Connect with us

top3

ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে

Published

on

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যত দ্রুত সম্ভব তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হবে। তিস্তা অববাহিকার মানুষকে মরুকরণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করব।

শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের নিরাপত্তা ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করাই বিএনপির অঙ্গীকার।

দিনাজপুরে তার নানির বাড়ি এবং এই এলাকার মানুষের সঙ্গে তার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নানিবাড়ির মানুষদের কাছে আমি ভোট চাই। এ এলাকার মানুষ আমাকে আপনজন মনে করেন। আমি আশা করি, তারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।’

দিনাজপুরের কৃষিসম্পদের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখানকার মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং মানুষ পরিশ্রমী। কাটারী ভোগ চালের সুগন্ধ ও স্বাদ যেমন অতুলনীয়, তেমনি এখানকার লিচু দেশের অন্যতম সেরা ফল। সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করা গেলে এসব পণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী কৃষিপণ্য বিশ্ববাজারে পরিচিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, দিনাজপুর শুধু দেশের খাদ্যভাণ্ডার নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিশক্তির অন্যতম প্রতিনিধি হওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা রাখে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির রাজনীতি শুধু কাঁচা কৃষিপণ্য উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষিপণ্যভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। এতে কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়বে। একই সঙ্গে বেকার যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নত করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য।

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে কৃষি ও কৃষক অবহেলার শিকার হয়েছে। উৎপাদন খরচ বেড়েছে, কিন্তু কৃষক তাদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায়নি। ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’এই বাস্তব সত্য ভুলে গিয়ে কৃষকদের বঞ্চিত বরা হয়েছে।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি।

তারেক রহমান জানান, দিনাজপুর অঞ্চলে আধুনিক কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, সংরক্ষণাগার ও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে। এর ফলে কৃষিপণ্যের অপচয় কমবে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পণ্য রপ্তানি সহজ হবে।

এসময় কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

সবশেষে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে দিনাজপুর জেলার ছয়টি সংসদনীয় আসনের বিএনপি’র প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক হাতে তুলে দেন।

উল্লেখ্য, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির সঞ্চালনায় হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে জনসভাটি উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

পবিপ্রবি ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের গবেষণাগার উদ্বোধন

Published

on

By

পবিপ্রবি প্রতিনিধি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) -এর ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষা, গবেষণা ও ব্যবহারিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে একটি বিদ্যমান গবেষণাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়ন (refurbished) এবং একটি নতুন আধুনিক গবেষণাগার উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অভ্যন্তরে অবস্থিত পূর্বের ‘Seafood Processing, Quality and Safety Laboratory’-এর সংস্কার ও আধুনিকায়নকৃত অংশ এবং খামার ভবনে নবনির্মিত ‘Advanced Analytical Laboratory’ প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার (SPM), HEAT-ATF Sub-project (PIN-13571) এবং , ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান Seafood Processing, Quality and Safety Laboratory-এর উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে তিনি খামার ভবনে অবস্থিত Advanced Analytical Laboratory-এ যান। সেখানে তিনি ল্যাবটির নামফলক উন্মোচন ও ফিতা কাটার মাধ্যমে ল্যাবটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং সংশ্লিষ্ট ল্যাব/প্রকল্পের ওয়েবসাইটও উদ্বোধন করেন |

উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি ও অতিথিবৃন্দ ল্যাবের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান ল্যাবে স্থাপিত ও ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতির কার্যক্রম, ব্যবহারিক গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার সম্ভাবনা সম্পর্কে অতিথিদের অবহিত করেন। ল্যাবের প্রতিটি যন্ত্রের মাধ্যমে কি ধরনের নমুনা প্রস্তুত, বিশ্লেষণ ও গবেষণা করা যাবে—সে বিষয়েও তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন | পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণ ও সফলতা কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Advanced Analytical Laboratory-তে গবেষণা ও নমুনা বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ও সহায়ক সরঞ্জাম রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ; Fluorescence fingerprinting instruments and Fourier Transform Infrared (FTIR) Spectroscopy. এছাড়াও আরো ১৫ টির মতো ইন্সট্রুমেন্ট ল্যাবরেটরীতে রয়েছে।

গবেষণার মূল লক্ষ্য ফ্লুরোসেন্স ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি
এই ল্যাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা লক্ষ্য হলো Fluorescence Fingerprint coupled with Chemometrics প্রযুক্তির মাধ্যমে সামুদ্রিক খাদ্য ও মৎস্যজাত পণ্যের গুণমান ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণের জন্য দ্রুত, আধুনিক ও non-invasive পদ্ধতি উন্নয়ন করা।

উল্লেখ্য, এই গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে মাছ ও অন্যান্য seafood-এর freshness, quality, chemical changes, authenticity এবং বিভিন্ন quality/safety indicator দ্রুত মূল্যায়নের জন্য fluorescence signal ও chemometric modelling ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ প্রচলিত পদ্ধতিতে সামুদ্রিক খাদ্য ও অন্যান্য জলজ খাদ্যপণ্যের গুণগত মান নির্ণয় এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সময়সাপেক্ষ, শ্রমনির্ভর এবং জটিল। বিশেষ করে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে নমুনা প্রস্তুতকরণসহ বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে অনেক সময় এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। এর বিপরীতে, ফিঙ্গারপ্রিন্টিংভিত্তিক আধুনিক বিশ্লেষণাত্মক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অল্প সময়ের মধ্যে নমুনার রাসায়নিক ও ভৌত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা সম্ভব। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে মাত্র কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণ করা যেতে পারে, যা প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় দ্রুত ও কার্যকর বিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি করে।

এছাড়াও, বিভিন্ন ধরনের অ্যাডাল্টার বা ভেজাল শনাক্তকরণের ক্ষেত্রেও ফিঙ্গারপ্রিন্টিং একটি কার্যকর ও সহজতর পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তুলনামূলকভাবে সরল নমুনা প্রস্তুতির মাধ্যমে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে উপস্থিত অনাকাঙ্ক্ষিত উপাদান বা ভেজাল শনাক্ত করার সুযোগ থাকায় খাদ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামগ্রিকভাবে, দ্রুততা, কম শ্রমের প্রয়োজনীয়তা এবং সহজ বিশ্লেষণ পদ্ধতির কারণে ফিঙ্গারপ্রিন্টিং প্রযুক্তি সামুদ্রিক খাদ্য ও জলজ সম্পদভিত্তিক পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একটি সম্ভাবনাময় আধুনিক প্রযুক্তি।

Continue Reading

top3

শাবিপ্রবি’র গণিত সমিতির নতুন কমিটি, সহ-সভাপতি আযহার সম্পাদক মেহরাব

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত সমিতির ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আযহার মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মেহরাব হোসাইন চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক শিহাব আকতার চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ মিয়া অন্তর, দপ্তর সম্পাদক ইলা আক্তার, শিক্ষা ও ক্যারিয়ার সম্পাদক নাজমুন নাহার, তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক মো. সাহাদ উদ্দিন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক জিয়াউর রহমান এবং প্রচার, বিপণন ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জোবায়ের হোসেন সম্পদ নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া ক্রীড়া সম্পাদক কাওসার আহমেদ, বিতর্ক সম্পাদক সায়মা আক্তার, গণমাধ্যম ও জনসংযোগ সম্পাদক ফারদিন আল সিয়াম এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফোরকানুল গনি জিহান নির্বাচিত হয়েছেন

কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অণুজ্যোতি দাশ অহন, মো. আবু হুজাইফা, মো. আব্দুল্লাহ আল মাহিন, লিমন সিকদার ও মাহমুদুল হাসান ভুইয়া চয়ন।

কমিটির অন্যান্য সদস্য নাজমুল হুদা, মো. সোহানুর রহমান সোহান ও মো. দেলোয়ার হোসেন ,সাকিব আহমেদ চৌধুরী, মো. রাব্বি ইসলাম, সুচি, খন্দকার রাশিদ আনজুম লাবিব, অঙ্কন চন্দ্র দাস শিবু, আল নাহিয়ান নাহিন, সারিয়ার আরাফাত, ইয়াছীর আরাফাত সিফাত, সাঈম আহমেদ সাকিন ও নাজিয়া হাসান।

Continue Reading

top3

ইবির ট্যুরিজম বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব পর্যটন দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের উদ্যোগে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আয়োজনে কেক কেটে চার দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এদিন কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেক কাটা, খাদ্য উৎসব ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান, রহিমা ফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়াজ রহিম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শহীদ মিয়া, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TOAB) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন সালিম, দিশা টাওয়ার কুষ্টিয়ার উপ-নির্বাহী পরিচালক মো. মোবিনুল ইসলাম (সেলিম), গ্লোবাল ভিশন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ভিসা কনসালট্যান্সি ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং আমিনা রোজা গলফ ক্লাবের সিইও ইফান আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান বলেন, “পর্যটন শুধু বিনোদনের একটি মাধ্যম নয়; এটি একটি দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। বাংলাদেশে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, লোকজ সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যময় খাদ্যসংস্কৃতিকে পরিকল্পিতভাবে উপস্থাপন করতে পারলে পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও পেশাগত দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি হলে তারা দেশের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে অবদান রাখতে পারবে।”

উল্লেখ্য, বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত খাদ্য উৎসব ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলবে। এতে বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খাবারের স্টল স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০ অক্টোবর কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হবে।

Continue Reading

Trending