Connect with us

আন্তর্জাতিক

খামেনি নিহতের ঘটনায় ইরাকে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

Published

on

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিবেশী দেশ ইরাক তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে।

রোববার (১ মার্চ) দেশটির সরকারের মুখপাত্র বাসেম আল আওয়াদির বরাতে বার্তা সংস্থা ইরাকি নিউজ এজেন্সি এ তথ্য দিয়েছে।

বাসেম আল আওয়াদি বলেন, ‘গভীর দুঃখ ও শোকের সঙ্গে আমরা সম্মানিত ইরানি জনগণ ও সমগ্র ইসলামী উম্মাহর প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’

মুখপাত্র আরও বলেন, মানবিক ও নৈতিক নিয়ম লঙ্ঘন করে প্রকাশ্য আগ্রাসন চালানোর মধ্য দিয়ে খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এক যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ভোরে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ৮৬ বছর বয়সি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে খামেনির বাসভবন লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। এই হামলায় খামেনির কন্যা, জামাতা এবং নাতিও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্পের দাবি, খামেনিই এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজরদারি এড়াতে পারেননি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইরানের গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান নিহত

Published

on

By

ইরানের গোয়েন্দা পুলিশের সংস্থা ফারাজার প্রধান গোলামরেজা রেজাইয়ান নিহত হয়েছেন। আজ রোববার ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে ইরানিয়ান সংবাদ মাধ্যমগুলো এ খবর জানিয়েছে।

রেজাইয়ান এর আগে ইমিগ্রেশন এবং ফরেন ন্যাশনাল পুলিশ, চিফ অব ইন্টেলিজেন্স এবং পাবলিক সিকিউরিটি পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

একইসাথে ইরানের পুলিশ বাহিনীর ডিরেক্টর অব জেনারেল ইন্সপেক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া বিস্তারিত আর কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

Continue Reading

top1

পাকিস্তানের মার্কিন দূতাবাসে হামলা, নিহত ৯

Published

on

By

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৯ জন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) বিক্ষোভকারীরা করাচি কনস্যুলেট ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে এবং ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তৎপর হয়ে উঠলে সংঘর্ষ বেধে যায় এবং এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর জিও নিউজের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে করাচির এম টি খান রোডে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভের আয়োজন করে স্থানীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় সংঘর্ষ বেধে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেট ভবনে পাথর নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও রেঞ্জারের বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সিন্ধু প্রাদেশিক সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান করাচির অতিরিক্ত আইজির কাছে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তলব করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না। তিনি প্রদেশজুড়ে স্পর্শকাতর স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন।

Continue Reading

top1

যেভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পায় সিআইএ–ইসরাইল

Published

on

By

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, আজ (রোববার) ভোরে আমেরিকা-ইসরাইলের হামলায় নিজ কর্মস্থলে শাহাদত বরণ করেন খামেনি। সর্বোচ্চ নেতার মেয়ে, জামাতা এবং নাতির শাহাদাতের খবরও নিশ্চিত করা হয়েছে। 

পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো বারবার দাবি করে আসছিল যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা একটি নিরাপদ এবং গোপন স্থানে বাস করেন। কিন্তু কর্মস্থলে তার মৃত্যু  এই দাবির অসারতা প্রমাণ করল।  

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা তথ্য আদান–প্রদান হয়েছিল। অভিযান সম্পর্কে জানেন এমন একাধিক ব্যক্তি এ কথা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যখন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তার আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য পায়। সংস্থাটি কয়েক মাস ধরে খামেনির অবস্থান ও চলাফেরা নজরে রেখেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা তার অবস্থান ও অভ্যাস সম্পর্কে আরও নিশ্চিত তথ্য সংগ্রহ করে।

সিআইএ জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি কমপ্লেক্সে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে খামেনিও উপস্থিত থাকবেন।

সিআইএ এই তথ্য পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তাদের হামলার সময় বদলে ফেলে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন এই গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর জন্যই হামলার সময় পরিবর্তন করা হয়।

সূত্রগুলো জানায়, খামেনির অবস্থান সম্পর্কে ইসরাইলকে ‘খুবই নির্ভুল’ তথ্য দেয় সিআইএ।

সংবেদনশীল সামরিক ও গোয়েন্দা বিষয় হওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তি এসব তথ্য দিয়েছেন।

প্রথমে রাতের অন্ধকারে হামলার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শনিবার সকালে ওই কমপ্লেক্সে বৈঠকের তথ্য পাওয়ার পর হামলার সময় পরিবর্তন করা হয়।

বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল এমন এক কমপ্লেক্সে, যেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট, সর্বোচ্চ নেতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কার্যালয় রয়েছে।

এ তথ্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জন্য বড় এক সুযোগ তৈরি করে দেয়। তারা মনে করে, এতে দ্রুত বড় ধরনের সাফল্য পাওয়া যাবে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া এবং সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা সম্ভব হবে।

অল্প সময়ের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে, হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ছিল। বিশেষ করে গত বছরের ১২ দিনের সংঘাতের পর তারা ইরানের নেতৃত্ব সম্পর্কে গভীর ও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছিল।

একই সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ড দেখিয়ে দিল, যুদ্ধের প্রস্তুতির স্পষ্ট সংকেত থাকার পরও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেদের সুরক্ষায় যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন না।

অভিযানসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, এটি দীর্ঘ প্রস্তুতি ও কার্যকর গোয়েন্দা তথ্যের ফল।

গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা চলাকালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র জানে খামেনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। চাইলে তাকে হত্যা করা সম্ভব।

সাবেক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, সে সময় যে গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক অভিযানে একই নেটওয়ার্কের তথ্য কাজে লাগানো হয়েছে।

এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা তথ্য আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে খামেনি ও আইআরজিসি কীভাবে যোগাযোগ ও চলাফেরা করছিল—সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আরও বিস্তারিত তথ্য পায়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে খামেনির গতিবিধি অনুসরণ করা হয়।

এ ছাড়া ইরানের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অবস্থান সম্পর্কেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নির্দিষ্ট তথ্য জোগাড় করেছিল। ইরানের নেতৃত্ব অবস্থান করা কমপ্লেক্সে হামলার পরবর্তী ধাপে, যেসব স্থানে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অবস্থান করছিলেন, সেসব স্থানেও হামলা চালানো হয়।

তবে ইরানের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সরে যেতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসরাইলের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এক বার্তায় বলেন, আজ সকালে তেহরানের একাধিক স্থানে একযোগে হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে একটি হামলা চালানো হয়েছে ইরানের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা নেতৃত্বের শীর্ষ ব্যক্তিদের জড়ো হওয়া কমপ্লেক্সে।

ওই ইসরাইলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবু এই হামলায় ইসরাইল ‘কৌশলগত চমক’ দিতে পেরেছে।

হোয়াইট হাউস ও সিআইএ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ অভিযানে মাত্র একদিনে ইরানে ১,২০০- এর বেশি বোমা ও গোলাবারুদ নিক্ষেপের দাবি করেছে ইসরাইলি বিমান বাহিনী। রোববার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। সেখানে অন্তত ১৪৮ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, বিদ্যালয়ে হামলায় ‘ডজনখানেক নিরীহ শিশু’ নিহত হয়েছে। 

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই হামলার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।’ 

Continue Reading

Trending