বলে মনে করছেন সহপাঠীরা।

জানা গেছে, জাককানইবির রিজু ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। তার স্বামী মো. রাশিদুল ইসলাম একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসক। ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জিল্লুর রহমান পল বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী রিজুর অকাল মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তার পরিবারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন।

অপরদিকে ‘আত্মহত্যা’ করা দীপা দাস গোবিপ্রবির বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের ঘোনাপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় দীপার। পরে তিনি তার স্বামীকে একটি ঘরে আটকে রেখে পাশের ঘরে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। পরবর্তীতে তার স্বামী বাড়ির দারোয়ানকে ডেকে ঘরের দরজা ভেঙে পাশের ঘরে গিয়ে দেখেন, তিনি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় আছেন।

দীপা দাসের সহপাঠী বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জেরভাস বিশ্বাস বলেন, তার আত্মহত্যার বিষয়টি আমরা এখনো পুরোপুরি জানতে পারিনি। তবে দাম্পত্য কলহের জেরে ঝগড়ার পর গতকাল বিকেলে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা খুবই শোকাহত।

আরেক সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, দীপা দাস ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক, মেধাবী এবং পড়াশোনায় অনেক ভালো। আমিও জানতে পেরেছি যে, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় আমরা এবং বাংলা পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

উল্লেখ্য, দীপা দাসের মৃত্যুর বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এবং তার স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবির আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগে আইনজীবী হলেন ৭০ অধিক শিক্ষার্থী

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের প্রথম দুই ব্যাচ থেকে ৭০ অধিক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। নতুন বিভাগ হিসেবে শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি গৌরবময় অর্জন বলে মনে করছেন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা। বিভাগের তথ্য মতে— ইতোমধ্যে ৬৮ জনের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তালিকাভুক্তদের নাম সংগ্রহের কাজ চলমান। এতে ৭০ অধিক ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান বিভাগের শিক্ষকরা।

গত রোববার (১৫ মার্চ) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮ হাজার ৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, গত ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত ভাইভা পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণরা বাংলাদেশে আইন পেশায় অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আইন পেশা শুরু করার জন্য তাঁদের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাহিদা আখতার ফেসবুক স্টাটাসে তিনি অভিনন্দন জানিয়ে লিখেন, ‘আজ আমার হৃদয় ভরে গেছে এক অনন্য তৃপ্তি ও গভীর গর্বে! আমার শিক্ষকতা জীবনের প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের শতাধিক সন্তান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত এ্যাডভোকেট হিসেবে নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করলো। তোমাদের প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা! তোমরা শুধু শিক্ষার্থী নও বরং আমার স্বপ্নের প্রথম বীজ, আমার বিশ্বাসের প্রথম আলো, আমার পথচলার প্রথম সাহস। মাতৃস্নেহের গভীরতা থেকে বলতে চাই— তোমাদের এই সাফল্য ও অগ্রযাত্রা একজন শিক্ষক হিসেবে আমার জীবনের অন্যতম পরম প্রাপ্তি। সততা ও মানবিকতা হোক তোমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়।’

জানতে চাইলে শতাধিক শিক্ষার্থীর বিষয়ে তিনি জানান, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার কিছু শিক্ষার্থীও তালিকাভুক্ত হয়েছে। তাদের সহ সবমিলিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে। এটি আমার এবং নতুন বিভাগের জন্য গর্বের।

বিভাগটির বর্তমান সভাপতি সহকারী অধ্যাপক বিলাসী সাহা তালিকাভুক্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদভুক্ত তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ এন্ড ল, আইন ও ভূমি প্রশাসন) রয়েছে। সর্বশেষ নবীন বিভাগ হিসেবে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে যাত্রা শুরু করে আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগটি।

Continue Reading

Trending